২০ অক্টোবর ২০২৪
অনলাইন সংস্করণ

দাহ না করে মরদেহ দাফন করতে বলে গেছেন মনি কিশোর

অনলাইন ডেস্ক : রামপুরা টেলিভিশন ভবনের পাশে একটি ভাড়া বাসায় একা থাকতেন সংগীতশিল্পী মনি কিশোর। শনিবার (১৯ অক্টোবর) রাতে জানা যায় তার চিরবিদায়ের খবর। পুলিশ কর্মকর্তারা তার মরদেহ উদ্ধার করেন। মারা যাওয়ার পর মরদেহ কী করতে হবে, তা বলে গিয়েছিলেন একমাত্র মেয়ে নিন্তিকে।

রোববার (২০ অক্টোবর) সকালে কয়েক দফায় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেন মনি কিশোরের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা অশোক কুমার মণ্ডলের সঙ্গে। তিনি জানালেন, মনি কিশোর তার পোশাকি নাম। প্রকৃত নাম অরুণ কুমার মণ্ডল।

তিনি আরও জানান, পুলিশ কর্মকর্তা বাবা অনিল কুমার মণ্ডলের ছেলে অরুণ কুমার মণ্ডল ছিলেন কিশোর কুমারের ভক্ত। ডাকনাম ছিল মনি। কিশোর কুমারের ভক্ত ছিলেন বলে নামের সঙ্গে ‘কিশোর’ জুড়ে নিয়েছিলেন। জীবিত থাকা অবস্থায় মনি কিশোর গণমাধ্যমকে মজা করে বলেছিলেন, ‘কুমার শানু নিয়েছেন ‘ওস্তাদের’ নামের একাংশ। আমি নিয়েছি তার নামের আরেক অংশ।’

আরও পড়ুনঃ   বাল্যকালে শ্রদ্ধার প্রেম প্রস্তাব ফিরিয়ে অনুতপ্ত বরুণ

নব্বই দশকের শুরুতে বিয়ে করেন মনি কিশোর। দেড় যুগ আগে তাদের দাম্পত্যজীবনের ইতি ঘটে। বিয়ের সময়ই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন মনি কিশোর। সে হিসেবে তার মরদেহের দাফন করা হবে বলে জানালেন ভাই অশোক কুমার।

তিনি জানালেন, মনি কিশোর বেঁচে থাকা অবস্থায় তার দাফনের বিষয়টি একমাত্র মেয়ে নিন্তিকে জানিয়েছিলেন।

অশোক কুমার বললেন, ‘মেয়ে আমার বড় ভাইকে জানিয়েছে, তার বাবাকে যেন দাফন করা হয়। এটা নাকি ওর বাবা ওকে বলে গিয়েছিল। মেয়েকে যেহেতু বলে গিয়েছে, তাই তার ইচ্ছামতো দাফনের কাজটাই করা হবে। এটা নিয়ে আমরা অন্য কোনো ধরনের সিদ্ধান্তে যাব না।’

নব্বই দশক থেকেই গান গেয়ে শ্রোতার মন মাতিয়েছেন মনি কিশোর। সেই কবে গেয়েছিলেন ‘কী ছিলে আমার, বলো না তুমি’; তা আজও অনেক সংগীতপ্রেমী গেয়ে ওঠেন আপন মনে। সেই গানের স্রষ্টা মনি কিশোর দীর্ঘ সময় ধরে ছিলেন লোকচক্ষুর অন্তরালে। অনেকটা অভিমান থেকে নিজেকে আড়াল করে রেখেছিলেন। শেষ দিকে তো এমনও হয়েছে, কেউ যাতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারে, নিজের ব্যবহৃত পুরোনো মুঠোফোন নম্বর বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ   যৌনতাকে ‘পবিত্র বিষয়’ বললেন তামান্না

মনি কিশোর পাঁচ শতাধিক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। রেডিও-টিভির তালিকাভুক্ত শিল্পী হলেও গান গেয়েছেন অল্প। সিনেমায়ও তেমন গাননি।

পুলিশ কর্মকর্তা বাবার সাত সন্তানের মধ্যে মনি কিশোর চতুর্থ সন্তান। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভাই মারা গেছেন। দেড় যুগ আগে মনি কিশোরের সঙ্গে তার স্ত্রীর বিচ্ছেদ হওয়ার পর থেকে একা থাকতেন।

তার একমাত্র মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী। নড়াইল জেলার লক্ষ্মীপুরে মামাবাড়িতে ১৯৫৮ সালে জন্ম মনি কিশোরের। পুলিশ কর্মকর্তা বাবার চাকরিসূত্রে দেশের বিভিন্ন জেলায় থাকা হয়েছে তার। সূত্র: প্রথম আলো

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের ‘হেলথ হাব’ চালুর করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল করতে বিজিবির প্রশিক্ষণ

জার্নাল ব্যবস্থাপনায় নতুন যুগে পদার্পণ করলো রুয়েট

নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাজশাহীর নতুন এসপির যোগদান

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন : আইনমন্ত্রী

দ্রুতগতিতে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

বঙ্গভবনে নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু

হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, দ্রুত নতুন ভবনের আশ্বাস

১০

রাজশাহী বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে একসময় গৌরবের সর্বোচ্চ শিখরে ছিল : ভূমিমন্ত্রী

১১

রাজশাহী অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের নির্বাচন : সভাপতি তোফায়েল, সাধারণ সম্পাদক রনি

১২

আরএমপির গৌরবময় ইতিহাসকে পুনঃস্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

১৩

রাজশাহী চেম্বারের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

১৪

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

১৫

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের হাতে শপথ নিলেন নতুন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী

১৬

২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল

১৭

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী

১৮

নতুন রাষ্ট্রপতিকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

১৯

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল

২০

Design & Developed by: BD IT HOST