
অনলাইন ডেস্ক : ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই বিপ্লবী শহিদ ওসমান হাদির জানাজার নামাজে অংশ নিতে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে শহিদ ওসমান হাদির জানাজার নামাজে জন্য মরদেহ নেয়া হয়েছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দরোগ ইনস্টিটিউট থেকে সহযোদ্ধা ও সমর্থকদের অংশগ্রহণে মিছিলসহ ওসমান হাদির মরদেহ নিয়ে আসা হয় সেখানে।
সকালে হাদির মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরে মরদেহ নেওয়া হয় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে, যেখানে গোসল ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে মিছিলের মাধ্যমে দক্ষিণ প্লাজায় আনা হয়।
ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে, পরিবারের অনুরোধে শহিদ ওসমান হাদিকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শহিদ হাদির জানাজার নামাজ পড়াবেন তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ও ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল আহাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানাজার জন্য জাতীয় সংসদ সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সকাল থেকেই মানুষ জড়ো হতে শুরু করে। একের পর এক মিছিল সঙ্গে স্লোগান ‘আমরা সবাই হাদি হবো যুগে যুগে লড়ে যাবো’, ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’ দিয়ে প্রবেশ করছে। ফার্মগেট, বিজয়স্মরণী, আসাদগেটসহ আশপাশের এলাকা ভিড়ে ভর্তি।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগের সময় চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করা হয়। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মরদেহ দেশে ফেরে ১৯ ডিসেম্বর। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST