অতি উৎসাহী হয়ে গণদুশমনে পরিনত হবেন না, পুলিশকে মিনু

10

স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ৩ ডিসেম্বর বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশের আগে বিভাগজুড়েই দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। গ্রেপ্তারও করা হচ্ছে অনেককে। এগুলো ‘অতি উৎসাহী’ পুলিশের কাজ উল্লেখ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু।

তিনি পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘পুলিশ ভাইয়েরা আমাদের দেশের সন্তান। তাদের দায়িত্ব দেশের শান্তি বজায় রাখা। কিন্তু কিছু অতি উৎসাহী কর্মকর্তা বিএনপির সমাবেশে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আপনারা অতি উৎসাহী হয়ে গণদুশমনে পরিণত হবেন না।’

মামলা ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রাজশাহীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে মিজানুর রহমান মিনু এ কথা বলেন। এ সময় মিনু হুঁশিয়ারি দেন, পুলিশের অতি উৎসাহীদের বিরুদ্ধে আগামীতে মামলা করা হবে।

নগরীর সাহেববাজার এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনে করা হয়। রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশ সমন্বয় কমিটি এ আয়োজন করে। মিজানুর রহমান মিনু বলেন, দেশের ছয়টি বিভাগীয় শহরে ইতোমধ্যে গণমসমাবেশ শেষ হয়েছে। ওই সমাবেশের আগে সরকার গাড়িঘোড়া বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু রাজশাহীর সমাবেশের আগে মামলা দিয়ে নেতাকর্মীদের এলাকাছাড়া করা হচ্ছে যেন তারা সংঘবদ্ধ হতে না পারে।

তিনি বলেন, সকল বিভাগীয় শহরকে ছাড়িয়ে রাজশাহীর গণসমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে। এর জন্য যদি বুক থেকে তাজা রক্ত পিচঢালা পথে ঢেলে দিতে হয়, তাতেও নেতাকর্মীরা রাজি আছেন। সমাবেশ সফল করতে রাজশাহীর আট জেলার নেতাকর্মীরা প্রস্তুত আছেন।

মিনু বলেন, সমাবেশের আগে প্রতিটি উপজেলা কর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে। গায়েবী মামলা দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের লোকজন দ্বারা কোথাও কোথাও অকারণে বোমা ফাটানো হচ্ছে, বোমা রেখে দেওয়া হচ্ছে এবং সাজানো মামলা দেওয়া হচ্ছে। লোকজন জানতেও পারছে না যে কি কারণে মামলা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে কথা বলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা শাহজাহান মিয়া, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হারুন অর রশিদ এমপি, জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, রাজশাহী বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ।

SHARE