পুঠিয়া প্রতিনিধি : রাজশাহীর পুঠিয়ায় প্রতিমা শিল্পীরা প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার উপজেলায় ৪৬টি পূজা মণ্ডপে পূজা উদযাপিত হবে। তবে গত বছরের চেয়ে এবার ১০টি পূজা কম হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিমা শিল্পীরা পুরোদমে প্রতিমা তৈরির কাজ করে যাচ্ছে। এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে বলে জানান থানার ওসি।
পুরোহিত রতন চক্রবর্তি জানান, দূর্গা দেবীর আগমন ঘটবে দোলায় আর গমন করবেন ঘটকে। ২২ আশ্বিন (৯ অক্টোবর) মহাষষ্টি, ২৩ আশ্বিন (১০ অক্টোবর) সপ্তমী, ২৪ আশ্বিন (১১ অক্টোবর) মহাঅষ্টমী, ২৫ আশ্বিন (১২ অক্টোবর) নবমী ও দশমী অনুষ্ঠিত হবে।
জানা গেছে, রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ৫ টি ইউনিয়নে ৪৬ টি পূজা মণ্ডপে পূজা উদযাপনের আয়োজন করেছে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন। পুঠিয়া পৌরসভায় শ্রী শ্রী গবিন্দবাড়ী মন্দির, পুঠিয়া পাঁচআনী বাজার মন্দির, পুঠিয়া ঘোষপাড়া মন্দির, কৃষ্ণপুর মধ্যপাড়া, কৃষ্ণপুর বড়ু শিবতলা মন্দির, হলদারপাড়া মহামায়া মন্দির, কৃষ্ণপুর নবদ্বীপ সংঘ, গোপালহাটি অন্নপূর্ণ সংঘ, কাঁঠালবাড়িয়া শিববাড়ি মন্দির, কাঁঠালবাড়িয়া পূর্বপাড়া মন্দির, কাঁঠালবাড়িয়া স্বর্গীয় সুধীর লাহিরী মন্দির, ঝলমলিয়া ঋষিপাড়া মন্দির, ঝলমলিয়া পালপাড়া মন্দির। পুঠিয়া ইউনিয়নের হরবাগ যোগমায়া মন্দির।
শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের পচামাড়িয়া মন্দির, নান্দিপাড়া মন্দির, ছাতারপাড়া মন্দির, ছাতারপাড়া বৈষ্ণবপাড়া মন্দির, লেপপাড়া মন্দির, মঙ্গলপাড়া কালিবাড়ী মন্দির, শক্তিপাড়া মন্দির, রাতোয়াল মন্দির, বড়বড়িয়া মন্দির, সাতবাড়িয়া বৈষ্ণবপাড়া মন্দির, সাতবাড়িয়া ঘোষপাড়া মন্দির, সাতবাড়িয়া ঠাকুরপাড়া মন্দির, তেতুলিয়া নগরপাড়া মন্দির, জগদিসপুর মন্দির, শ্রীরামপুর মন্দির, বদোপাড়া পূর্বপাড়া মন্দির, বদোপাড়া দত্তবাড়ী মন্দির, যশোপাড়া হরিতলা মন্দির। জিউপাড়া ইউনিয়নের দাসমাড়িয়া মন্দির, ধোপাপাড়া উত্তরপাড়া মন্দির, ধোপাপাড়া দক্ষিণপাড়া মন্দির, বারপাকিয়া কালিবাড়ি মন্দির, মধুখালী ঠাকুরপাড়া মন্দির, ম্যাচপাড়া মন্দির, ঝলমলিয়া ঘোষপাড়া মন্দির, দাসমাড়িয়া পশ্চিমপাড়া মন্দির। ভালুকগাছী ইউনিয়নের নওপাড়া মন্দির, পশ্চিমভাগ মন্দির।
বানেশ্বর ইউনিয়নের বানেশ্বর বাজার মন্দির, নামাজগ্রাম পালপাড়া মন্দির, দীঘলকান্দি মনসা মন্দিরে পূজার আয়োজন করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের পুঠিয়া শাখার সভাপতি স্বপন কুমার নিয়োগী জানান, আমরা প্রতিটি পূজা মন্দিরের কমিটিকে বলেছি, প্রতিমার রং করা পর্যন্ত নিজ নিজ এলাকার সেচ্ছা সেবক কমিটি করে পাহারা দিতে। আমরা বার বার তাদের সচেতন থাকার জন্য অনুরোধ করেছি। তারা সেই মোতাবেক কাজ করছে।
এ ব্যাপারে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ কবীর হোসেন জানান, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। আমরা সার্বক্ষণিক তদারকি করছি। প্রতিমা তৈরির এলাকায় সেচ্চ সেবক কমিটি আছে তাদের কে সার্বক্ষণিক দেখাশুনা করার জন্য বলেছি। বর্তমানের কোথাও কোন অপ্রতিকার ঘটনা ঘটেনি এরজন্য আমরা ততপর রয়েছি।
Comment
Design & Developed by: BD IT HOST