ভোটের মাঠ ছাড়বো না : মিনু

175

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, নির্বাচন কমিশন তামাশার নির্বাচন করছে। যখন নির্বাচনের আমেজে মানুষ রয়েছে; সারাদেশ যখন নির্বাচনে মুখরিত হয়ে উঠেছে, ঠিক সে সময়ে ধানের শীষের প্রার্থীসহ বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনার কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর মালোপাড়ায় দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

মিনু বলেন, নির্বাচনী অফিস ভাঙ্গচুর ও অগ্নিসংযোগ, পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন ছিড়ে ফেলা হচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয়া হচ্ছে। রাজশাহীতে নির্বাচনে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে ভোট ডাকাতির চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু একবিন্দু রক্ত থাকাকালীন ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির নেতাকর্মীরা ভোটের মাঠ ছেড়ে যাবে না।

সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের বিএনপির প্রার্থী এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনও বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, পুলিশের প্রত্যক্ষ সহায়তায় মোহনপুরে ত্রাস সৃষ্টি করেছে সরকার দলীয় প্রার্থী। প্রতিদিন ধানের শীষের নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন ছিড়ে ফেলছে। মাইক ভাঙচুর করে প্রচারে বাধা দেয়া হচ্ছে। মোহনপুর যুবদলের সভাপতি বাচ্চুকে তুলে নিয়ে গিয়ে দুই পায়ে গুলি করে বিলের মধ্যে ফেলে দেয়া হয়েছে। বাচ্চুর সাথে থাকা আশরাফুলের কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু পুলিশ এ ব্যাপারে কিছুই করছে না। পুলিশের সহায়তায় সরকারী দলের এ সব কর্মকান্ড বন্ধ করা না হলে নির্বাচনের মধ্যেও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারী দেন মিলন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপু, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৈয়দ সাইফুল ইসলাম মার্শাল, মহানগর গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট হোসেন আলী পেয়ারা, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা আব্দুল বারী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হানুল আলম রায়হান, নওহাটা পৌর মেয়র শেখ মকবুল হোসেন, জেলা যুবদলের সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন প্রমূখ।

SHARE