যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

254

স্টাফ রিপোর্টার: স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার শপথ গ্রহণের মধ্যদিয়ে রাজশাহী মহানগরীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় গত মঙ্গলবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। শপথ বাক্য পাঠ করেন বিভিন্ন সরকারি- বেসরকারি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এমনকি স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিভিন্ন নারী-পুরুষের মুখমন্ডলেও ছিলো সেই দৃঢ়তার ছাপ। মঙ্গলবার স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহর থেকেই নগরীর ভুবনমোহন পার্ক স্মৃতিস্তম্ভ, রাজশাহী কলেজ শহিদ মিনার, কোর্ট চত্বর শহিদ মিনার ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের শুভ সূচনা করে জেলা প্রশাসন। এরপর থেকে নগরীর স্মৃতিস্তম্ভগু ও শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে আসেন বিভিন্ন সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংগঠনসহ নানা বয়সি মানুষরা। বেলা ১১টা পর্যন্ত চলে এই পুষ্পস্তবক অর্পণ। এরপর কোথাও আলোচনা সভা, কোথাও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, কোথাও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কোথাও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, কোথাও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও কোথাও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপি নানা কর্মসূচি পালিত হয় নগরীজুড়ে।
জেলা প্রশাসন : যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করেছে জেলা প্রশাসন। দিবসটি উপলক্ষে স্বাধীনতার দিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের শুভ সূচনা করে সকালে স্মৃতি ফলকে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এছাড়া সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বে-সরকারি ভবনসমুহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় । সকালে হেতেম খাঁ বড় মসজিদে কোরআনখানি, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।
সকাল সাড়ে আটটায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার নূর উর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে প্যারেড পরিদর্শন, কুচকাওয়াজের অভিবাদন গ্রহণ, শারীরিক কসরত প্রত্যক্ষণ ও পুরস্কার বিতরণ করেন। এসময় রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এম খুরশীদ হোসেন বিপিএম, পুলিশ কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার বিপিএম, জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের ও পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার নূর উর রহমান মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। তিনি বাংলার মানুষকে পরাধীনতার হাত থেকে মুক্ত করতে অনেক ত্যাগ তিতীক্ষার পর এদেশকে স্বাধীন করেছেন। তার নেতৃত্বেই এদেশ স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বিভাগীয় কমিশনার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
এছাড়া দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিল্পকলা একাডেমিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। জাতির শান্তি, অগ্রগতি, কল্যাণ কামনা করে সকল মসজিদে বাদ জোহর ও অন্যান্য উপাসনালয়ে সুবিধামত সময়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়। হাসপাতাল, কারাগার, শিশুসদন, শিশু-দিবাযত্ন কেন্দ্র সমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। বিকেলে রিভারভিউ কালেক্টরেট স্কুলে নারীদের ক্রীড়া ও আলোচনা অনুষ্ঠান এবং মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক একাদশ বনাম মুক্তিযোদ্ধা একাদশ ও মেয়র একাদশ বনাম বিভাগীয় কমিশনার একাদশ এর মধ্যে প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে শিল্পকলা একাডেমিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া শিল্পকলা একাডেমিতে রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর মোড়, আলুপট্টি মোড় ও শহীদ কামারুজ্জামান চত্বরে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং প্রবেশ মূল্য ছাড়াই জাদুঘর, পার্ক, চিড়িয়াখানা, শিশুদের দর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। ২৬ মার্চ সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বে-সরকারি ভবন ও সড়ক দ্বীপসমূহে আলোকসজ্জা করা হয়।
রাসিক : দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলে জাতীয় পতাকা, লাল-সবুজ বেলুন হাতে নিয়ে অংশ নেন অংশগ্রহণকারীরা।
