৫ মার্চ ২০২৫
অনলাইন সংস্করণ

ইসরায়েলের পার্লামেন্টে ধস্তাধস্তি 

অনলাইন ডেস্ক : ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে রক্ষীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়েছে ৭ অক্টোবরে হামলার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যদের। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২ জন।

ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়াইর লাপিদসহ কয়েকজন বিরোধী এমপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধস্তাধস্তির এই ভিডিও শেয়ার করেছেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের যোদ্ধাদের হামলায় যারা নিহত-আহত এবং অপহৃত হয়েছিলেন, তাদের পরিবারের সদস্যদের এক ছাতার নিচে নিয়ে এসেছে অক্টোবর কাউন্সিল নামের একটি এনজিও। এই এনজিওতে নথিভুক্ত পরিবারের সংখ্যা ১ হাজার ৫০০টি।

সোমবার নেসেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। আগে সে সময় অধিবেশনে উপস্থিত থাকার অনুমতি চেয়ে স্পিকার আমির ওহানা বরাবর চিঠি দিয়েছিল অক্টোবর কাউন্সিল।

সেই অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে অক্টোবর কাউন্সিলের বেশ কয়েকজন সদস্য নেসেট ভবনে হাজির হয়ে অধিবেশনে প্রবেশ করতে চান। এ সময় রক্ষীরা তাদের বাধা দিলে তাদের বাদানুবাদ শুরু হয় অক্টোবর কাউন্সিলের সদস্যদের। অল্প সময়ের ব্যবধানে সেই বাদানুবাদ পরিণত হয় ধস্তাধস্তিতে।

আরও পড়ুনঃ   হোয়াইট হাউস ও নেতানিয়াহু’র মধ্যে নতুন উত্তেজনা

ধস্তাধস্তি এবং তার জেরে দু’জন আহত হওয়ার পর নেসেটের সিড়িতে অবস্থান নেন অক্টোবর কাউন্সিলের সদস্যরা। এ সময় তারা ক্যাডিশ (ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের সকাল বেলার প্রার্থনা) আবৃত্তি করতে থাকেন এবং নিহত ও জিম্মিদের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন।

কিছু সময় এই পরিস্থিতি চলার পর নেসেট অধিবেশনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় অক্টোবর কাউন্সিলের সদস্যদের। অনুমতি পাওয়ার পর তারা প্রবেশ করেন এবং নেতানিয়াহুর বক্তব্যের সময় তারা তারা নেতানিয়াহুকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে দাঁড়ান সেই সঙ্গে নিহত ও জিম্মিদের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ডও তুলে ধরেন তারা।

আরও পড়ুনঃ   সিঙ্গাপুরে হোটেলে যৌনকর্মীদের অর্থ-স্বর্ণালঙ্কার লুট করলেন দুই ভারতীয়

অধিবেশন শেষ হওয়ার পর বিদায় নেন অক্টোবর কাউন্সিলের সদস্যরা।

২০২৩ সালের অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় হামাসের যোদ্ধারা। ইসরায়েলের ইতিহাসে এর আগে এত বড় ও ভয়াবহ হামলা ঘটেনি।

হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের উদ্ধারে সেদিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। ১৫ মাস ধরে চলা সেই নির্মম অভিযানে গাজায় নিহত হয়েছেন ৪৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন লক্ষাধিক।

কিন্তু এমন অভিযান চালিয়েও এখন পর্যন্ত সব জিম্মিকে উদ্ধার করতে পারেনি নেতানিয়াহুর সরকার। সে কারণে ইসরায়েলে ব্যাপক সমালোচনাও অবশ্য হচ্ছে নেতানিয়াহুর। জিম্মিদের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, নেতানিয়াহু জিম্মিদের উদ্ধারের পরিবর্তে সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে বেশি আগ্রহী।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গুনে গুনে ঘুষ নিচ্ছিলেন ভূমি কর্মকর্তা, ভিডিও ভাইরালের পর বরখাস্ত

নগরীতে ২০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২

সোমবার থেকে ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু

সাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতি গড়তে উচ্চপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার

২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯৯০ সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত

চাকরির পাশাপাশি কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চায় সরকার

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিশ্চিতের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর

১০

রাজপাড়া থানা জামায়াতের উদ্যোগে ‘৩৬ জুলাই স্মরণে’ সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

১১

দলীয় রাজনীতি ও সাংবাদিকতা: স্বার্থের সংঘাতে বিশ্বাসযোগ্যতার সংকট

১২

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী

১৩

শুধু গাছ লাগালেই হবে না, বেড়ে ওঠা পর্যন্ত যত্ন নিতে হবে : ভূমিমন্ত্রী

১৪

মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই : প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে কঠোর আইন

১৫

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হলে আলোচনা নয়, সিজেপির কড়া হুঁশিয়ারি

১৬

পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও মানবপ্রেমই প্রকৃত ধর্মচর্চার শিক্ষা : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

১৭

সরকার জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

১৮

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় স্পিকারকে ফুলেল শুভেচ্ছা

১৯

সরকার স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করেছে : ভূমিমন্ত্রী

২০

Design & Developed by: BD IT HOST