অবৈধ মুঠোফোন বন্ধ হচ্ছে আজ

18

অনলাইন ডেস্ক : নতুন করে নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া অবৈধ মুঠোফোনের সংযোগ আজ (শুক্রবার) থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। গত তিন মাস ধরে এ কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে চলছিল। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

সেখানে বলা হয়, অবৈধভাবে আমদানি হলেও যেসব সেট গত ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো মোবাইল ফোন অপারেটরের নেটওয়ার্কে চালু ছিল সেগুলো বন্ধ করা হবে না। কারণ, এসব সেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেমে নিবন্ধিত।

১ জুলাই থেকে চালু করা নতুন সেটগুলো (যেগুলো অবৈধভাবে আমদানি করা) শুক্রবার থেকে বন্ধ হয়ে যাবে। তবে, নিবন্ধন করে সেগুলো চালু করা যাবে।

বিটিআরসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত ১ জুলাই থেকে অবৈধ মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করা হয়। তিন মাসের মধ্যে এটি শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ছিল এর শেষদিন।

এ কার্যক্রমের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো- জাতীয় পরিচয়পত্র ও নিবন্ধিত সিম কার্ডের সঙ্গে ট্যাগিং করে প্রতিটি মুঠোফোন নিবন্ধনের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণ ও দেওয়া নিশ্চিত করা, অবৈধভাবে উৎপাদিত ও আমদানি করা মুঠোফোনের ব্যবহার বন্ধের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আহরণ নিশ্চিত করা, ব্যবহৃত মুঠোফোনের চুরি ও অবৈধ ব্যবহার রোধ এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সহায়তা দেওয়া।

মোবাইল ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বিটিআরসি জানায়, মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে মেসেজ অপশন থেকে KYD ও ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর লিখে (উদাহরণ স্বরূপ KYD 123456789012345) ১৬০০২ নম্বরে পাঠানোর মাধ্যমে হ্যান্ডসেটের বৈধতা যাচাই করে ক্রয় করতে হবে।

এছাড়া বৈধভাবে বিদেশ থেকে ব্যক্তিগতভাবে সংগ্রহ করা অথবা ক্রয় করা অথবা উপহার পাওয়া অনুমোদিত মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহারের পূর্বে www.neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন শেষ করতে হবে।

পাশাপাশি কোনো আমদানিকারক/স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট সংযোজন ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অবৈধ হ্যান্ডসেট উৎপাদন বা আমদানি না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে বিটিআরসি।

কোনো বিক্রেতা অবৈধ হ্যান্ডসেট বিক্রি করলে ক্রেতার দাবি অনুযায়ী হ্যান্ডসেটের মূল্য ফেরত দিতে হবে। অবৈধ হ্যান্ডসেট উৎপাদন/আমদানি/ক্রয়/বিক্রি করলে টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

SHARE