জানা গেছে, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০১৯ উপলক্ষে মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে নগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে বিশাল বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বেরা করা হয়। মিছিলটি সাহেববাজার জিরো পয়েন্টের সামনে দিয়ে মনিচত্বর হয়ে রাজশাহী কলেজের সামনে হয়ে বাটারমোড় ঘুরে পুনরায় সেখানে এসে শেষ হয়। মিছিলের সামনে ছিল বিশাল আকার জাতীয় পতাকা ও আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকা। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল লাল-সবুজ বেলুন। নারীদের পরনে ছিল লাল-সবুজ শাড়ী, অনেক পুরুষের গায়ে লাল-সবুজ ছিল র্টি-শাট।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, বিভিন্ন সময় আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে, মৌলবাদের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এখন আর সেই সুযোগ নেই। এখন আর নতুন প্রজন্ম বিভ্রান্ত হবে না। পুরো জাতি স্বাধীনতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
আনন্দ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, কেন্দ্র্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের নগর সহ-সভাপতি ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, মোহাম্মদ আলী কামাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, নাইমুল হুদা রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আসলাম সরকার, নগর যুবলীগের সভাপতি রমজান আলী, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মোমিনসহ নগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, তাঁতীলীগ, রাজশাহী ডাক বিভাগসহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠন ও সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
এর আগে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে স্বাধীনতা চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করে নগর আওয়ামী লীগ। এরপর আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তর্বক অর্পন করেন। এরআগে সকাল থেকে নগর আওয়ামী লীগ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মিছিল নিয়ে নগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন।
নগর আওয়ামী লীগ: দিবসটি উপলক্ষে নগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে কুমারপাড়া দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় দলীয় কার্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বরে বঙ্গবন্ধু সহ জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
পরে সকাল ১০ টায় দলীয় কার্যালয় থেকে আনন্দ র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে সেখানে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় বক্তব্য দেন, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, সৈয়দ শাহাদত হোসেন, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, রেজাউল ইসলাম বাবুল, নাঈমুল হুদা রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আজাদ, এ্যাড. আসলাম সরকার, দপ্তর সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম বুলবুল, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক ওমর শরীফ রাজিব, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক ডাঃ ফমআ জাহিদ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফিরোজ কবির সেন্টু, মহিলা সম্পাদিকা ইয়াসমিন রেজা ফেন্সি, আইন সম্পাদক অ্যাড. মুসাব্বিরুল ইসলাম, উপ-দফতর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দোলন, উপ-প্রচার সম্পাদক মীর ইসতিয়াক আহম্মেদ লিমন, সদস্য এনামুল হক কলিন্স, মুক্তিযোদ্ধা সাহাব উদ্দিন, মকিদুজ্জামান জুরাতসহ নেতৃবৃন্দ।
জেলা আওয়ামী লীগ : দিবসটি উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সকাল ৬টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু সহ জাতীয় চারনেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এদিন সকাল ৭টায় কোর্ট স্মৃতিস্তম্ভে শহিদদের সম্মানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকরে নেতৃত্বে জেলা আ’লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
পরে সকাল ৮টায় লক্ষীপুর মোড়ে একযোগে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। সকাল ১০ টায় লক্ষীপুর মোড় হতে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদের নেতৃত্বে স্বাধীনতা র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়।
জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বদরুজ্জামান রবুর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, অ্যাড. মকবুল হোসেন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আসাদুজ্জামান, আহসান উল হক মাসুদ, দফতর সম্পাদক ফারুক হোসেন ডাবলু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. পূর্ণিমা ভট্টাচার্য, বন ও পরিবেশ সম্পাদক অ্যাড. এহেসান উদ্দিন শাহীন, উপ-দফতর সম্পাদক প্রভাষক শরিফুল ইসলাম, সদস্য বদিউজ্জামান, জেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সালেহ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলী আজম সেন্টু, জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রোকনুজ্জামান রিন্টু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক বিপাশা খাতুনসহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ও নগর শাখা: দিবসটি উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ও নগর কমান্ড যৌথভাবে সংগঠনের কার্যালয় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে জাতীয় ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করে। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ শহিদ জাতীয় ৪ নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য দান ও শ্রদ্ধা নিবেদন করে। সকাল ৮টায় শহিদ কামারুজ্জামান চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা গনজমায়েত হয় এবং সাড়ে ৮ টায় স্বাধীনতা র‌্যালী বের করে। র‌্যালিটি শহর প্রদক্ষিন শেষে ভূবন মোহন পার্ক শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত শিল্প কলা একাডেমিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্বর্ধনা সভায় যোগদান করে।
