স্থিতিশীল সবজি, বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

132

স্টাফ রিপোর্টার : সপ্তাখানেক থেকে পেঁয়াজের বাজার বেশ অস্থির। সরকারিভাবে টিসিবির মাধ্যমে জনপ্রতি এক কেজি করে পেঁয়াজ বিক্রির পরে বাগে আসছেনা পেঁয়াজের বাজার। তার পরেও প্রতি কেজি দুশোর উপরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে। পুরোদমে আসলে কিছুটা কমবে পেঁয়াজের দাম। রাজশাহীর বাজারে পেঁয়াজ দাম ২১০ থেকে ২৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়। রসুন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা ও আদা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে। গতকাল শুক্রবার রাজশাহীর বাজারে এমন দামে বিক্রি হয়েছে পেঁয়াজ।
পেঁয়াজ কিনতে আসা সালেহা বেগম বলেন, টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রির পরেও কমছেনা দাম। আমদানিরও খবর দেখা যাচ্ছে টেলিভিশনে। বাজার মনিটরিং দরকার।
অন্যদিকে, বাজারে প্রতিকেজি মূলা ২০ থেকে ২৫ টাকা, বাধাকপি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, শিম ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, নতুন লাল আলু ৮০ থেকে ৯০ টাকা। এছাড়া ধনেপাতা ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, গাজর ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, টমেটো ৭০ থেকে ৮০ টাকা, শসা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, পেঁপে ১৮ থেকে ২০ টাকা, মরিচ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, সাদা আলু ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, ঢেঁড়স ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
সবজি বিক্রেতা ফয়সাল জানান, কয়েকদিনের মধ্যে দাম কমেনি। শুধু কাঁচা মরিচ কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। এছাড়া নতুন পেঁয়াজ বাজারে পুরোদমে আসলে কমতে পরে দাম।
তবে বাজারে মাছের দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা। বেশির ভাগ মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
মাছ ব্যবসায়ী রমজান আলী জানান, রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে প্রতিকেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে। এছাড়াও বোয়াল ২০০ থেকে ২২০ টাকা, বড় চিংড়ি মাছ ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা, মাঝারি চিংড়ি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, চিতল ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা, বাসপাতা ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, নাইলোটিকা (তেলাপিয়া) ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, গুচি মাছ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, মিরকা ১৩০ টাকা, মিগেল ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, বাটা ২০০ থেকে ২১০ টাকা, কই ১৬০ টাকা, সিং ৪৪০ থেকে ৪৫০ টাকা, শোইল ৪০০ টাকা, গ্লাসকাপ ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া বাজারে দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১২০, সোনালি ২২০ টাকা, লেয়ার ১৬০ টাকা, হাঁস ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা, রাজহাঁস ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫২০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চাল ব্যবসায়ী ‘আবদুল মান্নান স্টোর’ মালিক মান্নান জানান, আতব চাউল প্রতিকেজে ৯৫ টাকা, মিনিকেট ৫৫ টাকা, আঠাশ ৪৫ টাকায়, জিরাশাল ৫২টাকা, বাসমতি ৬০ টাকা, পায়জাম ৬০ টাকা, নাজিরশাল ৬০ টাকা, কাটারি ভোগ ৭৫ টাকা, কাজল লতা ৫৫ টাকা, স্বর্ণা ৬২ টাকা, কালজিরা ৮৫ টাকা, চিনাগুড়া ৯০ টাকা, রাধুনী ৮০ টাকা।

SHARE