নারীদের উন্নয়নে রাজশাহী আরো এগিয়ে যাবে: লিটন

146

স্টাফ রিপোর্টার : নারীদের উন্নয়নে রাজশাহী আরো এগিয়ে যাবে, দেশও এগিয়ে যাবে। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজশাহী মিশন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, রাজশাহীতে মেয়েদের সরকারি স্কুল আরো হওয়া দরকার। আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারো ক্ষমতায় আসলে এখানে আরো সরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে।
সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী সদর আসনে ১৪ দলের এই প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা সংসদ বলেছেন, আমি সব সময় শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করেছি। শিক্ষকদের পাশে থেকেছি। আগামীতেও আমি শিক্ষার উন্নয়নে এভাবে কাজ করে যাব।
চার্জ অব বাংলাদেশের মডারেটর স্যামুয়েল সুনীল মানখিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্যানেল মেয়র-১ শরিফুল ইসলাম বাবু, প্যানেল মেয়র-২ রজব আলী, প্যানেল মেয়র-৩ তাহেরা খাতুন মিলি, নগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল আলম বেন্টু, চার নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রুহুল আমিন টুনু, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামরুজ্জামান কামরু ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি, কোর্ট কলেজের অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা প্রমূখ। এর আগে সকাল ৯ টায় বিদ্যালয়টির শিক্ষক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে র‌্যালি বের হয়। এরপর ১০ টার দিকে একাদশ সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী সদর আসনের সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন এবং বিকেলে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে শেষ হয়।
মিশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী রাজশাহী কোর্টের সিনিয়র সহকারী জজ (অব:) নিলুফার জাহান, সিংড়া কলেজের অধ্যাপক (অব:) রানু রায়, লতিফা বেগম, আসিয়া বেগম, ১৯৭৩ সালের এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিদ্যালয়ের পুনর্মিলনীতে অংশগ্রহন করায় তাদের অনুভূতির কথা জানতে চাইলে তারা বলেন, ছোট্টবেলার সহপাঠিদের কাছে পেয়ে এতোটাই আনন্দিত যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সহপাঠিদের এত দীর্ঘ দিন পরে কাছে পেয়ে মনে হচ্ছে আবার শৈশব ফিরে পেয়েছি একদিনের জন্য। দিনটি যেন অতি দীর্ঘ হয়। কাওকেই ছেড়ে যেতে ইচ্ছা করছেনা। তারা বলেন, স্কুলটির পুরোন ভবনের কিছুই নেই। অনেক বড় আর আধুনিকায়ন করা হয়েছে স্কুলটিকে।
১৯৯২ সলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বর্তমানে চাপাইনবাবগঞ্জ শাহ নিয়ামত উল্লাহ মহা বিদ্যালয়ের প্রভাষকসাবরিনা বিনতে রইস জানান, অনুভূতি প্রকাশের ভাষা নেই। অনেকদিন পর সহপাঠিদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় শুধু শৈশবের দিন গুলোর কথা মনে পড়ছে। স্কুল কতৃপক্ষকে এমন একটি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য অনেক ধনবাদ জানাই। তাদের এই উদ্যোগের ফলেই আজকে আমরা একত্রিত হতে পেরেছি।

SHARE