কেন্দ্রীয় কমান্ডের নেতা অ্যাড. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন, নগর কমান্ডার ডা. আব্দুল মান্নান, ডেপুটি কমান্ডারদ্বয়- মোহাম্মদ আলী কামাল, রবিউল ইসলাম, জেলা ইউনিটের নির্বাহী সদস্য যুদ্ধকালীন কমান্ডার অ্যাডঃ আব্দুস সামাদ, জেলা সাবেক ডেঃ কমান্ডার কেএমএম প্রমুখ।
জেলা যুব মহিলা লীগ: দিবসটি উপলক্ষে জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক বিপাশা খাতুনের নেতৃত্বে যুব মহিলা লীগের নেতাকর্মীরা নগরীর কোর্টে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চারনেতা ও সকল মুক্তিযুদ্ধে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার শান্তি কামনা করে।
পরে রাজশাহী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক বিপাশা খাতনের নেতৃত্বে একটি র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় : নানা আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পালিত হয়েছে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। দিবসটি উপলক্ষে গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করে। দিবসের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে প্রশাসন। পরে সেখানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন তাঁরা।
এদিকে, ভোরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন ভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় বিভিন্ন আবাসিক হল, ইনস্টিটিউট, বিভাগ, অন্যান্য পেশাজীবী এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রভাতফেরী ও শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গণকবর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। পৌনে ৯টায় শেখ রাসেল মডেল স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলাদেশ মাঠে সকাল সাড়ে ৯টায় বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও রেঞ্জারদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। রাবি উপাচার্য কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও তাদের অভিবাদন গ্রহণ করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা দিবস প্রীতি ক্রিকেট, ফুটবল, হ্যান্ডবল ও ভলিবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় উপস্থিত ছিলেন, উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা, অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া, প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকার, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক লায়লা আরজুমান বানু প্রমুখ।
দিবসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিলো রাবি অফিসার সমিতি, সহায়ক কর্মচারী সমিতি, সাধারণ কর্মচারী ইউনিয়ন ও পরিবহন টেকনিক্যাল কর্মচারী সমিতি, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ রাবি ইউনিট কমাণ্ডের আলোচনা সভা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এদিন শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য খোলা ছিল। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন নিজস্ব কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়।
এছাড়াও রাবি মহিলা ক্লাবের উদ্যোগেও দিবসটি উপলক্ষে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
রুয়েট : বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের মধ্যে দিয়ে যথাযথ মর্যাদায় রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) পালিত হয়েছে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। এদিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনিক ভবনসহ বিভিন্ন ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে রুয়েটে এই দিবস পালনের কর্মসূচি শুরু হয়। প্রশাসনিক ভবনে পতাকা উত্তোলন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম শেখ।
সকাল ৯ টায় শোভাযাত্রা শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হওয়া শিক্ষার্থীদের সমাধীতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম শেখ। এ সময়ে বিভিন্ন হলের প্রভোষ্ট এবং ছাত্রলীগ রুয়েট শাখার পক্ষ থেকে পৃথক পৃথকভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এরপর সকাল ১০ টায় কেন্দ্রীয় শরীরচর্চা কেন্দ্রে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম শেখ। একই সাথে কেন্দ্রীয় মাঠে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্রদের মধ্যে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
দুপুর সাড়ে ১১ টায় কেন্দ্রীয় শরীরচর্চা কেন্দ্র মিলনায়তনে এই মহতি দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপাচার্য ।
ছাত্রকল্যাণ পরিচালক প্রফেসর ড. রবিউল আউয়ালের সভাপতিত্বে ও উপ-পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) মামুনুর রশিদের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. সেলিম হোসেন, পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) প্রফেসর ড. ফারুক হোসেন, শিক্ষক সমিতির সদস্য প্রফেসর ড. অজয় কৃষ্ণ সরকার, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মুফতি মাহমুদ রনি, রুয়েট ছাত্রলীগ শাখার সভাপতি নাঈম রহমান নিবিড় এবং কর্মচারী সমিতির সভাপতি মহিদুল ইসলাম মোস্তফা।
এছাড়া বাদ যোহর কেন্দ্রীয় মসজিদে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের আত্বার শান্তি কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত রেজিষ্ট্রার প্রফেসর ড. সেলিম হোসেন ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক প্রফেসর ড. রবিউল আউয়াল সহ বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, হল প্রভোষ্ট, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় : দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (রামেবি) নানা আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে এদিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রামেবি’র রাজশাহীস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সকাল সোয়া ৮টায় নগরীর ভূমনমোহন পার্ক শহীদ বেদি ও স্মৃতিফলকে পূষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয়।
এরপর সকাল ৯টায় রামেবি’র অস্থায়ী কার্যালয় হতে একটি বর্ণাঢ্য রালি বের করা হয়। র‌্যালিটি নগরীর লক্ষিপুর মোড় ও ঐতিহ্য চত্বর (টমটম চত্তর) প্রদক্ষিণ করে অস্থায়ী কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
কর্মসূচিতে রামেবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মাসুম হাবিবের পক্ষে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও রেজিস্ট্রার (অ.দা.) অধ্যাপক এসএমএ হুরাইরানেতৃত্ব সেকশন অফিসার জামাল উদ্দীন ও আমিনুল ইসলামসহ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের পথ শিশুদের মাঝে টি-শার্ট ও খাবার বিতরণ করা হয়।
এর আগে ২৫ মার্চ কালোরাত্রিতে নিহতদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচিতে ছিল ২৫ মার্চ সোমবার বাদ জোহর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস মস্্জেিদ দোয়া মাহফিল, সন্ধ্যায় নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় ২৫ শে মার্চের নৃশংস গণহত্যার উপর প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন, রাত ৯টা থেকে ৯.০১ মিনিট পর্যন্ত রামেবি’র অস্থায়ী কার্যালয় চত্তরে প্রতিকী ব্লাক আউট এবং রাত ৯টা ৫মিনিটে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড : দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহ্ফিলের আয়োজন করেছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনারুল হক প্রাং। প্রধান অতিথি ছিলেন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি সচিব প্রফেসর তরুণ কুমার সরকার, কলেজ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর দেবাশীষ রঞ্জন রায়, উপ-পরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) বাদশা হোসেন, প্রকৌ. শফিকুল ইসলাম এবং অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি মুঞ্জুর রহমান খান, গণসংযোগ অফিসার এএফএম খায়রুল আলম এবং কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি হুমায়ুন কবিরসহ বোর্ডের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করেন প্রধান মূল্যায়ন অফিসার গোলাম আজম। অনুষ্ঠানে ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের হাতে বোর্ডের চেয়ারম্যান পুরস্কার তুলে দেন।
রাকাব: দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) উদ্যোগে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে রাজশাহী জেলা প্রশাসন শহিদ মিনারে রাকাবের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত পরিচালক ও রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. রুস্তম আলী আহমেদ।
এসময় রাকাব প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক (নি:হি:আ:) সাইদুর রহমান, প্রধান কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপকবৃন্দ, বিভাগীয়/ইউনিট প্রধানগণ, প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ, রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় নিরীক্ষা কর্মকর্তা, রাজশাহী জোনের জোনাল ব্যবস্থাপক, এলপিও’র ব্যবস্থাপকসহ প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় কার্যালয়, বিভাগীয় নিরীক্ষা কার্যালয়, জোনাল কার্যালয়, রাজশাহী এবং রাজশাহী জোনের আওতাধীন বিভিন্ন শাখার সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। একই সময়ে রাকাব কর্মচারী সংসদ (রাজ-৬১১), রাকাব অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন ও অফিসার্স ফোরামের নেতৃবৃন্দ পৃথক পৃথকভাবে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন। পুষ্পার্ঘ অর্পণ শেষে শহীদদের উদ্দেশ্যে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন রাকাব, প্রধান কার্যালয়ের পেশ ঈমাম সাইদুর রহমান।
