টিসিবি’র পেঁয়াজেও কমছে না দাম

119

স্টাফ রিপোর্টার: নানা পদক্ষেপ নেয়ার পরও পেঁয়াজের দাম কেন কমছে না, তা এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। এতে এটাই স্পষ্ট, তদারকি জোরদার করা না হলে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধ হবে না। ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ রাখলেও বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্যটির আমদানি অব্যাহত রয়েছে। রাজশাহী মহানগরীতে ৪৫ টাকা কেজি দরে টিসিবি পেঁয়াজ বিত্রিু করছে দুইদিন যাবত। তারপরেও থামছে না পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির পাগলা ঘোড়া। ৩দিন যাবত লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বৃদ্ধি পেয়ে গতকাল আবারো কেজিপ্রতি ২৪০ টাকায় পৌঁছেছে। টিসিবির রাজশাহী আঞ্চলিক অফিস জানিয়েছে, নগরীর সাহেববাজার বড় মসজিদ চত্বর, লক্ষ্মীপুর মোড়, আমচত্বর, জেলা প্রশাসাকের কার্যালয়ের সামনে এবং রেলগেট এলাকায় টিসিবির ডিলারের মাধ্যমে দুইদিন যাবত পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি ট্রাকে একদিনের জন্য এক টন করে (২৫ কেজির ৪০ বস্তা) পেঁয়াজ দেয়া হচ্ছে। একজন সর্বোচ্চ এক কেজি করে পেঁয়াজ কিনতে পারছেন। এরপরেও পেঁয়াজের দাম না কমে বরং বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কমে প্রতিকেজি ১৫০ টাকায় নেমেছিল। গত ৩দিনে সেই দাম বৃদ্ধি পেয়ে গতকাল আবারো ২৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গতকাল প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ ২৩০ থেকে ২৪০ এবং আমদানি করা ২১০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া নতুন পেঁয়াজ ২শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। টিসিবি’র পেঁয়াজ বাজারে থাকার পরেও দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতারা হতভম্ব। এই পেঁয়াজের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। রাজশাহী জেলা বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা বলেন, বাজারে সরবরাহ কম থাকায় আবারো পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। টিসিবি পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছে। আগামী সপ্তাহে আমদানি করা ও নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসলে দাম কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। টিসিবির রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান প্রতাপ কুমার বলেন, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নগরীর ৫টি পয়েন্টে প্রতিদিন ১ হাজার কেজি করে ৫ হাজার কেজি পেঁয়াজ বিক্রি চলবে। পর্যাপ্ত পেঁয়াজের মজুদ আছে। গতকাল থেকে নাটোরে ২টি ট্রাকে পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে। রাজশাহী বিভাগের বাকি ৬টি জেলাতেও ২টি করে ট্রাকে ২ হাজার কেজি করে পেঁয়াজ বিক্রির পরিকল্পনা আছে বলে জানান টিসিবির এই কর্মকর্তা।

SHARE