বাণিজ্যিক বিমান দুর্ঘটনার জন্য নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়া, ইউক্রেনের অভিযোগ

  • আপডেট সময় : ১২:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪ ০ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক: ইউক্রেন সীমান্তের কাছে একদিন আগে একটি রুশ সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হওয়ায় মস্কো ও কিয়েভ বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদে পরস্পরকে দোষারোপ করেছে।
জাতিসংঘে রাশিয়ার ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর দিমিত্রি পলিয়ানস্কি বলেন, আজকে আমাদের কাছে যে সমস্ত তথ্য রয়েছে তাতে দেখা যায় যে, আমরা একটি পূর্বপরিকল্পিত অপরাধের চিন্তাভাবনা নিয়ে কাজ করেছি। পলিয়ানস্কির প্রতিনিধিদল জরুরি বৈঠকটির জন্য অনুরোধ জানান।

বন্দী বিনিময়ের পরিকল্পনানুযায়ী আটক ৬৫ জন ইউক্রেনীয় সৈন্যকে নিয়ে আইএল-৭৬ পরিবহন বিমানটি যাওয়ার প্রাক্কালে মস্কো কিয়েভকে বিমানটি ভূপাতিত করার জন্য অভিযুক্ত করেছে।
পলিয়ানস্কি বলেন, ইউক্রেনের নেতৃত্ব রুটটি খুব ভালোভাবে চিনতো। বন্দী বিনিময়ের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার উপায় সম্পর্কে ও তারা অবগত ছিল।

পশ্চিমা ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে ইউক্রেনকে তার সৈন্য বলিদানের জন্য অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, এটি উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথম বন্দী বিনিময় ছিল না। তবে এবার কিয়েভ কোনও অজানা কারণে প্রক্রিয়াটিকে নাশকতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং এটি ছিল সম্ভবত সবচেয়ে বর্বর অবলম্বন। হতাহতের ঘটনা এড়াতে পাইলটদের বিমানটিকে আবাসিক এলাকা থেকে দূরে সরিয়ে মাটির দিকে নিয়ে যাওয়ার বীরত্বের প্রশংসা করেন পলিয়ানস্কি।

বিমানটি নামানোর চক্রান্তের পেছনে ইউক্রেন পাল্টা অভিযোগ আনে। ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর খ্রিস্টাইনা হায়োভিশিন বলেন, ‘বন্দিদের গাড়ির সংখ্যা, রাস্তা ও পরিবহনের উপায় সম্পর্কে ইউক্রেনকে অবহিত করা হয়নি। বন্দীদের জীবন ও নিরাপত্তা বিপন্ন করার এটি হতে পারে শুধুমাত্র রাশিয়ার ইচ্ছাকৃত পদক্ষেপ।’
রাশিয়ান বন্দীদের সম্মতিক্রমে স্থানান্তর করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, রুশ পক্ষেরও ইউক্রেনীয় বন্দী সেনাদের একই স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা ছিল।
হায়োভিশিন অভিযোগ করেন, ‘প্রকৃতপক্ষে শান্তিপূর্ণ ইউক্রেনীয় নগরীসমূহে বিমানটিতে রাশিয়ার আরও ব্যবহারিক ক্ষেপণাস্ত্র পরিবহনের জন্য বন্দীদেরকে মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা এটি প্রথম ঘটনা ।’

নিউজটি শেয়ার করুন

বাণিজ্যিক বিমান দুর্ঘটনার জন্য নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়া, ইউক্রেনের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক: ইউক্রেন সীমান্তের কাছে একদিন আগে একটি রুশ সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হওয়ায় মস্কো ও কিয়েভ বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদে পরস্পরকে দোষারোপ করেছে।
জাতিসংঘে রাশিয়ার ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর দিমিত্রি পলিয়ানস্কি বলেন, আজকে আমাদের কাছে যে সমস্ত তথ্য রয়েছে তাতে দেখা যায় যে, আমরা একটি পূর্বপরিকল্পিত অপরাধের চিন্তাভাবনা নিয়ে কাজ করেছি। পলিয়ানস্কির প্রতিনিধিদল জরুরি বৈঠকটির জন্য অনুরোধ জানান।

বন্দী বিনিময়ের পরিকল্পনানুযায়ী আটক ৬৫ জন ইউক্রেনীয় সৈন্যকে নিয়ে আইএল-৭৬ পরিবহন বিমানটি যাওয়ার প্রাক্কালে মস্কো কিয়েভকে বিমানটি ভূপাতিত করার জন্য অভিযুক্ত করেছে।
পলিয়ানস্কি বলেন, ইউক্রেনের নেতৃত্ব রুটটি খুব ভালোভাবে চিনতো। বন্দী বিনিময়ের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার উপায় সম্পর্কে ও তারা অবগত ছিল।

পশ্চিমা ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে ইউক্রেনকে তার সৈন্য বলিদানের জন্য অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, এটি উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথম বন্দী বিনিময় ছিল না। তবে এবার কিয়েভ কোনও অজানা কারণে প্রক্রিয়াটিকে নাশকতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং এটি ছিল সম্ভবত সবচেয়ে বর্বর অবলম্বন। হতাহতের ঘটনা এড়াতে পাইলটদের বিমানটিকে আবাসিক এলাকা থেকে দূরে সরিয়ে মাটির দিকে নিয়ে যাওয়ার বীরত্বের প্রশংসা করেন পলিয়ানস্কি।

বিমানটি নামানোর চক্রান্তের পেছনে ইউক্রেন পাল্টা অভিযোগ আনে। ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর খ্রিস্টাইনা হায়োভিশিন বলেন, ‘বন্দিদের গাড়ির সংখ্যা, রাস্তা ও পরিবহনের উপায় সম্পর্কে ইউক্রেনকে অবহিত করা হয়নি। বন্দীদের জীবন ও নিরাপত্তা বিপন্ন করার এটি হতে পারে শুধুমাত্র রাশিয়ার ইচ্ছাকৃত পদক্ষেপ।’
রাশিয়ান বন্দীদের সম্মতিক্রমে স্থানান্তর করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, রুশ পক্ষেরও ইউক্রেনীয় বন্দী সেনাদের একই স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা ছিল।
হায়োভিশিন অভিযোগ করেন, ‘প্রকৃতপক্ষে শান্তিপূর্ণ ইউক্রেনীয় নগরীসমূহে বিমানটিতে রাশিয়ার আরও ব্যবহারিক ক্ষেপণাস্ত্র পরিবহনের জন্য বন্দীদেরকে মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা এটি প্রথম ঘটনা ।’