ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন সাহেরা, হত্যায় মামলা

20

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় দুর্র্র্বৃত্তের হাতে খুন হওয়া তরুণী সাহেরা খাতুন (২০) ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তাকে কে বা কারা কেন হত্যা করেছে তা বুঝতে পারছে না পরিবার। তাই হত্যার ঘটনায় করা মামলার এজাহারে কারও নাম নেই। অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছে।

নিহত সাহেরা খাতুনের বাবা দানেস আলী বাদী হয়ে শনিবার রাতে গোদাগাড়ী থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারে তিনি বলেছেন, তাঁর মেয়ে ছয়মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। সাহেরা গত বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়। তিনি শ্বশুরবাড়ি যাবেন বলে তার মাকে জানিয়েছিলেন। তবে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাঁর আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

সাহেরার বাবার বাড়ি গোদাগাড়ীর চাতরা গ্রামে। আর শ্বশুরবাড়ি পার্শ্ববর্তী তানোর উপজেলার সরনজাই মির্জাপুর গ্রামে। তার স্বামী ঢাকায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন। শনিবার সকালে বাবার বাড়ি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে গড়গড়িয়া এলাকার একটি ধান ক্ষেতে সাহেরার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। তাঁর পোশাক ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল ধান ক্ষেতের পাশের দুটি গাছের সঙ্গে। দুপুরে পুলিশ সাহেরার লাশটি উদ্ধার করে।

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, স্ত্রীকে খুনের খবর পেয়ে সাহেরার স্বামী ঢাকা থেকে এসেছেন। কে বা কারা তার স্ত্রীকে খুন করতে পারে তা তিনি বলতে পারছেন না। সাহেরার বাবাও কিছু জানাতে পারছেন না। তিনি অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

ওসি জানান, সাহেরার নিজের কোন মোবাইল ফোন ছিল না। মায়ের মোবাইল ফোনেই তিনি কথা বলতেন। কার কার সাথে তার কথা হয়েছে সেসব তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ওসি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা সাহেরা কোন খারাপ লোকের পাল্লায় পড়েছিলেন। সবকিছুই তদন্ত করে দেখছি। এখনও কোন কিছু নিশ্চিত হতে পারিনি। তবে তদন্তে সবই বেরিয়ে আসবে। ঘটনার সাথে যে বা যারাই জড়িত থাকুক না খুঁজে বের করা হবে।’

SHARE