প্রেম-বিয়ে সামনে এনে আলোচনায় আসতে চাই না : কুসুম শিকদার

অনলাইন ডেস্ক : দেশের একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কুসুম শিকদার। অভিনয় ছাড়াও তার পরিচিতি রয়েছে মডেল, গায়িকা এমনকি লেখক হিসেবেও। তার জীবনে দীর্ঘ সময়ের ক্যারিয়ারে তার ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ কখনোই প্রকাশ্যে আনেননি এই অভিনেত্রী। শোবিজ অঙ্গনে পা রাখার পর নিজের প্রেম, বিয়ে নিয়ে কোনো গুজব সৃষ্টি হতে দেননি। বরং, সর্বদা নিজের ক্যারিয়ারের ওপরেই মনোযোগ দিয়েছেন তিনি।

দর্শকদের কাছে সবসময় নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করে গেছেন কুসুম শিকদার। নিজের দামটা ধরে রাখার জন্য করেছেন সর্বোচ্চ চেষ্টা। সে জন্য নিজের কাজকে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্ব দিয়েছেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কুসুম বলেছেন, দর্শকদের মনে জায়গা তৈরি করতে কাজ দেখানোই প্রয়োজন। এর বাইরে অন্যকিছু আলোচনায় আসলে তখন মূল কাজেই লক্ষস্থির করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে মনে করেন অভিনেত্রী। তার কথায়, ‘আমি চাইনি ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে পেশাগত জীবনকে এক করতে। কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিষয় আলোচনায় চলে আসলে তখন ক্যারিয়ারের ওপর লক্ষ্য রাখাই কঠিন হয়ে যায়। আর এ কারণেই এ বিষয়ে সচেতন ছিলাম। হয়তো এ জন্যেই অভিনয় বা গানের আলাদা একটা দর্শক তৈরি হয়েছে, এটাই পাওয়া।’

আরও পড়ুনঃ   হাসপাতালে শয্যাশায়ী ভিকি-অঙ্কিতা! কী হলো তারকা দম্পতির?

প্রেম-বিয়েসহ নানা ব্যক্তিগত ঘটনা সামনে এনে ইদানীং অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করে ভাইরাল হওয়ার ঘটনা ঘটছে। এ প্রসঙ্গকে নেতিবাচক হিসেবে তুলে ধরেন কুসুম। তিনি মনে করেন, ঘরের কথা বাইরে প্রকাশ করা ভালো কিছু নয়। তার কথায়, ‘এভাবে যারা ভাইরালের পথে হাঁটেন, তারা নিজেরাই নিজেদের ছোট করছেন।’

 

কুসুম শিকদার বলেন, ‘আমার বিয়ে, প্রেম, বন্ধুত্ব, পরিবার, এসব সামনে এনে আলোচনায় আসতে চাই না। এগুলোকে আমি লো প্রোফাইলে রেখেছি। শুধু একজন শিল্পী হিসেবে কাজের জন্য ভক্তদের কাছ থেকে ভালোবাসা পেতে চাই।’

আরও পড়ুনঃ   ফের কলকাতার ছবিতে বাঁধন

 

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত হয় কুসুমের প্রথম একক অ্যালবাম ‘তুমি আজ কতো দূরে’। ২০০০ সালে মিক্সড অ্যালবাম ‘জীবনের যতো পাওয়া’ এবং ২০০১ সালে ‘অদল বদল’-এ কণ্ঠ দেন তিনি।

এরপর ২০০২ সালে ‘লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার পর একের পর এক নাটক ও বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করতে থাকেন কুসুম শিকদার। অভিনয় করেন তিনটি সিনেমায়ও—‘লাল টিপ’, ‘গহীনে শব্দ’ ও ‘শঙ্খচিল’।

শেষ সিনেমার জন্য ২০১৬ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পান। তবে অনেক দিন ধরেন মিডিয়া বাইরে ছিলেন তিনি।