রেশম উন্নয়ন বোর্ড: দিবসটি উপলক্ষে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মু: আবদুল হাকিমের নেতৃত্বে র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালি শেষে ভূবন মোহন পার্ক শহিদ মিনারে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে শহিদদের প্রতিশ্রদ্ধা নিবেদন স্বরূপ পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বোর্ডের সদস্য (অর্থ ও পরিকল্পনা) সৈয়দা জেবিননিছা সুলতানা, সদস্য (সম্প্রসারণ ও প্রেষণা) এমএ মান্নান, সদস্য (উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ) মোছা. নাছিমা খাতুন, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মুনসুর আলী, প্রধান সমন্বয়ক জায়েদুল ইসলাম, সচিব এবং সিবিএ সভাপতি আবু সেলিম।
নগর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পরিষদ : দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১১টায় সভা অনুষ্ঠিত হয়। নগরীর সপুরা এলাকায় পলিটেকনিকের সামনের কার্য্যালয়ে সভা হয়। অক্ষধ্য শফিউর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, সাধারণ সম্পাদক মাসুন রানা, সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া নান্নু, সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরুল হক রিপন, সভায় সাবিনা ইয়াসমিনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে বঙ্গবন্ধু স্মতি পরিষদের ৭৯ সদস্য বিশিষ্ঠ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
সরকারি পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় : দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১১টায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য দেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা আফরোজা খানম, সহকারি শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌস, সাবেরা কামরুন নাহার। এছাড়া ছাত্রীদের আংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত, দেশাত্ববোধক গান ও দিবসটির তাৎপর্য বর্নণা করা হয়। এ সময় গণহত্যা সম্পর্কিত ডকুমেন্টারী প্রদর্শন করে শিক্ষক রেজাউল হক।
শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র : দিবসটি উপলক্ষে কুচকাওয়াজ, শারীরিক কসরত, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপপ্রকল্প পরিচালক নরুল আলমের সার্বিক তত্বাধানে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিভাগীয় সমাসেবা কার্যলয় পরিচালক হাসিনা মমতাজ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপ-পরিচালক রাশেদুল কবীর, সহকারী পরিচালক ড. আবদুল্লা আল ফিরোজ, শিক্ষক সাইদুল ইসলাম।
নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি : দিবসটি উপলক্ষে নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে দুইদিনব্যাপী কর্মসূচির ১ম দিন গত মঙ্গলবার সকাল ৯টায় নগরীর আলুপট্টিস্থ ইউনিভার্সিটির অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহম্মদ আবদুল জলিলের নেতৃত্বে র‌্যালি নিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজশাহী কলেজের শহিদ মিনারে গিয়ে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। মহান স্বাধীনতা দিবসে শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটির রেজিস্টার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টরসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, কো-অর্ডিনেটর, শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়দিন বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় আলোচনা সভা, মেধাপুরস্কার ও রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হবে।
বরেন্দ্র বিশ্বদ্যিালয়:দিবসিট উপলক্ষে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্যোগে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এদিন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা ক্যাম্পাস থেকে সকাল ৭ টায় র‌্যালি বের হয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা ক্যাম্পাসে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. রাশিদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. এম. সাইদুর রহমান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মহিউদ্দীন সহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, কো- অর্ডিনেটর, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড: দিবসটি উপলক্ষে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপনসহ রাজশাহী কলেজ শহিদ মিনারে পুষ্প¯তবক অর্পন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন, এসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মনোয়ার