
স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ মো. তওফিক মাহবুব চৌধুরী প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ কনস্টেবলদের (টিআরসি) উদ্দেশে বলেছেন, তোমরা পুলিশ একাডেমি থেকে লব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে মাঠ পর্যায়ে নিষ্ঠা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করবে। প্রতিনিয়ত অনুশীলন, জ্ঞান চর্চা এবং বাস্তব জীবন হতে শিক্ষা গ্রহণ করে নিজেকে সমৃদ্ধ করবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহী সারদাস্থ বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির ১৬৯তম টিআরসি জুন- ২০২৫ ব্যাচের ৪১৮ নবীন পুলিশ কনস্টেবলের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
নতুন কর্মজীবনে পদার্পণের জন্য সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে তওফিক মাহবুব বলেন, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর হতে শুরু হওয়া ৪ মাসব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণের সফল পরিসমাপ্তি আজ। বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি হতে অর্জিত আইনি জ্ঞান ও পুলিশিং এর নানাবিধ কৌশল তোমাদের ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনকে সাফল্যমণ্ডিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
প্রধান অতিথি বলেন, ‘উত্তম প্রশিক্ষণ, সর্বোত্তম সেবা’ এই প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সর্বোত্তম আন্তরিকতা ও কর্মদক্ষতা দিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। মাঠ ও আইটিতে দক্ষ প্রশিক্ষকের সমন্বয়ে চলমান কর্মযজ্ঞ, প্রশিক্ষণার্থীর শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আমরা সবর্তোভাবে আন্তরিক।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ দেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, জনগণের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় প্রতিনিয়ত পরিশ্রম করছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুষ্টের দমন ও সৃষ্টের পালনের মাধ্যমে রাষ্ট্র এবং জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব।
এ সময় আইন ও বিধি দ্বারা নির্ধারিত দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার মহান দায়িত্ব পালনের জন্য ট্রেইনি পুলিশ কনস্টেবলদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, টিআরসির অভিভাবকবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি অভিবাদন গ্রহণ ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। পরে প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী টিআরসিদের হাতে পুরস্কার এবং সনদ তুলে দেন।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST