
স্টাফ রিপোর্টার : বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বৈশ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে। যেসব পণ্যে বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর, সেসব পণ্যের ক্ষেত্রে উৎস পর্যায়ে মূল্য বৃদ্ধি সরাসরি আমদানি ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলে। সয়াবিন তেল সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এক তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য জানিয়েছে তথ্য অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভোজ্যতেলের মূল্য সমন্বয় সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী এসব কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, বোতলজাত সয়াবিন তেলের নতুন মূল্য ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম হবে ৯৭৫ টাকা। খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে তবে পামওয়েলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তিনি আরো বলেন, রমজান মাস থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। ওই সময় থেকে আমদানিকারক ও রিফাইনাররা মূল্য সমন্বয়ের জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে আসছিলেন। তাদের দাবি ছিল, মূল্য সমন্বয় না হলে তারা ধারাবাহিক লোকসানের মুখে পড়বেন এবং পুঁজি সংকটে পড়বেন।
সরকার বিষয়টি একাধিকবার যাচাই-বাছাই করেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য, আমদানি ব্যয় এবং সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত খরচ বিবেচনায় নিয়ে দেখা গেছে, মূল্য বৃদ্ধির যৌক্তিকতা রয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবিত পুরো মূল্য বৃদ্ধি গ্রহণ করা হয়নি। ভোক্তাদের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে সীমিত পরিসরে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভোক্তারা এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে নেবেন। একইসাথে এই সমন্বয়ের ফলে আমদানিকারক ও রিফাইনারদের লোকসানের চাপ কিছুটা কমবে এবং বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে।
এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান ও ভোজ্যতেল শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট রিফাইনার ও আমদানিকারকদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
#
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST