১ মে ২০২৪
অনলাইন সংস্করণ

খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনলাইন ডেস্ক : ৯৬ সালে বিরোধী দলে থাকাকালে আমি শ্রমিকদের দেখেছি, তাদের মজুরি ছিল মাত্র ৮০০ টাকা। তখন সরকারে এসে আমরা মজুরি বাড়িয়েছিলাম। যতবার সরকারে এসেছি ততবারই মজুরি বৃদ্ধি করেছি। শ্রমিকদের আরো উপযুক্ত করে গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য বলেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১ মে) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মে দিবস উপলক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বাধীনতার পর মে দিবসকে প্রথমে শ্রমিক সংহতি দিবস হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন। রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতিও দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, মা যেমন একটা রুগ্ন সন্তানকে বুকে নিয়ে লালন-পালন করে গড়ে তোলেন, ঠিক সেভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বাধীনতার পর শূন্য হাতে একটা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব হাতে নিয়ে সব কলকারখানা জাতীয়করণ করেন। শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেন। তাদের কর্মসংস্থান যাতে ঠিক থাকে সে পদক্ষেপটাই তিনি হাতে নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ   বাগমারায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য মজুরি কমিশন গঠনের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, মে দিবসের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু। এদেশে মানুষের মধ্যে যে বৈষম্য সে বৈষম্য তিনি দূর করতে চেয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করাই আওয়ামী লীগের একমাত্র লক্ষ্য। আমরা সব সময় সেই পদক্ষেপ নিই। জাতির পিতা যখন দেশটাকে গড়ে তুলেছেন, তখন যে সব মালিক বাংলাদেশে ছিল শিল্প কলকারখানা মালিক তারা হবেন। আর যেগুলো মালিকানাবিহীন সেগুলো সরকার চালাবে। সে ব্যবস্থাও তিনি করেছিলেন, সরকারি খাতকেও গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, মাত্র নয় মাসের তিনি আমাদের একটি সংবিধান দেন। সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদে আমাদের অর্থনৈতিক নীতিমালা কী? সেটা কিন্তু স্পষ্ট বলা আছে। সেখানে যেমন সরকারি প্রতিষ্ঠার থাকবে, সমবায় হবে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকবে। অর্থনীতিকে বহুমুখী করে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, মানুষের জীবনমান উন্নত করার এটাই ছিল জাতির পিতা লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ করেছেন।

আরও পড়ুনঃ   ফ্রান্স দলে এমবাপে, প্রথমবার ডাক পেলেন ‘বিস্ময়বালক’ দুয়ে

সরকারপ্রধান বলেন, ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। আমরা সরকার গঠন করে আমাদের প্রধান কাজ হলো মানুষের কল্যাণ করা। সেই প্রচেষ্টাই আমরা হাতে নিয়েছিলাম। আমরা আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। ২০০৮ নির্বাচনের ইশতেহারে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মো. মাহবুব হোসেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এম ইব্রাহীম, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সভাপতি আরদাশীর কবির, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর কুতুব আলম মান্নান।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই থাকবে : ভূমিমন্ত্রী মিনু

রাজশাহীতে পুলিশ–ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

রাজশাহীর বাঘা সীমান্তে ভারতীয় মদ ও স্কাফ সিরাপ জব্দ

তানোরে তুলার গুদামে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে

নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

আগুনে পুড়ে মারা গেল তরুণের একমাত্র সম্বল দুই গরু

বাগমারায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

আলাউদ্দিন হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ

অটোরিকশা-ভুটভুটির মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩ জনের

রাজশাহীতে ট্রাকের ধাক্কায় তরুণ নিহত

১০

ঐতিহ্য বহনকারী রাজশাহীর সাধারণ গ্রন্থাগারের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন

১১

তানোর প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

১২

প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন ৩৭৫৬৭ নারী : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

১৩

অটোরিকশা-ভুটভুটির মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩ জনের

১৪

হাদি-হত্যা : ভারতে ফয়সাল গ্রেফতার,ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু

১৫

সৌদিতে ইরানের মিসাইল হামলায় বাংলাদেশিসহ দুজন নিহত

১৬

যার সম্মান বেশি তাকেই আমরা অসম্মানিত করতে চাই : রাজশাহী জেলা প্রশাসক

১৭

রাজশাহীতে সেমাই উৎপাদনকারী দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১৮

প্রত্যন্ত এলাকায় ছাত্রদের নিয়ে বিএলভির সুপার কম্পিটিশন, কুরআন উপহার

১৯

বাগমারায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

২০

Design & Developed by: BD IT HOST