২৬ এপ্রিল ২০২৪
অনলাইন সংস্করণ

‌‘বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের সুযোগ রয়েছে’

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, খাদ্য নিরাপত্তা, পর্যটন, জনস্বাস্থ্য, জ্বালানি এবং আইসিটি ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার সুযোগ রয়েছে।

থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন আজ তার দপ্তর গভর্নমেন্ট হাউসে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক মধ্যাহ্নভোজ সভায় দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, খাদ্য নিরাপত্তা, পর্যটন, জনস্বাস্থ্য, জ্বালানি, আইসিটি, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং সংযোগ এবং বিমসটেকের অধীনে আমাদের সহযোগিতা জোরদার করার সুযোগ রয়েছে।

এর আগে দুই নেতা একান্তে বৈঠক করেন এবং তারপর তারা সেখানে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে নিজ নিজ পক্ষের নেতৃত্ব দেন।

দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সেখানে পাঁচটি দ্বিপাক্ষিক নথি সই হয়। এসবের মধ্যে একটি চুক্তি, তিনটি সমঝোতা স্বারক এবং একটি আগ্রহপত্র রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ   আমরা ঐতিহাসিক ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি : সিইসি

মধ্যাহ্নভোজন সভায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশী হিসেবে থাইল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। আমাদের বন্ধুত্ব ঐতিহাসিক, ভাষাগত এবং অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গভীরে প্রোথিত। আমাদের দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, টেকসই উন্নয়ন, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং সংযোগসহ বহুমুখী সহযোগিতার ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে এবং দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মধ্যে মিথস্ক্রিয়াকে আরও উৎসাহিত করার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা চালাতে সম্মত হয়েছি। একইভাবে, আমাদের অবশ্যই দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগের প্রচার ও সুবিধার্থে আমরা অবশ্যই সকল প্রচেষ্টা চালাব।

তিনি বলেন, ঢাকা ও ব্যাংকক আজ যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে তা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একটি দৃঢ় কাঠামো দাঁড় করানোর সুযোগ করে দেবে।

থাইল্যান্ড সফর সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, এ সফর ‘প্রতিবেশী’ নীতির ওপর বৃহত্তর ফোকাসের অংশ যা দুই দেশের জন্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গতিকে আরও নবায়ন করার একটি চমৎকার সুযোগ করে দিয়েছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই সফর আমাদের দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ সরকারি সফর আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। আমাদের জনগণ ও দেশের পারস্পরিক সুবিধার জন্য আমাদের সম্পর্কের নতুন গতিকে ধরে রাখতে হবে।

আরও পড়ুনঃ   ঢাকা-বেইজিং ২১টি দলিল সই এবং ৭টি প্রকল্প ঘোষণা

মধ্যাহ্নভোজ সভায় যোগ দেওয়ার আগে শেখ হাসিনা গভর্নমেন্ট হাউসে একটি থাই হস্তশিল্প প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা এবং বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বংশালে হেলমেট গোডাউনে আগুন : সরু সিঁড়ি-পানি সংকটে নিয়ন্ত্রণে হিমশিম

হামের উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যু, আক্রান্ত ১১০১

মান্দা থানার বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ধর্ষণ মামলার আসামী গ্রেফতার

বাঘায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন

রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময়

রুয়েটে কিউএস র‌্যাংকিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

রেড ক্রিসেন্ট রাজশাহী সিটি ইউনিটের সঙ্গে আইসিআরসি প্রতিনিধির মতবিনিময়

নিয়ামতপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন

নগরীতে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

১০

নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ গ্রেপ্তার ৪

১১

নগরীতে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’ উপলক্ষে পোনামাছ অবমুক্তকরণ ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত

১২

নিয়ামতপুরে শহীদ জিয়া স্মৃতি পরিষদ ও পাঠাগারের উদ্বোধন

১৩

নগরীতে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ২৫

১৪

মান্দায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন

১৫

নগরীতে মাদকবিরোধী বিশেষ টিমের পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

১৬

সীমান্তে পৃথক অভিযানে ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল এবং মাদকদ্রব্য জব্দ

১৭

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দ্রুত টেস্ট জয়ের রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ

১৮

মৎস্য, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বাড়াতে জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

২০

Design & Developed by: BD IT HOST