যানজটে নাকাল নগর বাসী

32

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীতে নগরীতে অসহনীয় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তীব্র যানজট সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ। তবে যানটের কারণে হিসেবে দোকানিদের রাস্তা-ফুটপাত দখল এবং চালকদের স্বেচ্ছাচারিতাকে দায়ী করছেন।
পবিত্র ঈদুরল ফিতরের কেনাকাটায় মার্কেটমুখী মানুষের সমাগম বেড়েই চলেছে। শেষ মুহূর্তে কেনাকাটায় শহরের মানুষের সঙ্গে যোগ হয়েছে গ্রামের মানুষ। আর বাড়তি মানুষের সঙ্গে সড়কে যুক্ত হয়েছে বাড়তি যানবাহন। যার কারণে রমজানের শেষভাগে এসে অসহনীয় যানজট দেখা দিয়েছে নগরীতে।
দেখা যাচ্ছে, দুপুর ১২টার পর থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তীব্র গরমের কারণে নগরীর মূল বাণিজ্যিক এলাকা সাহেব বাজারের জন সমাগম কম। কিন্তু সকালে এবং বিকেলে যানজট তীব্র আকার ধারণ করছে। এ সময় মহানগরীর প্রধান প্রধান সড়ক কার্যত যানবাহনে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ছে। এতে গন্তব্যে পৌঁছাতে মানুষকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। নগরীর শালবাগান থেকে শহীদ কামারুজ্জামান চত্বর, গ্রেটার রোড থেকে বর্ণালীর মোড়, লক্ষ্মীপুর মিন্টু চত্বর থেকে রামেক হাসপাতাল হয়ে ঘোষপাড়া মোড়, ফায়ার সার্ভিস চৌরাস্তা থেকে সোনাদীঘি মণিচত্বর, সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট থেকে কুমারপাড়া এই সড়কগুলোতে যানজট বেশি হচ্ছে। এসব সড়কের দু’পাশের ফুটপাত এবং মূল সড়কেই দোকান বসিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষত ব্যস্ততম সড়কের ফুটপাতসহ সড়ক জুড়ে নানান পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসছেন ব্যবসায়ীরা। এতে ফুটপাতসহ সড়কেও ক্রেতাদের জটলা তৈরি হচ্ছে। অপরদিকে, ইচ্ছামতো গাড়ি পার্কিং করছে অনেকেই। এতে সড়কে যানজট তৈরি হচ্ছে।
রাজশাহী মহানগর ট্রাফিক পুলিশের উপ-কমিশনার অনির্বান চাকমা বলেন, এটি রিকশার শহর। অভ্যন্তরীণ রুটে কোনো গণপরিবহন না থাকায় পুরো সড়কই থাকে রিকশার দখলে। তাই রিকশা ও অটোরিকশায় ঠাসা হয়ে উঠেছে রাজশাহী। এরমধ্য আবার ঈদ উপলক্ষে বাইরের বিভিন্ন উপজেলা থেকেও রিকশা-অটোরিকশা ঢুকে পড়েছে রাজশাহী শহরে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব সড়কে যানজট লেগেই থাকছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টসহ তিনটি সড়ক ওয়ানওয়ে করা হয়েছে। কিন্তু এরপরও সুফল মিলছে না। পরিস্থিতি সামলাতে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি এখন থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান।

SHARE