নাসুমের রঙিন,শরিফুলের তেতো অভিষেক

45

স্পোর্টস ডেস্ক : অপেক্ষার প্রহর যেনো ফুরাচ্ছিল না নাসুম আহমেদের। জাতীয় দলে প্রথমবার ডাক পেয়েছিলেন গত বছরের মার্চে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে। সেই সিরিজে মাঠে নামা হয়নি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজও দেখেছেন ডাগআউটে বসে। অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে রোববার জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামলেন। এই বাঁহাতি স্পিনারের অভিষেকটা হয়েছে রঙিন। তবে আরেক অভিষিক্ত শরিফুল ইসলামের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলার শুরুটা হয়েছে ভুলে যাওয়ার মতো।

হ্যামিল্টনে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। বোলিংয়ের শুরুটা নাসুমকে দিয়েই করান অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ।
ইনিংসের প্রথম ওভারের শেষ বলে ফিন অ্যালেনকে বোল্ড করেন নাসুম। অ্যালেনেরও ছিল প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। নিউজিল্যান্ড ইনিংসের সপ্তম ওভারে নাসুম তুলে নেন অভিজ্ঞ মার্টিন গাপটিলের উইকেট। নিউজিল্যান্ড স্কোরবোর্ডে ২১০ রান তুললেও নাসুম ছিলেন দুর্দান্ত। ৪ ওভারে ৩০ রানে ২ উইকেট বাংলাদেশের সেরা। নাসুমের বর্ণিল অভিষেকের বিপরীত চিত্র শরিফুল ইসলামের ক্ষেত্রে। নিউজিল্যান্ডে যুব বিশ্বকাপজয়ী এই পেসারের রেকর্ড মন্দ নয়। ২০১৯ সালে নিউজিল্যান্ডে তাদের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের যুব ওয়ানডে সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন শরিফুল (১১ উইকেট)। প্রায় দুই বছর পর নিউজিল্যান্ডে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখলেন সম্ভাবনাময় এই পেসার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শরিফুলের করা প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকান গাপটিল। ২১ বছর বয়সী এই পেসার নিজের বোলিং স্পেলের শেষ বলেও দিয়েছেন ৪ রান। ৪ ওভারে ৫০ রান দিয়ে অনাকাক্সিক্ষত রেকর্ড সঙ্গী হয়েছে এই বাঁহাতি পেসারের। অভিষেক টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবার বাংলাদেশের কেউ ৫০ রান গুনলেন। আগের রেকর্ডটি ছিল রুবেল হোসেনের। ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ৪ ওভার ৪৯ রান দিয়েছিলেন রুবেল। অভিষেকে সবচেয়ে খরুচে বোলিংয়ের বিশ্বরেকর্ড জেমস অ্যান্ডারসনের। ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়া বিপক্ষে সিডনিতে ইংলিশ পেসারের ৪ ওভার থেকে এসেছিল ৬৪ রান।

SHARE