নগরীতে মহাষ্টমীতে কুমারী পূজা

265

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী নগরীতে দেবীর মহাষ্টমী কল্পারম্ভ ও মহাষ্টমীবিহিত পূজা শুরু হয়। তবে মহাষ্টমীর প্রধান আকর্ষণ কুমারী পূজা। একমাত্র নগরীর সাগরপাড়ায় অবস্থিত ত্রিনয়নী পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত হয়েছে কুমারীপূজা। এবার কুমারপূজায় দেবীর আসনে বসে ১০ বছরের ঐন্দ্রিলা সরকার। সে নগরীর শহীদ নজমুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। বেলা ১১টায় দেবির আসনে বসলেও পূজা অনুষ্ঠিত হয় দুপুর ১২টায়। পূজা করান পুরোহিত দেবব্রত চক্রবর্তী। ১৫ বছর ধরে এই মণ্ডপে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মা দুর্গার বোধনের মধ্য দিয়ে গত সোমবার শুরু হয় বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় শারদীয় দুর্গোৎসব। শারদীয় দুর্গোৎসবের গতকাল ছিল মহাঅষ্টমী। মহাষ্টমী পূজার মূল আকর্ষণ কুমারী পূজা। গতকাল বুধবার সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে দেবীর মহাষ্টমী কল্পারম্ভ ও মহাষ্টমীবিহিত পূজা শুরু হয়। এরপর পুষ্পাঞ্জলি ও প্রসাদ বিতরণ শেষে বেলা ১২টা ৩১ মিনিট থেকে ১টা ১৯ মিনিটের মধ্যে সল্পিব্দ পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৬ মিনিটের মধ্যে সন্ধিপূজা সমাপন। মহাঅষ্টমীর মূল আকর্ষণ কুমারী পূজা রাজশাহী নগরীর ত্রিনয়নী পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কুমারী পূজার জন্য মাতৃভাবের পবিত্রতার প্রতীক অল্পবয়সী একটি মেয়েকে কুমারী হিসেবে মনোনীত করা হয়। তাকেই দেবী দুর্গার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মাতৃরূপে ফুল, চন্দন, বেলপাতা, তুলশী পাতা দিয়ে তারই পূজা করা হয়। তবে প্রথা ও নিরাপত্তার কারণে মেয়েটির নাম ও পরিচয় পূজা শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রকাশ করা হয় না বলে রামকৃষ্ণ মিশন সূত্রে জানা গেছে। দুর্গোৎবের মূল পর্ব শুরু হয় সপ্তমীতে।
গত মঙ্গলবার চলে দেবী-দর্শন, দেবীর পায়ে ভক্তদের অঞ্জলি প্রদান ও প্রসাদ গ্রহণ। মহাসপ্তমীতে ষোলটি উপাদানে দেবীর পূজা চলে। দেবীকে আসন, বস্ত্র, নৈবেদ্য, পুষ্পমাল্য, চন্দন, ধূপ ও দীপ দিয়ে পূজা করেন তার ভক্তরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে নবমী পূজা। পরদিন শুক্রবার সকাল ৭টায় পূজা সমাপন ও দর্পণ বিসর্জন হবে সকাল ৮টায়। পরে প্রতিমা বিসর্জন ও শান্তিজল গ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনব্যাপী সার্বজনীন এ উৎসবের।

SHARE