মনাকষার ১৭টি অসহায় পরিবার পেল জমি সহ নতুন বাড়ি

19

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি : আমরা ৮টি পরিবার দীর্ঘ ২০টি বছর ধরে বাড়িঘর ছাড়া যাযাবরের ন্যায় মনাকষা বাজারের মানবেতর জীবন যাপন করেছি। মানবতার মা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের মত অসহায় পরিবারগুলোকে জমি সহ বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করি যেন তিনি সুস্থ থাকেন এবং আরো অনেক দিন সৃষ্টিকর্তা তাকে ক্ষমতায় রাখুক।

যাতে করে আমাদের মত অসহায় পরিবারগুলোর তার অসিলায় খাদ্য, বাসস্থান , চিকিৎসা, বস্ত্র সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান পায়। রবিবার দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাকিব আ লরাব্বী মনাকষা বাজার সংলগ্ন আশ্রয়ন প্রকল্প ২ এর অধিনে অসহায় ১৭টি পরিবারের মাঝে বাড়ি হস্তান্তর করার সময় কথাগুলো বললেন মনাকষা বাজারে ২০ বছর ধরে খোলা মার্কেটে বসবাস কারী দলিত হরিজন রবিদাস সম্প্রদায়ের ঝুন্টু ভকত। তিনি বলেন আমরা আগে আমাদের নিজস্ব জমিতে বাস করতাম । কিন্তু ভূমিদস্যুরা আমাদের সেই জমিটুকু বিভিন্ন কায়দায় দখল করে নেয়ায় আমরা আটটি পরিবার খোলা মার্কেটে ২০ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলাম।

আজ আমাদের আত্মা শান্তি পেল শেথ হাসিনার দেয়া জমি সহ নতুন বাড়িতে উঠতে পেয়ে। শুধু ঝুন্টু নয়, মুসলমানদের মধ্যে আরো ৯টি পরিবারের একই ভাষ্য। তারা সকলেই মহা খুশী। যেন আকাশের চাঁদ পেলো তারা। তারা সকলে মহান সৃষ্টি কর্তার কাছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাকিব আ লরাব্বী ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন অফিসার আরিফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য দোয়া করেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার আরিফুল ইসলাম, মনাকষা ইউপি চেয়ারম্যান মির্জা শাহাদাৎ হোসেন খুররম, ইউপি সচিব আব্দুর রাকিব, ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ, মনাকষা ইউনিয়ন ভুমি অফিসের কর্মকর্তা মফিজুল হক ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডর মনাকষা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মাহবুবুর রহমান মিজান।

বাড়ি হসান্তরের সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাকিব আ লরাব্বী তাদের সমস্যার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং সেগুলি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। যেমন দ্রুত টয়লেটের ব্যবস্থা, ভকত সম্প্রদায়ের জন্য তিনটি টিউবওয়েল, মাটি ভরাট ও পানি নিষ্কাশনের জন্য দ্রুত ড্রেনের ব্যবস্থা ও ১৭টি পরিবারের জন্য বিদ্যুতের ব্যবস্থা ইত্যাদি। বাড়ি হস্তান্তরের পর তিনি মনাকষা বাজার প্রদর্শন করেন এবং সমস্যগুলি চিহ্নিত করেন তা সমাধানের আশ্বাস দেন।

SHARE