সর্বশেষ ::
নারীর ক্ষমতায়নে পুনাককে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান ড. রেবেকা সুলতানার নাম থেকে স্বামীর চিহ্ন মুছে ফেললেন মাহি রাজশাহী ফটো জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরএমপি’র কমিশনারসহ ৪০০ জনকে পদক পরালেন প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল রাজপাড়া থানা পুলিশ রাজশাহী এডিটরস ফোরামের কমিটি গঠন আরটিজেএ নির্বাচন : সভাপতি মেহেদী, সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী নির্বাচিত ২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কথা বলেনি রাজশাহীতে যাত্রা শুরু করছে শহীদ কামারুজ্জামান নার্সিং কলেজ শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যানে চালু হলো দৃষ্টিনন্দন ড্যান্সিং ফোয়ারা

চট্টগ্রামকে জেতালেন ‘কার্টিস ক্যাম্ফার’

  • আপডেট সময় : ০১:২২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ ৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : দিনের বেলায় বিপিএলে রান হয় না, সিলেট পর্বে এসেও এমন মন্তব্য যে কেউ চাইলে করতেই পারতেন। তবে দিনের আলোর সঙ্গে রানের সেই শত্রুতা ভাঙলো শনিবার।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ১৯৩ রানের বিপরীতে ফরচুন বরিশাল নিজেদের ইনিংস টেনে নিল ১৮৩ পর্যন্ত। রান উৎসবের ম্যাচটায় চট্টগ্রাম জিতলো ১০ রানে। বিপিএলে চার ম্যাচে এটি তাদের তৃতীয় জয়।

বরিশালের অবশ্য অতটা ভাল সময় যাচ্ছে না। আজ যদিও জয়টা তারা পেতেই পারতো। তবে এদিন যেন সুপারম্যান হয়ে উঠলেন চট্টগ্রামের আইরিশ ক্রিকেটার কার্টিস ক্যাম্ফার। ব্যাট হাতে শেষদিকে ৯ বলে ২৯ করে ঝড় তুলেছিলেন।

এরপর বরিশালের ব্যাটিং লাইনআপ তছনছ করেছেন। ৩ ওভারে ২০ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। সঙ্গে ছিল ৩ ক্যাচ। বরিশালের ৭ উইকেটের সবখানেই অবদান ছিল তার। বন্দরনগরীর হয়ে ক্যাম্ফারের দিনটাই ছিল অনবদ্য।

অথচ দিনটা হতে পারতো আভিস্কা ফার্নান্দোর। লংকান এই ব্যাটার এবারের বিপিএলে এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানটাই করেছেন। ৫০ বলে ৯১ রানের ইনিংস খেলে তিনিই চট্টগ্রামকে এনে দিয়েছিলেন ১৯৩ রানের বিশাল সংগ্রহ।

কিন্তু, এদিন সেই ইনিংস ছাপিয়ে গেলেন ক্যাম্ফার। বল হাতে চট্টগ্রামের শুরুটা যখন ছিল নাজুজক, তখন ত্রাতা হয়য়ে এসেছিলেন এই আইরিশ মিডিয়াম পেসার।

পাকিস্তানের আহমেদ শেহজাদ এবং বাংলাদেশের তামিম ইকবাল বরিশালকে এনে দিয়েছিলেন উড়ন্ত সূচনা। ৫ ওভারেই ৫০ ছাড়ায় দুজনের জুটি।

চট্টগ্রামের বিশাল লক্ষ্য তখন খুব একটা বড় মনে হয়নি। কিন্তু ৫৫ রানে বিলাল খানের বলে ক্যাম্ফারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শেহজাদ। তাতেও অবশ্য সমস্যা হয়নি।

শেহজাদের পর হাল ধরেছিলেন তামিম। সৌম্যকে নিয়ে ইনিংস বড় করতে থাকেন চট্টগ্রামেরই ছেলে। কিন্তু নিজ বিভাগের দলের সঙ্গে তামিমের ইনিংস লম্বা হয়নি। ৩০ বলে ৩৩ করে আউট তিনি।

বাউন্ডারি লাইনে ক্যাম্ফারের বলে ক্যাচ দেন তিনি। ৯১ রান থেকে ১০১ রান পর্যন্ত এই ১০ রানের ব্যবধানে চার উইকেট হারায় বরিশাল। সবই ক্যাম্ফারের কল্যাণে।

৯১ রানে তামিমের পর ৯২ রানে ফেরেন সৌম্য। একাদশ ওভারেই পতন ঘটে দুই উইকেটের। এক ওভার বিরতি দিয়ে আবার ক্যাম্ফারের জোড়া আঘাত। এবার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর ইয়ানিক কারিয়াহর উইকেট হারায় বরিশাল।

মিরাজকে নিয়ে মুশফিক অবশ্য জয়ের স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন অনেকটা সময় পর্যন্ত। ৫০ পেরুনো জুটি চট্টগ্রামের কপালে ফেলেছিল চিন্তার ভাঁজ।

কিন্তু ১৫২ রানে মিরাজ এবং ১৬২ রানে মুশফিক ফিরে গেল ম্যাচ ঘুরে যায় চট্টগ্রামের দিকে। শেষের হাসিটাও হেসেছে তারাই।

এর আগে লঙ্কান ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্দোর দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে ২০ ওভারে ১৯৩ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে তুষার ইমরানের শিষ্যরা।