হোসেন, রথীন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, কামরুজ্জামান, মো. আয়েসউদ্দীন , সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার, প্রিন্সিপাল অফিসসহ সোনালী ব্যাংক লিমিটেড রাজশাহী বিভাগের সর্বস্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী দলিল লেখক সমিতি: দিবসটি উপলক্ষে কোর্ট শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এসময় বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী জেলা এবং সদর দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মহিদুল হকের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন, সদর দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি পিয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল্লাহ পারভেজ জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন আকতার মাবুল, কার্যনির্বাহী সদস্য বাবুল সরকার, দুলাল হোসেন, সাধারণ সদস্য রবিউল আলম তপন, সিরাজ উদ্দিন বাবু, তাইজুল ইসলাম, সেলিম আহাম্মেদসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এসময় রাজশাহী জেলা ও সদর দলিল লেখক সমিতির সকল নেতবৃৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ছাত্রীদের ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও প্রশিক্ষকদের ক্রীড়া প্রতিযোগীতা শুরু হয়। ক্রীড়া প্রতিযোগীতা শেষে সকাল বেলা ১২টায় রাজশাহী মহিলা টিটিসির সভা কক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।
শুরুতে মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহিদদের প্রতিশ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। সভাপতিত্ব করেন, রাজশাহী মহিলা টিটিসির অধ্যক্ষ নাজমুল হক। দিবসের উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ ছিলো ছাত্রীদের কুইজ প্রতিযোগীতা, অংকদৌড়, সুইসূতা দৌড়, যেমন খুশি তেমন সাজো, ছোট্ট শিশুদের কবিতা পাঠ প্রশিক্ষকদের পিলো খেলা এবং ফুটবল খেলা। দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন: স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে সাহেববাজার উপ-কেন্দ্র থেকে যাত্রা শুরু করে ভূবন মোহন পার্ক স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলিতে অংশগ্রহণ করেন, সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, আজীবন সদস্যবৃন্দ, চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
প্রগতিশীল নাগরিক সংহতি: দিবসটি উপলক্ষে নগরীর ভুবন মোহন পার্কের শহিদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ অর্পন করেন। সকালে নিউমার্কেট অর্চি কালাররের সামনে কার্যকরি সদস্য কেএম রেজাউল করিম খোকনের সভাপতিত্বে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। আলােচনায় অংশ নেন, অ্যাডভোকেট আবদুস সামাদ, সদস্য সচীব কলামিস্ট শাহ মো. জিয়াউদ্দিন, আলী আর্সলান অপু, রণজিৎ রায়, শিল্পী আজমুল সাচ্চু, কেএম ওবায়দুর রহমান, হাবিবুর রহমান তুহিন , কলিন্সসহ প্রমুখ।
ইসলামী ব্যাংক ইনস্টিটিউট অব হেল্থ টেকনোলজী: দিবসটি উপলক্ষে ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ডা. গাজীউল আলমের সভাপতিত্বে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হিসাব অফিসার, সহকারী অফিসার-৩ সহ সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে ইনস্টিটিউটের লবিতে আলোচনাসভা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তাগণ শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরেন।
প্রজন্ম ও জেলা-নগর শাখা কৃষক পরিষদ: দিবসটি উপলক্ষে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজন্ম ও বাংলাদেশ কৃষক পরিষদ জেলা-মহানগর শাখা।
প্রজন্ম’র প্রতিষ্ঠাতা কবি অনিক ইসলামের সভাপতিত্ব এবং বাংলাদেশ কৃষক পরিষদ নগর শাখার সভাপতি হাসান উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন, নগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ডা. আব্দুল মান্নান। এ সময় স্বাগত বক্তব্য দেন, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ চাই’র আহ্বায়ক ও রাজশাহী প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আসলাম-উদ-দৌলা।
বিশেষ অতিথি বক্তব দেন, বাংলাদেশ কৃষক পরিষদ জেলা ও নগর শাখা উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট পূর্নীমা ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ কৃষক পরিষদ নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মুনিরুল ইসলাম ও বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ চাই’র সদস্য সচিব রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খালেদ হাসান বিপ্লব।
ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: দিবসটি উপলক্ষে বিনামূল্যে ‘সার্জারী ও অর্থোপেডিক্স’ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাম্পটি উদ্বোধন করেন, হাসপাতালের ডাইরেক্টর প্রফেসর ডা. এসআর তরফদার। হাসপাতালের সিনিয়র অফিসার ও প্রশাসনিক ইনচার্জ সাইফুল আলমের পরিচালনায় ক্যাম্পে চিকিৎসা প্রদান করেন, সার্জারী বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. কামাল উদ্দিন ও অর্থোপেডিক্স বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. সাফায়েত জিলানী দোদুল।
