
অনলাইন ডেস্ক :জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘যেহেতু দাবি উঠেছে, এস আলম গ্রুপের লক্ষ-কোটি টাকা পাচার করার অভিযোগ তোলা হয়েছে, আমরা দাবি করছি—সমস্ত অর্থ পাচারের তদন্ত করা হোক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নেতৃত্বে করা হোক। যারা বাংলাদেশের টাকা, মানুষের টাকা পাচার করেছে বিদেশে, সকলের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হোক।’
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেছেন—শেয়ারগুলো ডাকাতি করে কিনে নেওয়া হয়েছে। ইবনে সিনার ২ শতাংশ শেয়ার ছিল ব্লক মার্কেটে, তিন গুণ দামে তারা শেয়ার বিক্রি করেছে। এ ছাড়া বর্তমান শেয়ারহোল্ডিং স্ট্যাটাস অনুসারে এখানে ৮১ শতাংশ বোধ হয় একটা গ্রুপের।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের শেয়ারগুলো বৈধ প্রকৃত মালিকদের কাছে প্রত্যর্পণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা নোটিশে বলা হয়েছে—উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সেই বৈধ এবং প্রকৃত শেয়ারহোল্ডারদের কাছে এই মালিকানা ফেরত দেওয়ার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এখন কারা কত পারসেন্ট শেয়ারের মালিক, সেদিনও বক্তৃতায় বলেছিলাম, সেটা প্রকাশ করা হোক। মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে অনুরোধ করে জাতির সামনে প্রকাশ করা হোক।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শেয়ারহোল্ডাররা কীভাবে শেয়ার খরিদ করেছেন, সেটা আলাদা বিতর্ক। সেটা দুদকের তদন্ত হতে পারে, মামলা হতে পারে।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, ইসলামী ব্যাংকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান দায়িত্ব নিলে এবং এই চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব পালন করতে না দিলে কী হবে, আইনে বলা আছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনস্বার্থে মুদ্রা নীতি ও ব্যাংক নীতির উন্নতির বিধানের জন্য কোনো ব্যাংক কোম্পানির আমানত স্বার্থের পরিপন্থী এবং ব্যাংক কোম্পানির স্বার্থের পক্ষে ক্ষতিকর কার্যকলাপ প্রতিরোধ করার জন্য যেকোনো রকমের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংক দেওয়ার এখতিয়ার রাখে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কোম্পানিগুলো নির্দেশ পালনে বাধ্য থাকে।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST