রামেবি হবে উত্তরাঞ্চলের মাইলফলক : মেয়র লিটন

200

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, রাজশাহী মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এরমধ্যেই কাজ শুরু হয়ে গেছে। এই মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় উত্তরাঞ্চলের জন্য মাইলফলক হবে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মহানগরীর একটি রেস্টুরেণ্টে রাজশাহী মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী বায়োএথিক্স কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, বর্তমান সরকার সাড়ে ১৩ হাজার হেলথ ক্লিনিকের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা পৌছে দিয়েছে। এটি বিশে^র মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত। আমাদের দেশের চিকিৎসকরা অনেক যোগ্য ও দক্ষ। এদেশের বিশ^মানের চিকিৎসক আছেন। তিনি বলেন, কিছু কিছু সূচকে আমরা ভারতের চেয়েও এগিয়ে আছি। বিশেষ করে স্যানিটেশনে। আশা করছি চিকিৎসাক্ষেত্রেও আমরা অনেক এগিয়ে যাব। এতে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মেডিকেল বিশ^বিদ্যায়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মাসুম হাবিব। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেগম বদরুন্নেসা এবং ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রামেবির প্রিভেনটিভ এন্ড সোস্যাল মেডিসিন অনুষদের ডিন ও কর্মশালা কমিটির সভাপতি ডা. মোহা. জাওয়াদুল হক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ডা. ওবাইদুল্লাহ ইবনে আলী। কর্মশালার প্রথমপর্বে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রখ্যাত গাইনোকোলজিস্ট অবস্ট্রাটিশিয়ান ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ডা. টি.এ চৌুধুরী, প্রখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী, ঢাকা মেডিকেল কলেজের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. এমএ ওয়াদুদ চৌধুরী ও বারিন্দ মেডিকেল কলেজের সার্জারী বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মনজুরুল হক। এরআগে জাতীয় ও মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়িয়ে ওয়ার্কশপের উদ্বোধন করেন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। সভাপতির বক্তব্যে রামেবি উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মাসুম হাবিব বলেন, বাংলাদেশে বায়োএথিকসের উপর কর্মশালা এটাই প্রথম। এ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের মতামত সুপারিশ আকারে গ্রহণ করা হবে এবং তা সরকারের উচ্চ পর্যায়েও পাঠানো হবে। প্রসঙ্গত, দু’দিনের এ কর্মশালায় রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের ৩০টি সরকারী-বেসরকারী মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ ও ইউনানী মেডিকেল কলেজের ৮০ জন অধ্যাপক অংশগ্রহণ করছেন।

SHARE