৪ জুন ২০২৪
অনলাইন সংস্করণ

এমপি আনার হত্যা : শিলাস্তির পর তানভীরের দায় স্বীকার

অনলাইন ডেস্ক : কলকাতায় ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারকে খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি তানভীর ভূঁইয়া (৩০)।

মঙ্গলবার (৪ জুন) আসামি তানভীর স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালতে শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক জালাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গতকাল সোমবার একই মামলায় আসামি শিলাস্তি রহমান একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এ মামলায় তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমানসহ তিন আসামির গত ২৪ মে আট দিনের এবং ৩১ মে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মামলার অপর আসামি হলেন—শিমুল ভূঁইয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভূঁইয়া ওরফে আমানুল্যাহ সাঈদ (৫৬)।

আরও পড়ুনঃ   ৩৪ বল খেলতেই অলআউট ভারত

গত ২২ মে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন এমপি আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

মামলার অভিযোগে মুনতারিন ফেরদৌস ডরিন উল্লেখ করেছেন, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের বাসায় আমরা সপরিবারে বসবাস করি। ৯ মে রাত ৮টার দিকে আমার বাবা আনোয়ারুল আজিম আনার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ যাওয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন। ১১ মে বিকাল পৌনে ৫টার দিকে বাবার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বললে বাবার কথাবার্তায় কিছুটা অসংলগ্ন মনে হয়। এরপর বাবার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও বন্ধ পাই।

আরও পড়ুনঃ   আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েও আয় কমেছে বেঙ্গালুরুর

১৩ মে বাবার ভারতীয় নম্বর থেকে উজির মামার হোয়াটস অ্যাপে একটি ক্ষুদে বার্তা আসে। এতে লেখা ছিল, ‘আমি হঠাৎ করে দিল্লি যাচ্ছি, আমার সঙ্গে ভিআইপি রয়েছে। আমি অমিত সাহার কাজে নিউটাউন যাচ্ছি। আমাকে ফোন দেওয়ার দরকার নাই। আমি পরে ফোন দেব।’ এছাড়া আরও কয়েকটি বার্তা আসে। ক্ষুদে বার্তাগুলো আমার বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপহরণকারীরা করে থাকতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন জায়গায় বাবার খোঁজ করতে থাকি। কোনো সন্ধান না পেয়ে তার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস বাদী হয়ে ভারতীয় বারানগর পুলিশ স্টেশনে সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপরও আমরা খোঁজাখুঁজি অব্যাহত রাখি। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে বাবাকে অপহরণ করেছে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কারিগরি প্রশিক্ষণসহ ভাষাশিক্ষা প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিয়েছে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

জাতিসংঘের সিডিপি বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনার সুপারিশ করেছে

জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বাজেট দেওয়া হচ্ছে – অর্থমন্ত্রী

‘দেশি এলিগ্যান্সে’ নুসরাত ফারিয়া

আইপিএল নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ভারতীয় বোর্ডের

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

রাজশাহীতে অস্ত্রের চালান জব্দ, আটক ২

বিদ্যুতের দাম কত বাড়ছে? জানা যাবে বুধবার

আমরা অবৈধ পুশইন ও পুশব্যাকের বিপক্ষে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন, সেবা পেতে ভোগান্তি

১০

গোদাগাড়ীতে এমপি মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে ৪০০ অসহায় মানুষের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

১১

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে রাসিক প্রশাসকের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

১২

নগরীতে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ১৭

১৩

নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

১৪

নিয়ামতপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

১৫

‘সংস্কৃতি ও বন্ধুত্বের বন্ধনে ভারত-বাংলাদেশ’ : যোগ দিবসে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার

১৬

রাজশাহীতে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

১৭

বিশ্বকে এল নিনোর জন্য প্রস্তুত হতে বলল জাতিসংঘ, অবস্থা খারাপের শঙ্কা

১৮

এলপি গ্যাসের দাম কমেছে

১৯

এইচএসসি : সব কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকতে হবে

২০

Design & Developed by: BD IT HOST