রাজশাহীতে গ্রেনেড হামলা দিবস পালিত

26
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে প্রতিবাদ সমাবেশে রাসিক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

স্টাফ রির্পোটার : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে শনিবার বিকাল ৫টায় সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে গ্রেনেড হামলায় শহীদদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সভাপতি ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি শাহীন আকতার রেনী।

সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ডাবলু সরকার। আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, যুগ্ম সম্পাদক আহ্সানুল হক পিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইসতিয়াক আহম্মেদ লিমন, নগর যুবলীগ সভাপতি রমজান আলী, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক জেডু সরকার, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম।

এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ হচ্ছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনা’র বক্তব্য শেষ হওয়ার পরই সেখানে ভয়ঙ্কর শব্দে গ্রেনেড বিস্ফোরণ হয়। প্রতি দশ মিনিটের ব্যবধানে সেখানে একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণ হয়। ঘাতক দল সেদিন আরেকবার ৭৫এর ১৫ আগস্ট রচনা করতে চেয়েছিলো। তারা আওয়ামী লীগকে এ দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলো। কিন্তু তাদের উদ্দেশ্যে সফল হয়নি। মহান আল্লাহ্র অশেষ রহমতে সেদিন দেশরত্ন শেখ হাসিনা বেঁচে যান। কিন্তু আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী সেদিন শহীদ হয়। আমি তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। এই গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হলো তারেক জিয়া। খালেদা জিয়ার নির্দেশে তারেক জিয়া সেদিন গ্রেনেড হামলা করিয়েছিলো। তারেক জিয়াকে অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে এনে ২১ আগস্টের রায় কার্যকর করার দাবী জানাচ্ছি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আসিফ নজরুলের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে রাসিক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মীরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, তারা কখনো দেশ ছেড়ে যাবে না, রক্ত দেবে, লড়াই করবে, দেশ ছেড়ে পালাবে না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি জাতি, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছেন, আমাদের পিতা দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন। আগামীতে দেশকে নিয়ে আর যদি কেউ ষড়যন্ত্র করে, তাহলে তাদের শেষ দেখে ছাড়বো আমরা। বিএনপি-জামাতের বিষদাঁত ভেঙ্গে দেওয়া হবে।

তিনি আরো জানান, মহামারি করোনাতে সারাদেশের ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের দফায় খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তায় দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি জনগণের জন্য বিনামূল্যে ভ্যাকিসিনের ব্যবস্থা করেছেন। দেশ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়েছে। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বক্ষেত্রে দেশের উন্নয়ন করছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ-জনগণ সেটি বুঝতে পেরেছে। তাই আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকেই জনগণ বিজয়ী করবে।

মোঃ ডাবলু সরকার বলেন, ২০০৪ সালের আজকের এই দিনে জননেত্রী শেখ হাসিনা’র প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য শেষ করার পর সেখানে বৃষ্টির মতো গ্রেনেডের বর্ষণ হয়। সেদিন আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী শহীদ হয়। মহান আল্লাহ্র অশেষ রহমতে বেঁচে যান দেশরত্ন শেখ হাসিনা। এই গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকারী তারেক জিয়া বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছে। এই তারেক জিয়াকে দেশে ফিরিয়ে এনে ২১ আগস্টের রায় কার্যকর করার দাবী জাানচ্ছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরে সৈয়দ শাহাদত হোসেন, বদরুজ্জামান খায়ের, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আসলাম সরকার, কৃষি সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, দপ্তর সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম বুলবুল, প্রচার সম্পাদক দীলিফ কুমার ঘোষ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফিরোজ কবির সেন্টু, ধর্ম সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, মহিলা সম্পাদিকা ইয়াসমিন রেজা ফেন্সি, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মকিদুজ্জামান জুরাত, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনসারুল হক, শ্রম সম্পাদক আব্দুস সোহেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কামারউল্লাহ সরকার কামাল, উপ-প্রচার সম্পাদক সিদ্দিক আলম, সদস্য অ্যাড. মোজাফফর হোসেন, নজরুল ইসলাম তোতা, শাহাব উদ্দিন, আশরাফ উদ্দিন খান, আতিকুর রহমান কালু, হাফিজুর রহমান বাবু, আব্দুস সালাম, তোজাম্মেল হক বাবলু, মজিবুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, বাদশা শেখ, আলিমুল হাসান সজল, খায়রুল বাশার শাহীন, মোখলেশুর রহমান কচি, কে.এম জুয়েল জামান, আশীষ তরু দে সরকার অর্পণ, বোয়ালিয়া (পশ্চিম) থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান রতন, বোয়ালিয়া (পূর্ব) থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, মতিহার থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজালাল, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য মালিহা জামান মালা, ইপফাৎ আরা কামাল, নগর কৃষক লীগ সভাপতি রহমতুল্লাহ সেলিম, সাধারণ সম্পাদক সাকের হোসেন বাবু, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আব্দুল মোমিন, নগর মহিলা লীগ সভাপতি সালাম রেজা, সাধারণ সম্পাদক কানিজ ফাতেমা মিতু, নগর যুব মহিলা লীগ সভাপতি অ্যাড. ইসমত আরা, নগর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ডাঃ সিরাজুম মুবিন সবুজ সহ নেতৃবৃন্দ।

SHARE