তুরস্ক বাণিজ্য বন্ধ করায় ‘বড় বিপদে’ পড়তে যাচ্ছে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যতদিন বর্বরতা বন্ধ না করা হবে ততদিন ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্ক। গত ২ মে থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে দেশটি।

তুরস্ক বাণিজ্য বন্ধ করার তিনদিনের মাথায় ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ক্যালকালিস্ট জানিয়েছে, তুরস্কের এই বাণিজ্য বয়কটের প্রভাব আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই পড়া শুরু হবে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, তুরস্কের এই সিদ্ধান্তের কারণে ইসরায়েলে মৌলিক পণ্য, খাদ্য পণ্য এবং বাড়িঘরের দাম বেড়ে যাবে।

আরও পড়ুনঃ   কেনিয়ায় ব্যাপক সরকারবিরোধী আন্দোলন, ৩৯ জনের মৃত্যু

ইসরায়েলি এ সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, তুরস্ক বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার পর ইসরায়েলি সরকার বেশ অবাক হয়েছে। কারণ তারা ভেবেছিল তুরস্ক বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিলেও; এটি কখনো কার্যকর করবে না। কিন্তু তাদের অবাক করে দিয়ে তার্কিস প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেন।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্কের বিকল্প বের করতে লম্বা সময় প্রয়োজন হবে। সঙ্গে নতুন করে চুক্তিও করতে হবে। এমনকি বিকল্প কোনো দেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও পণ্যের দাম বেশিই থাকবে।

আরও পড়ুনঃ   ঈদেও মুক্তি নেই গাজার বাসিন্দাদের

পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির এই ভার সাধারণ ইসরায়েলিদেরই বহন করতে হবে। যারা যুদ্ধের কারণে ইতিমধ্যে আগের তুলনায় বেশি দাম দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনছেন।

তুরস্কের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে ইসরায়েলি নির্মাণ শিল্পের ওপর। সঙ্গে অটোমোবাইল খাতেও এটির প্রভাব পড়বে। কারণ বেশিরভাগ অটোমেকাররা জনপ্রিয় সব গাড়িগুলো তুরস্ক থেকে ইসরায়েলে নিয়ে আসে।