রাজশাহীতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার শীর্ষক অ্যাডভোকেসী সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার : কারিতাস রাজশাহী অঞ্চলের আলোকিত শিশু প্রকল্পের আয়োজনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার শীর্ষক এ্যাডভোকেসী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকালে রেভা. ফাদার এফ. চেস্কাতো সম্মেলন কক্ষে কারিতাস জার্মানীর সহযোগিতায় এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কারিতাস রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ডেভিড হেমব্রম এঁর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ) টুকটুক তালুকদার।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোছা. হাসিনা মমতাজ, আলোকিত শিশু প্রকল্পের উপদেষ্টা লি ম্যেকুইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. আলমগীর হোসেন।

মুক্ত আলোচনায় অংশ গ্ৰহণ করেন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন, কাউন্সিলর কামরুজ্জামান কামরু, আপস-এর নির্বাহী পরিচালক পল্টু, নগর পরিকল্পনাবিদ বনি আহসান, বাসস এর সিনিয়র রিপোর্টার ড. আয়নাল হক। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. মনজুর কাদের, সোনার দেশ পত্রিকার সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, রাজশাহী সিএমএম কোর্টের প্রবেশন অফিসার মো. আতিকুর রহমান।

আরও পড়ুনঃ   নগরীতে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার ২ আসামি গ্রেপ্তার

আলোকিত শিশু প্রকল্প থেকে উপকৃত হয়েছে নগরীর অজয় রবি দাস। তিনি জীবনের সাফল্যের কথা জানান, আমি নগরীর বাগান পাড়া এলাকায় থাকি। সঙ্গদোষে আমি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু আলোকিত শিশু প্রকল্পের মাধ্যমে আমি নেশার মত অন্ধকার জগৎ থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছি। এর মাধ্যমে আমি কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছি। এখন প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা আয় করছি এবং পরিবারকে সহযোগিতা করছি।

আরও পড়ুনঃ   রাজশাহীতে ভূমিসেবা সপ্তাহের উদ্বোধন

ফারহানা আক্তার তৃণা জানান, হড়গ্রাম রেললাইনের ধারে অবস্থিত বস্তিতে থাকি। আমরা সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা যোগ্য নাগরিক হিসেবে বাঁচাতে চাই।
আলোচনায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, জাতি গঠনের মূল ভিত্তি শিশু। আজকে শিশুরাই ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেবে। শিশুর সার্বিক বিকাশ সুনিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দক্ষ নাগরিক হিসেবে শিশুকে গড়ে তোলা সম্ভব। একজন দক্ষ নাগরিকই পারে সুখী, সমৃদ্ধ ও সোনার বাংলা গড়তে। এক্ষেত্রে আদর্শবান শিশুরাই সমৃদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠার মূল হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। তাই শিশুকেই গড়ে তুলতে হবে আগামী প্রজন্মের যোগ্য নাগরিক হিসেবে।