আরইউজে: রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরইউজে) উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে ভুবনমোহন পার্কে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। আরইউজের সভাপতি কাজী শাহেদের নেতৃত্বে এসময় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহসভাপতি মামুন-অর-রশিদ, আরইউজে’র নির্বাহী কমিটির সদস্য সামাদ খান, সিনিয়র সদস্য তৈয়বুর রহমান, তবিবুর রহমান মাসুম, আবদুস সাত্তার ডলার, আসাদুজ্জামান আসাদ, আবুল কালাম আজাদ, মামুন রেজাসহ ইউনিয়নের সদস্যরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
ন্যাপ কমিউনিষ্টপার্টি ছাত্র ইউনিয়ন: দিবসটি উপলক্ষে নগরীর আলোকার মোড়ে সমবিত হয়ে ভূবন মোহন পার্কে পুষ্প অর্পন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা সন্বয়ক অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, কামরুজ্জামান, আবুল কালাম আজাদ, বদর আলম, শ্রী নারায়ন চন্দ্র সরকার, সুঘোন মুখাজ্জী, সাইফুজ্জামান তপন, আহম্মদ আলী প্রমুখ।
শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান সরকারি ডিগ্রি কলেজ: দিবসটি উপলক্ষে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য দেন, অধ্যক্ষ খালেক সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কলেজের শিক্ষক আমিনুল ইসলাম, আবদুল খালেক শান্ত, নাইমুল ইসলাম, মোমিনুল আলম প্রমুখ।
ক্রিয়া : দিবসটি উপলক্ষে পষ্পস্তবক অর্পণ, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেন্টার ইনচার্জ নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, সংগঠনটির রাজশাহী শাখার অফিসার নূরে আলম সিদ্দিকি মাসুম, জুনিয়র অফিসার মনোয়অর হোসেন ডলার, শাখার রিকভারী আনোয়ার হোসেন প্রমূখ।
মেট্রোপলিটন কলেজ: দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১১ টায় মেট্রোপলিটন কলেজ মিলনায়তনে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সম্বর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যক্ষ জুলফিকার আহমেদের সভাপতিতেত্ব ও শরীরচর্চা শিক্ষক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন, সাইফুর রহমান, সহকালি অধ্যাপক মাহাবুবা ইয়াসমিন, প্রভাষক আছের উদ্দীন, সুলতান সাব্বির আহমেদ, শিক্ষার্থী সানজুরা খাতুন প্রমুখ।
ওয়াই এম স্পোর্টিং ক্লাব:দিবসটি উপলক্ষে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল সাতটায় প্রভাতফেরীর মাধ্যমে তালাইমারী শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় উন্মুক্ত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫টায় পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। ক্লাবের সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান।
রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন : দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরইউজে) উদ্যোগে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। নগরীর বাংলা বাগান পার্কের হলরুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আরইউজে’র সভাপতি সরদার আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও আরইউজে’র কোষাধ্যক্ষ মঈনউদ্দীনের সঞ্চালনায় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নদী গবেষক হেরিটেজ রাজশাহী’র সভাপতি মাহবুব সিদ্দিকী, রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের প্রফেসর ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের হেমাটলোজি বিভাগের প্রধান ডা. মুর্শেদ জামান মিঞা ও শাহমখদুম মেডিকেল কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান স্বাধীন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএফইউজে’র নির্বাহী সদস্য সাদিকুল ইসলাম স্বপন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, আরইউজে’র সহ-সভাপতি আবদুস সবুর, নতুন প্রভাতের বার্তা সম্পাদক সোহেল মাহবুব, কবি শিরিন শরীফ, রাবি প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক সোহাগ প্রমুখ।
ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন: দিবসটি উপলক্ষে ভূবন মোহন পার্কে শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ ও সাধারণ সম্পাদক সামাদ খানসহ নেতৃবৃন্দ।
ওলামা কল্যাণ পরিষদ : দিবসটি উপলক্ষে পরিষদের উদ্যোগে কোরআন তেলাওয়াত অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার বাদ আসর নগরীর শাহ মখদুম এলাকায় ওলামা কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নিজস্ব ভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রাজশাহী উলামা কল্যাণ পরিষদের পরিচালক সৈয়দ আমিন উদ্দিন মাহমুদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইফার পরিচালক আবেজ আহমদ। এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, মুফতি ওমর ফারুক, ইউনিয়ন ব্যাংকের ম্যানেজার শহীদুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম শফিক, নগর কৃষকলীগের সহ-সভাপতি এএইচএম আশিকুজ্জামান শাওন। অনুষ্ঠানে মাওলানা গোলাম নুহ এর পরিচালনায় কোরআন তেলাওয়াত করেন, এহসানুল হক।

SHARE