শীতে কাঁপছে রাজশাহী

17

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী ও পাবনার ঈশ্বরদীতে গতকাল বুধবার (১১ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ভোর ৬টায় এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এটি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

রাজশাহীতে চলতি শীত মৌসুমে তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরেই ছিল। কয়েকদিন ধরে চলছিল মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। বুধবার তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের হিসাবে তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। আর ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলো মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। এছাড়া ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে তীব্র এবং ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচের তাপমাত্রাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন জানান, এবার শীত মৌসুমে রাজশাহীর তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরেই ছিল। কয়েকদিন ধরে চলছিল মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। বুধবার ভোরে তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে। এটি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

এদিকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কনকনে ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে শীত অনুভূত হচ্ছে বেশি। সকাল থেকে রাস্তার লোকজনের চলাফেরাও কম। নিম্ন আয়ের মানুষকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা বিভাগের যশোর ও চুয়াডাঙ্গাসহ রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগের ১৬ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হয়ে যাচ্ছে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে ৭২ ঘণ্টা পর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। এ সময় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও হতে পারে বলেও আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

SHARE