২৯ জানুয়ারী ২০২৫
অনলাইন সংস্করণ

বাগমারার উন্নয়নে নেই পর্যপ্ত বরাদ্দ, কমেছে কাজের গতি

হেলাল উদ্দীন, বাগমারা : রাজশাহীর সবচেয়ে বড় উপজেলা হচ্ছে বাগমারা। বড় উপজেলা হলেও নেই তেমন উন্নয়ন। চাহিদার তুলনায় উন্নয়ন হয়েছে কম। তবে যেটুকু উন্নয়ন দৃশ্যমান তা বিগত সরকারের সময়ে হয়েছে। সরকার পদত্যাগ করার সাথে সাথে থেমে যাওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে উন্নয়নের চাকায়। বিগত সময়ে উন্নয়ন কাজে যে পরিমান বরাদ্দ এসেছে তা কেবলই অতীত। গত বছরেও উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে রাস্তা-ঘাট সহ অন্যান্য উন্নয়নে কাজ হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি টাকার। উপজেলা সদরের সঙ্গে প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকলেও নেই প্রত্যন্ত এলাকার সাথে ইউনিয়নের।

উপজেলা জুড়ে বর্তমানে কাজ হচ্ছে মাত্র ১০ কোটি টাকার। চাহিদার তুলনায় এমনিতেই বরাদ্দ কম তার উপরে নামমাত্র বরাদ্দ। সে কারণে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে মন্থর গতি। এখন নামেই চলছে উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর। উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নে যে সকল প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ হয়ে থাকে সেখানে নেই পর্যাপ্ত আর্থিক বরাদ্দ। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাগমারায় প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার পাকা রাস্তা চাহিদা। সেখানে রয়েছে মাত্র সাড়ে ৩০০ কিলোমিটার পাকা রাস্তা। সে হিসেবে এখনো অনেক উন্নয়ন পড়ে আছে। উপজেলা জুড়ে উন্নয়নের সিংহভাগ কাজ গত ১৫ বছরে সংগঠিত হয়েছে। এখন নির্বাচিত সরকার না থাকায় উন্নয়নে নেই চাহিদা মতো বরাদ্দ। সেই সাথে বরাদ্দ কম হওয়ায় চলমান কাজেও এসছে স্থবিরতা। অর্থ সংকটে নতুন করে উন্নয়ন শুরু করতে পারছেনা উপজেলা প্রকৌলশীর দপ্তর।

আরও পড়ুনঃ   হজের প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ৪১৯ জন

উপজেলার উন্নয়নের মধ্যে রাস্তা-ঘাট, বাজারের উন্নয়ন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন সহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ব্রীজ, মসজিদ, মাদ্রাসার উন্নয়ন প্রভুত কাজ হয়ে থাকে এলজিইডির মাধ্যমে। বাগমারায় প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষাধিক লোকের বসবাস। ১৬টি ইউনিয়ন আর ২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিক বাগমারা উপজেলা। উপজেলা প্রত্যন্ত এলাকায় এখানো লাগেনি তেমন আধুনিকতার ছোঁয়া। উন্নয়ন কর্মংযজ্ঞ কমে যাওয়ায় এর সাথে জড়িত ঠিকদার সহ লেবাররা পড়েছেন বিপাকে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে হাজারো শ্রমজীবী মানুষ। কাজ কমে যাওয়ায় কোটি কোটি টাকায় কেনা যন্ত্রাংশ পড়ে রয়েছে ঠিকাদারদের।

আরও পড়ুনঃ   জাতীয় সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট পেশ, ক্রীড়াঙ্গন সংস্কারে ধীরগতি

আব্দুল জব্বার নামের এক ঠিকাদার বলেন, সারাবছর ধরে কাজ করতাম। সেই কাজ এখন নেই বললেই চলে। ঠিকাদারী কাজে অনেক লোকজনের প্রয়োজন পড়ে। কাজের চাপ না থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে লোকজন।

এ ব্যাপরে উপজেলা প্রকৌশলী খলিলুর রহমান বলেন, বিগত সময়ে অনেক বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বর্তমানে অনেক কম বরাদ্দ পাওয়ায় চাহিদার তুলনায় অনেক কমে গেছে। চলমান অনেক প্রকল্পের কাজ বন্ধ আছে। প্রতিটি কাজেই মন্থর গতি। যে টুকু বরাদ্দ পাওয়া যায় তা দিয়ে সামান্য কাজ হচ্ছে। খুব শীঘ্রই এই অবস্থা কেটে যাবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সরকার স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করেছে : ভূমিমন্ত্রী

সন্তানদের হাতে প্রয়োজন ছাড়া স্মার্টফোন না দিয়ে বই পড়া ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে : বিভাগীয় কমিশনার

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার

অপরাধ দমনে সমন্বয় জোরদারের আহ্বান আরএমপি কমিশনারের

পুঠিয়ায় তিন ফসলি জমি পুকুর খননের হিড়িক, অভিযানে ৪ এস্কেভেটর অকেজো

নগরীতে ওয়ার্ড পর্যায়ে ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ কার্যক্রম অব্যাহত

রাসিক প্রশাসকের সাথে রুয়েট শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ

নগরীতে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদন্ড

রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কমান্ড্যান্টের সাক্ষাৎ

রাজশাহীতে অনুমোদনহীন দই-মিষ্টি বিক্রেতাকে জরিমানা

১০

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের উপ-বিদ্যালয় পরিদর্শক মো. ফরিদ হাসানের মৃত্যুতে শোকসভা অনুষ্ঠিত

১১

বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন

১২

রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে রাজশাহী ওয়াসার এমডির সাক্ষাৎ

১৩

রাজশাহীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানের দ্বিতীয় দিনে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ গ্রেফতার ১৬

১৪

থাই বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

১৫

সীমান্তে নৌকাসহ বিপুল পরিমান ভারতীয় সিরাপ জব্দ

১৬

সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী

১৭

ভূমিমন্ত্রী দুই দিনের সফরে রাজশাহী আসবেন শুক্রবার

১৮

প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৯

নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালতে ১৩ ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

২০

Design & Developed by: BD IT HOST