জেলা পরিষদ নির্বাচন : রাজশাহীর ৮ জেলায় আ.লীগের প্রার্থী যারা

61

স্টাফ রিপোর্টার: জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভা শেষে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এ যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভা শেষে ৬১ জেলার আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এর মধ্যে রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী হলেন, রাজশাহীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জে রুহুল আমিন, নাটোরে সাজেদুর রহমান খাঁন, নওগাঁয় এ কে এম ফজলে রাব্বি, বগুড়ায় মকবুল হোসেন, জয়পুরহাটে খাজা সামছুল আলম, সিরাজগঞ্জে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস ও পাবনায় আ.স.ম. আব্দুর রহিম পাকন।

অপরদিকে, রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় জেলায় আবু তোয়বুর রহমান, ঠাকুরগাঁও জেলায় সাদেক কুরাইশী, দিনাজপুর জেলায় আজিজুল ইমাম চৌধুরী, নীলফামারীতে মমতাজুল হক, লালমনিরহাটে মতিয়ার রহমান, রংপুরে ইলিয়াস আহমেদ, কুড়িগ্রামে জাফর আলী এবং গাইবান্ধা জেলায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আবু বকর সিদ্দিক।

গত ২৩ আগস্ট নির্বাচন কমিশন রাজশাহীসহ ৬১ জেলা পরিষদ ভোটের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী ১৭ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ১৮ সেপ্টেম্বর বাছাইয়ের পর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর।

এদিকে, ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। সে বার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম মাহবুব জামান ভুলু। তবে আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান প্রশাসক মোহাম্মদ আলী সরকার বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হন। এবারও তিনি দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তিনিসহ এবার ১০ জন আওয়ামী লীগ নেতা দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদন করেন। যাদের মধ্যে মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল নৌকার টিকিট পেয়েছেন।

মীর ইকবাল নিজেও বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সন্তান। দলের জাতীয় পরিষদের এই সদস্য ১৬ বছর রাজশাহী নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও ২০০৪ সাল থেকে তিনি সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মীর ইকবাল বলেন, ‘সারা জীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে গেছি। জীবনের শেষ সময়ে এসে নির্বাচনে অংশ নিতে চাচ্ছি। দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। আশা করি রাজনৈতিক সহকর্মীরা সহযোগিতা এবং ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান দেবে।’

রাজশাহী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেন জানান, রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা ১১৮৫ জন। উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান ও ওয়ার্ড সদস্য, পৌরসভার মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলররা জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার। তাদের ভোটে রাজশাহীতে একজন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন। এর মধ্যে তিনজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য।

SHARE