আভিস্কা একাই করেছেন ৯১ রান। শেষদিকে অবশ্য রানটাকে দুইশ এর কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছেন আয়ারল্যান্ডের কার্টিস ক্যাম্ফার।

৯ বলে ২৯ রানের ইনিংস চট্টগ্রামকে দিয়েছে শক্ত ভিত। আলো ছড়িয়েছেন এবারের বিপিএলে প্রথমবার ডাক পাওয়া শাহাদাত হোসেন দিপু। ৩১ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামকে জেতালেন ‘কার্টিস ক্যাম্ফার’

আপডেট সময় : ০১:২২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক : দিনের বেলায় বিপিএলে রান হয় না, সিলেট পর্বে এসেও এমন মন্তব্য যে কেউ চাইলে করতেই পারতেন। তবে দিনের আলোর সঙ্গে রানের সেই শত্রুতা ভাঙলো শনিবার।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ১৯৩ রানের বিপরীতে ফরচুন বরিশাল নিজেদের ইনিংস টেনে নিল ১৮৩ পর্যন্ত। রান উৎসবের ম্যাচটায় চট্টগ্রাম জিতলো ১০ রানে। বিপিএলে চার ম্যাচে এটি তাদের তৃতীয় জয়।

বরিশালের অবশ্য অতটা ভাল সময় যাচ্ছে না। আজ যদিও জয়টা তারা পেতেই পারতো। তবে এদিন যেন সুপারম্যান হয়ে উঠলেন চট্টগ্রামের আইরিশ ক্রিকেটার কার্টিস ক্যাম্ফার। ব্যাট হাতে শেষদিকে ৯ বলে ২৯ করে ঝড় তুলেছিলেন।

এরপর বরিশালের ব্যাটিং লাইনআপ তছনছ করেছেন। ৩ ওভারে ২০ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। সঙ্গে ছিল ৩ ক্যাচ। বরিশালের ৭ উইকেটের সবখানেই অবদান ছিল তার। বন্দরনগরীর হয়ে ক্যাম্ফারের দিনটাই ছিল অনবদ্য।

অথচ দিনটা হতে পারতো আভিস্কা ফার্নান্দোর। লংকান এই ব্যাটার এবারের বিপিএলে এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানটাই করেছেন। ৫০ বলে ৯১ রানের ইনিংস খেলে তিনিই চট্টগ্রামকে এনে দিয়েছিলেন ১৯৩ রানের বিশাল সংগ্রহ।

কিন্তু, এদিন সেই ইনিংস ছাপিয়ে গেলেন ক্যাম্ফার। বল হাতে চট্টগ্রামের শুরুটা যখন ছিল নাজুজক, তখন ত্রাতা হয়য়ে এসেছিলেন এই আইরিশ মিডিয়াম পেসার।

পাকিস্তানের আহমেদ শেহজাদ এবং বাংলাদেশের তামিম ইকবাল বরিশালকে এনে দিয়েছিলেন উড়ন্ত সূচনা। ৫ ওভারেই ৫০ ছাড়ায় দুজনের জুটি।

চট্টগ্রামের বিশাল লক্ষ্য তখন খুব একটা বড় মনে হয়নি। কিন্তু ৫৫ রানে বিলাল খানের বলে ক্যাম্ফারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শেহজাদ। তাতেও অবশ্য সমস্যা হয়নি।

শেহজাদের পর হাল ধরেছিলেন তামিম। সৌম্যকে নিয়ে ইনিংস বড় করতে থাকেন চট্টগ্রামেরই ছেলে। কিন্তু নিজ বিভাগের দলের সঙ্গে তামিমের ইনিংস লম্বা হয়নি। ৩০ বলে ৩৩ করে আউট তিনি।

বাউন্ডারি লাইনে ক্যাম্ফারের বলে ক্যাচ দেন তিনি। ৯১ রান থেকে ১০১ রান পর্যন্ত এই ১০ রানের ব্যবধানে চার উইকেট হারায় বরিশাল। সবই ক্যাম্ফারের কল্যাণে।

৯১ রানে তামিমের পর ৯২ রানে ফেরেন সৌম্য। একাদশ ওভারেই পতন ঘটে দুই উইকেটের। এক ওভার বিরতি দিয়ে আবার ক্যাম্ফারের জোড়া আঘাত। এবার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর ইয়ানিক কারিয়াহর উইকেট হারায় বরিশাল।

মিরাজকে নিয়ে মুশফিক অবশ্য জয়ের স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন অনেকটা সময় পর্যন্ত। ৫০ পেরুনো জুটি চট্টগ্রামের কপালে ফেলেছিল চিন্তার ভাঁজ।

কিন্তু ১৫২ রানে মিরাজ এবং ১৬২ রানে মুশফিক ফিরে গেল ম্যাচ ঘুরে যায় চট্টগ্রামের দিকে। শেষের হাসিটাও হেসেছে তারাই।

এর আগে লঙ্কান ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্দোর দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে ২০ ওভারে ১৯৩ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে তুষার ইমরানের শিষ্যরা।

আভিস্কা একাই করেছেন ৯১ রান। শেষদিকে অবশ্য রানটাকে দুইশ এর কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছেন আয়ারল্যান্ডের কার্টিস ক্যাম্ফার।

৯ বলে ২৯ রানের ইনিংস চট্টগ্রামকে দিয়েছে শক্ত ভিত। আলো ছড়িয়েছেন এবারের বিপিএলে প্রথমবার ডাক পাওয়া শাহাদাত হোসেন দিপু। ৩১ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।