
স্টাফ রিপোর্টার : পবিত্র ঈদুল আজহার টানা সাত দিনের ছুটি শেষে খুলেছে সরকারি অফিস। তবে প্রথম কর্মদিবসে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পুরোপুরি কর্মচাঞ্চল্য ফেরেনি। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অনেক কক্ষেই কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি ছিল হাতে গোনা।
দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে কর্মজীবী মানুষরা নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরছেন।
ইতোমধ্যে রাজধানীমুখী মানুষের চাপ বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সড়ক, রেল ও নৌপথে ঢাকায় ফিরেছেন চাকরিজীবী ও কর্মজীবী মানুষ।
রোববারও অনেককে রাজধানীতে ফিরতে দেখা গেছে। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহনের চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে।
ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে অফিসপাড়ায় স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্য কিছুটা কম। অনেকেই এদিন সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময়ে সময় কাটাবেন।
গত ২৮ মে দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়। ঈদ উপলক্ষে সরকার আগে থেকেই ছয় দিনের ছুটি ঘোষণা করেছিল। পরে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নির্বাহী আদেশে আরও একদিন ছুটি বাড়ানো হয়।
ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটি কার্যকর হয়। একই ছুটি ভোগ করেন ব্যাংক, বিমা ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও।
তবে অতিরিক্ত ছুটির সমন্বয়ে চাকরিজীবীরা ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও অফিস করেছেন।
ছুটির আওতার বাইরে ছিলেন যারা:
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর পরিচালনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা, ডাক বিভাগ ও এ সব খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির আওতার বাইরে ছিলেন।
এ ছাড়া হাসপাতাল ও অন্যান্য জরুরি সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী কর্মী এবং জরুরি দায়িত্ব পালনকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও ছুটির সুবিধা পাননি।
মন্তব্য করুন
Design & Developed by: BD IT HOST