জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর অনুসৃত-সকলের সাথে বন্ধুত্ব : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

35

নাটোর প্রতিনিধি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এম.পি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর অনুসৃত-সকলের সাথে বন্ধুত্ব-এই পররাষ্ট্র নীতিতে পথ চলছে বাংলাদেশ। বিগত ১১ বছর ধরে আমাদের দেশ গড়ে সাত শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ প্রবৃদ্ধির দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। অর্থনৈতিক কূটনীতির সফলতার কারণেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।
তিনি শনিবার দুপুরে নাটোর সার্কিট হাউজে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
এর আগে মন্ত্রী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সহযোগে নাটোরের উত্তরা গণভবন ও রাণী ভবানী রাজবাড়ি পরিদর্শন করেন।
নাটোরের জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজের সভপত্বিতে এ মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, জেলা আওয়ামী-লীগের সাধারন সম্পদক ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম শিমুল,
নাটোর-১ আসনের ( লালপুর-বাগাতিপাড়া) সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম, নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, অতিরিক্ত সচিব মো. শামসুল হক, মো. সাব্বির আহমদ চৌধুরী ও সৈয়দ মাসুদ মাহমুদ খন্দকার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এফ এম বোরহান উদ্দিন, খন্দকার মো. তালহা, মো. নজরুল ইসলাম, মো. তারিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ, মেহেদী হাসান, নাটোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, অ্যাড. সাজেদুর রহমান খাঁন, নাটোর পৌর সভার মেয়র উমা চৌধুরী জলি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক জুবায়ের, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর অনুসৃত-সকলের সাথে বন্ধুত্ব-এই পররাষ্ট্র নীতিতে পথ চলছে বাংলাদেশ। সকলের সাথে বৈরীতা পরিহার করে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। আমাদের লক্ষ্য বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করে অর্থনৈতিক কূটনীতির সুফল অর্জণ করা। করোনাকালীন স্থবির সময়েও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশ থেকে করোনা প্রতিরোধ ও চিকিৎসার মেডিকেল সরঞ্জামাদি রপ্তানির সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৮০ লাখ পিপি পাঠানো হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও গতিশীল নেতৃত্বের কারনে দেশ দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের সর্বাধিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি দারিদ্র বিমোচনেও আমরা অগ্রগামী। ইতোমধ্যে গত ১১ বছরে দেশের দারিদ্রসীমা অর্ধেক হ্রাস পেয়ে ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। আগামী পাঁচ বছরে আরো পাঁচ শতাংশ হ্রাস পাবে। পর্যায়ক্রমে দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ উন্নয়নের পথপরিক্রমায় ২০৪১ সালে বঙ্গবন্ধুর চির কাংখিত সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত হবে।

SHARE