তাসকিনে মুগ্ধ ‘সাবেক সতীর্থ’ ইলিয়ট

36

স্পোর্টস ডেস্ক : ইনজুরি, বাজে ফর্মে গত দুই-আড়াই বছর ধুঁকতে হয়েছে তাসকিন আহমেদকে। করোনার লম্বা বিরতিতে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেকে গড়েছেন নতুন করে। ফিরে পেয়েছেন হারিয়ে যাওয়া গতি। যোগ হয়েছে নিয়ন্ত্রণ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে শেষ ওয়ানডে ম্যাচে দেখা গিয়েছিল ঝলক। ধারা বজায় রয়েছে নিউজিল্যান্ডেও। ডানেডিন, ক্রাইস্টচার্চে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা আর বাজে ফিল্ডিংয়ে চাপা পড়ে তাসকিনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। শুক্রবার সিরিজের শেষ ওয়ানডেতেও দুর্বার গতি ও সঠিক লাইন-লেংথে বল করে কিউই ব্যাটসম্যানের ভোগান্তিতে রাখেন তাসকিন আহমেদ।
আর এসময় ধারাভাষ্য মাইক হাতে তাসকিনের প্রশংসা ঝরে ‘সাবেক সতীর্থ’ গ্রান্ট ইলিয়টের কণ্ঠে।

শুক্রবার ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে টস হেরে বোলিং করে বাংলাদেশ দল। ১৪০ কিলোমিটারের আশেপাশে গতির সঙ্গে নিয়ন্ত্রিত আগ্রাসন, মুভমেন্ট, বাউন্স। নিজের শুরুর ৭ ওভারে ২৯ রান খরচায় ১ উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ। পরিসংখ্যান হয়তো তাসকিনের বোলিংয়ের আসল গল্পটা বলছে না। সাবেক কিউই ক্রিকেটার গ্রান্ট ইলিয়টও ধারাভাষ্যে বলছিলেন একই কথা, ‘কি স্পেলটাই না করলো তাসকিন। ২৯ রানে ১ উইকেট কিন্তু ব্যাখ্যা করে না সে কতো ভালো বোলিং করেছে। শুধু আজ নয়, তাসকিন পুরো সিরিজেই ছিলেন দুর্ভাগা। দারুণ বোলিং করেছে সে।’

ইলিয়ট স্মরণ করলেন তাসকিনের প্রথম নিউজিল্যান্ড সফরের কথা। ২০১৬-১৭ মৌসুমের বাংলাদেশ দলের নিউজিল্যান্ড সফরে তাসকিনের গতি ও লাইন-লেংথ ছিল এলোমেলো। পাঁচ বছর পর গল্পটা ভিন্ন।

তাসকিনের সঙ্গে বিপিএল খেলার অভিজ্ঞতা আছে ইলিয়টের। ধারাভাষ্য দিতে গিয়ে ইলিয়ট শেয়ার করেন সেই অভিজ্ঞতা। ২০১৫ বিশ^কাপের সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের জয়ের নায়ক গ্রান্ট ইলিয়ট বলেন, ‘সে (তাসকিন) হার পছন্দ করে না। আমি তাকে দেখেছি চিটাগং ভাইকিংসে খেলার সময়। দল হারলে সে চিন্তা করে সে কিভাবে আরেকটু ভালো করলে দলও ভালো করতো। এই সিরিজে তাকে ভালো করতে দেখে আমার ভালো লাগছে।’

SHARE