
অনলাইন ডেস্ক : বাজারে পেঁয়াজ ও আমদানি করা নাজিরশাইল চালের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে। তবে ছোট দানার মসুর ডাল, লেবু এবং পোলাওয়ের চালের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে মিনিকেট চাল আগের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, নতুন পেঁয়াজের বাজারে সরবরাহ বাড়ায় কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। বিদেশ থেকে নাজিরশাইল চালের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের চালের দামও নেমেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার ও শেওড়াপাড়া বাজারে গিয়ে জানা গেছে, প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০-৫৫ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে এ দাম ছিল ৬০-৬৫ টাকা।
বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে বাজারে মূলত নতুন পেঁয়াজই বেশি বিক্রি হচ্ছে। সম্প্রতি পাবনার সাঁথিয়া, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন উৎপাদনস্থলে নতুন পেঁয়াজ সরবরাহ বেড়েছে, যার প্রভাব পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
ডাল ও তেলের বাজারে পরিবর্তন
সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা কমেছে। খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, কয়েক দিন ধরে সরবরাহকারীদের কাছ থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না। তবে এ সময়ের মধ্যে তেলের দাম বাড়েনি।
বাজারে ছোট দানার মসুর ডাল বিক্রি হয়েছে ১৬০-১৬৫ টাকায়। তিন সপ্তাহ আগে এ দাম কেজিতে ২০ টাকা কম ছিল। মোটা দানার মসুর ডাল কেজিতে ৮৫-৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা আগের তুলনায় ৫ টাকা কম।
নাজিরশাইল চালের দাম কমেছে
বাজারে দেশি ও আমদানি করা—উভয় ধরনের নাজিরশাইল চাল পাওয়া যায়। এদের মধ্যে আমদানি করা চালের দাম কেজিতে প্রায় ৫ টাকা কমে ৭৫-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে এ দাম ছিল ৮০-৮৫ টাকা। দেশি নাজিরশাইল চালের দাম এখনো ৮৫ টাকার আশপাশে। বিক্রেতারা জানান, বাজারে নতুন দেশি নাজিরশাইল চাল এলে দাম আরও কমতে পারে।
মিনিকেট চালের দাম আগের মতো স্থিতিশীল রয়েছে। রশিদ চাল প্রতি কেজি ৭২-৭৩ টাকা, সাগর ও মঞ্জুর ৮০-৮২ টাকা, ডায়মন্ড ও মোজাম্মেল চাল ৮৫-৮৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে পোলাওয়ের চালের দাম কেজিতে এক মাসের ব্যবধানে প্রায় ২৫ টাকা বেড়েছে।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST