৬ এপ্রিল ২০২৪
অনলাইন সংস্করণ

শবে কদরে যে আমল অবশ্যই করবেন

অনলাইন ডেস্ক : হাজার মাসের ইবাদতের থেকে উত্তম শবে কদর বা লাইলাতুল কদর। এ রাতে ইবাদতের সৌভাগ্য লাভ হলে আল্লাহ তায়ালা অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াাসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমান ও বিশ্বাসের সাথে এবং সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখে, শবে কদরের রাত্রে দাঁড়ায়, তার আগেকার সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। (বুখারি)।

এ রাতটি রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে খুঁজতে বলা হয়েছে হাদিসে। আয়েশা রা. বলেন, নবীজি বলেছেন, তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতে লাইলাতুল কদরের সন্ধান কর। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২০১৭, সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৬৯)

ঝগড়া বিবাদ থেকে বিরত থাকা
কদরের রাতটিকে হাদিসে নির্দিষ্ট করা হয়নি। এ রাতটি সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল সা. সাহাবিদের জানাতে গিয়েছিলেন, কিন্তু দুই ব্যক্তির ঝগড়ার কারণে তা গোপন রাখা হয়। এ বিষয়ে হজরত উবাদা ইবনে সামিত রা. থেকে বর্ণিত যে—

আরও পড়ুনঃ   রাবিতে ন্যাশনাল ট্যালেন্ট ফেস্টে সৃজনশীলতা তুলে ধরলেন শিক্ষার্থীরা

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘লাইলাতুল কদর’ এর ব্যাপারে জানাতে বের হলেন। এ সময় দু্ইজন মুসলমান ঝগড়া করছিলেন। তখন নবী কারিম সা. বললেন, ‘আমি আপনাদের ‘লাইলাতুল কদর’ এর ব্যাপারে অবহিত করতে বের হয়েছিলাম। কিন্তু অমুক অমুক ব্যক্তি বিবাদে লিপ্ত হওয়ায় তা (সেই জ্ঞান) উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। আশা করি, উঠিয়ে নেওয়াটা আপনাদের জন্য বেশি ভালো হয়েছে। আপনারা সপ্তম (২৭ তম), নবম (২৯ তম) এবং পঞ্চম (২৫ তম) তারিখে এর সন্ধান করুন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৯)

এজন্য কদরের রাতে ঝগড়া বিবাদ থেকে বিরত থাকতে হবে। যেহেতু কদরের রাতটি নির্দিষ্ট নয়, তাই রমজানের শেষ দশকের পুরোটা সময় বিশেষ করে বেজোড় রাতগুলোতে ঝগড়া-বিবাদ থেকে বিরত থাকা উচিত। বলা যায় না, কোনো একটি রাত হয়তো কদরের হলো কিন্তু কেউ বিবাদে লিপ্ত থাকার কারণে তা থেকে বঞ্চিত হলেন।

আরও পড়ুনঃ   প্রধানমন্ত্রী জাতিকে সকল দিক থেকে এগিয়ে নেওয়ার জন্যই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে : ভূমিমন্ত্রী মিনু

এশা ও ফজর নামাজ জামাতে আদায়
কদরের রাতের ফজিলত ও বরকত লাভের জন্য মোটামুটি সবাই রাতভর নফল নামাজ ও অন্যান্য ইবাদত করে থাকেন। কিন্তু এক্ষেত্রে অনেকে যে ভুলটি করেন তাহলো জামাতে নামাজে গুরুত্ব দেন না। অথচ নফল ইবাদতের থেকেও ফরজের গুরুত্ব বেশি।

এজন্য সম্ভাব্য শবে কদরে অন্তত এশা ও ফজরের নামাজ জামাতে আদায়ের চেষ্টা করতে হবে। কোনোভাবে যেন জামাতের নামাজ ছুটে না যায় এ বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

তাহলে হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী শবে কদরের ফজিলত লাভ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি এশা ও ফজর জামাতের সঙ্গে পড়ে, সে যেন সারা রাত দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ে।’ (মুসলিম, হাদিস : ৬৫৬)

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সাড়ে ৭টায়, অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

বাঘার চরাঞ্চলে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের সিদ্ধান্তে জনমনে স্বস্তি

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

নগরীতে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৩

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমান ট্যাপেনটাডলসহ গ্রেফতার ১

গাজায় হামাসের সশস্ত্র শাখার নতুন প্রধান নিহত: দাবি ইসরাইলের

রাজশাহীতে ২ মণ গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ইরান ও লেবাননে নতুন হামলা, হুমকিতে যুদ্ধবিরতি

পবিত্র ঈদুল আজহা কাল

১০

দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

১১

ট্রাক উল্টে নিহত ছয় জনের নওগাঁয় দাফন সম্পন্ন

১২

সন্ত্রাস,মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

ঈদে রাজশাহীর নিরাপত্তায় সতর্ক র‌্যাব

১৪

মামী-ভাগিনার পরকীয়া দেখে ফেলায় দেবরকে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

১৫

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়ক ও টোল প্লাজায় বিজিবি মোতায়েন

১৬

রেকর্ডভাঙা তাপে পুড়ছে ফ্রান্স, পর্তুগাল, স্পেন ও যুক্তরাজ্য

১৭

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে ১০ শিশুর মৃত্যু

১৮

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে গাড়ি চলাচল ৫৩ হাজার, টোল আদায় পৌনে ৪ কোটি

১৯

৬ থেকে ৮ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হবে : রাসিক প্রশাসক

২০

Design & Developed by: BD IT HOST