৩ জানুয়ারী ২০২৬
অনলাইন সংস্করণ

মাদুরোর আগে সাদ্দামসহ আরও যেসব প্রেসিডেন্টকে আটক করেছিল যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক : ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ অন্যান্য জায়গায় ব্যাপক হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তার এ আটকের খবরে বিষ্মিত হয়েছে বিশ্ব।

তবে যুক্তরাষ্ট্র এবারই প্রথম কোনো দায়িত্বরত প্রেসিডেন্টকে আটক করেনি। এর আগেও তারা এ কাজ করেছে।

পানামায় হামলা
১৯৮৯ সালে লাতিন আমেরিকার দেশ পানামায় হামলা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ম্যানুয়েল নোরিগাকে আটক করে তারা।

পানামায় থাকা মার্কিনিদের নিরাপত্তার অজুহাতে দেশটিতে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। পানামায় হামলার আগে ১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র মিয়ামির একটি আদালতে ম্যানুয়েল নোরিগাকে মাদক চোরাচালানে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। যেমনটি করা হয়েছে ভেনেজুয়েলার মাদুরোকে।

ম্যানুয়েল নোরিগা পানামার ক্ষমতায় আসেন ১৯৮৫ সালে। সেনাবাহিনীর এ কর্মকর্তা প্রেসিডেন্ট আরদিতো বারলেত্তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেন। তিনি ১৯৮৯ সালের নির্বাচন বাতিল করেন এবং পানামায় যুক্তরাষ্ট্র বিরোধী যে মনোভাব ছিল সেটিকে সমর্থন জানান। এরপর তাকে আটক করতে পানামায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

আরও পড়ুনঃ   অবশেষে সামনে আসছেন পপি

পানামার প্রেসিডেন্টকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ২০১০ সাল পর্যন্ত কারাগারে বন্দি ছিলেন তিনি। এরপর আরেকটি মামলায় বিচারের মুখোমুখি করতে তাকে ফ্রান্সে পাঠানো হয়। কিন্তু এক বছর পর ফ্রান্স তাকে পানামায় ফেরত পাঠায়। ২০১৭ সালে পানামার কারাগারে তার মৃত্যু হয়।

ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ২০০৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর আটক করে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা। এর ৯ মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে হামলা চালায়। ইরাকের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র আছে এমন অজুহাতে দেশটিতে সেনা পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র।

আরও পড়ুনঃ   বিজেপির হয়ে হেরে এবার মমতার দল থেকে ভোটে দাঁড়াবেন শ্রাবন্তী!

পানামার প্রেসিডেন্টের মতো সাদ্দাম হোসেনও এক সময় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ছিলেন। বিশেষ করে ১৯৮০ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়। ওই যুদ্ধে প্রায় ১০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

কোনো প্রমাণ ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র এক সময় দাবি করতে থাকে সাদ্দাম হোসেনের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র আছে। এছাড়া আল-কায়েদাকে তিনি সহায়তা করেন এমন অভিযোগও তোলে তারা। এক্ষেত্রেও ছিল না কোনো প্রমাণ।

সাদ্দাম হোসেনকে ইরাকের তিকরিত শহরের একটি গুহা থেকে আটক করে মার্কিন সেনারা।

তাকে ইরাকের একটি আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা হয় এবং মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ফাঁসিতে ঝোলানো হয়।

সূত্র: আলজাজিরা

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন

১

ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রয়োজনে স্বাস্থ্য বাজেটের সিংহভাগ ব্যয় করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২

দেশ ও জাতির কল্যাণে ইমামদের ভূমিকা রাখতে হবে : এমপি মিলন

৩

নগরীতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ কমিশনার

৪

চুন-রঙ-ফিটকিরিতে তৈরি হচ্ছিল ‘গুড়’, ম্যাজিস্ট্রেট আসছে শুনে পালাল কর্মচারীরা

৫

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাসিক প্রশাসকের বাণী

৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের বাণী

৭

তৃণমূলে স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৮

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

৯

ভূমিসেবায় শতভাগ স্বচ্ছতা আনার নির্দেশনা দিলেন ভূমিমন্ত্রী

১০

রাজশাহী সফরে আখচাষিদের জন্য নতুন বার্তা আনবেন প্রধানমন্ত্রী : সংসদ সদস্য মিলন

১১

নারীসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, মাদকদ্রব্য উদ্ধার

১২

নগরীতে মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৩ জন

১৩

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গোদাগাড়ীর ৪২টি মণ্ডপে উদযাপিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব

১৪

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় সবাইকে সচেতনভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

১৫

নগরীতে শিশু ধর্ষণ মামলায় ১ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

১৬

নগরীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, গাঁজা উদ্ধার ও নগদ অর্থ জব্দ

১৭

জেন্ডার, বৈচিত্র্য ও মানবাধিকার বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

১৮

রাজশাহীর কমিউনিটি ক্লিনিক,তালা-জীর্ণতাসহ নানা সংকটে আটকে গ্রামীণ চিকিৎসাসেবা

১৯

প্রধানমন্ত্রীর সফরে রাজশাহীর উন্নয়ন আরও গতি পাবে : রাসিক প্রশাসক

২০

Design & Developed by: BD IT HOST