ভাঙ্গায় চেয়ারম্যান পদে স্বামী-স্ত্রীর লড়াই

স্টাফ রিপোর্টার ফরিদপুর : ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বামী-স্ত্রী। ১৩ মে প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে স্বামী প্রচারণা শুরু করলেও স্ত্রীর প্রচারণা সেভাবে চোখে পড়েনি।

ওই স্বামীর নাম মোখলেসুর রহমান সুমন। তার স্ত্রী লোপা রহমান। সুমন উপজেলা আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক।

মোখলেসুর রহমান সুমন ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের ঈশ্বরদী গ্রামের হাজী ইরফান উদ্দিন মাতুব্বরের ছেলে। তার নির্বাচনী প্রতীক ঘোড়া। আর স্ত্রী লোপা রহমান চান্দ্রা ইউনিয়নের পুলিয়া মণ্ডলবাড়ি গ্রামের রাধেশ্যাম মণ্ডলের মেয়ে। তিনি আনারস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আগামী ২৯ মে ভাঙ্গা উপজেলায় ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে অপর তিন প্রার্থী হলেন- কাওছার ভূইয়া, লায়ন মো. সহিদুল ইসলাম ও মাইনুল ইসলাম খান।

আরও পড়ুনঃ   স্বামীর বিরুদ্ধে চুরির সাক্ষ্য দিতে চাওয়ায় স্ত্রীকে হত্যা

স্থানীয় রাজনীতি সচেতন ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মূলত লোপা তার নির্বাচনী প্রতীক আনারস বাদ দিয়ে স্বামীর ঘোড়া প্রতীকে ভোট চাচ্ছেন। স্বামীর ডামি প্রার্থী হিসেবে সুমনই দাঁড় করিয়েছেন বলে স্থানীয় রাজনীতি সচেতন ব্যক্তিদের অভিমত।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মোখলেসুর রহমান সুমন বলেন, আমার স্ত্রী তার জনসমর্থনে নির্বাচন করছে। আমি তাকে উৎসাহ বা বাধা কিছুই দিইনি। যেহেতু সে এই উপজেলারই মেয়ে সেই হিসেবে নির্বাচন করতে পারা তার গণতান্ত্রিক অধিকার।

আরও পড়ুনঃ   আগুনে পুড়ে গেছে লন্ডন এক্সপ্রেসের ১৪টি বাস

স্ত্রীর প্রচারণার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার সমর্থকদের নিয়ে আমি প্রচারণা চালাচ্ছি, স্ত্রী তার সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। নির্বাচনে স্ত্রী বিজয়ী হলে তাকে সাদরে গ্রহণ করে নেব।

ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউল হক খান বলেন, স্বামী-স্ত্রীসহ চেয়ারম্যান পদে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।