সর্বশেষ ::
নারীর ক্ষমতায়নে পুনাককে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান ড. রেবেকা সুলতানার নাম থেকে স্বামীর চিহ্ন মুছে ফেললেন মাহি রাজশাহী ফটো জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরএমপি’র কমিশনারসহ ৪০০ জনকে পদক পরালেন প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল রাজপাড়া থানা পুলিশ রাজশাহী এডিটরস ফোরামের কমিটি গঠন আরটিজেএ নির্বাচন : সভাপতি মেহেদী, সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী নির্বাচিত ২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কথা বলেনি রাজশাহীতে যাত্রা শুরু করছে শহীদ কামারুজ্জামান নার্সিং কলেজ শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যানে চালু হলো দৃষ্টিনন্দন ড্যান্সিং ফোয়ারা

চালের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার জিরো টলারেন্সে রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ ৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, চালের দাম বৃদ্ধি কোনভাবেই বরদশাত করা হবে না। দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার জিরো টলারেন্সে রয়েছে। চালের দাম হঠাৎ করে বৃদ্ধিার কোনো যুক্তিই গ্রহণযোগ্য নয়।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে করণীয়’ শীর্ষক অংশীজনদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর রয়েছে। আমরাও এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে আছি। অবৈধ মজুতদারি যারা করেন- তারা যে দলেরই হোক আর যত শক্তিশালী লোকের আত্মীয় হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মিল মালিক এবং ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমত চালের দাম নির্ধারণ করতে পারবেন না। যারা বাজার অস্থির করার চেষ্টা করবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মিলগেটে বিক্রি করা চালের বস্তায় তারিখ ও দাম উল্লেখ করতে হবে। চালের দাম নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।

কৃষককে ন্যায্যমূল্য দিতেই সরকার কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন কৃষকের কাছে ধান নেই। অনেক হাসকিং মিলে ঘাস গজিয়ে উঠেছে, বিদ্যুৎ সংযোগ নেই অথচ তাদের গুদাম রয়েছে। এসব গুদামে অবৈধভাবে ধান মজুত করা হয়। এ বিষয়গুলো আমরা সার্বক্ষণিক নজদারির মধ্যে রেখেছি। কেউ কৃথ্রিম সংকটের ষড়যন্ত্র করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক মিলমালিক লোন নিয়ে অটোমেটিক মিল চালাতে পারেন না। দেওলিয়া হওয়ার পর কর্টোরেট প্রতিষ্ঠান সেই মিল কিনে নেয়। তবে কেউ ফুড গ্রেইন লাইসেন্স ছাড়া ধান চালের ব্যাবসা করতে পারবেন না।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার এখন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ মানুষকে শান্তিতে রাখা। অনেক রক্ত আর ত্যাগের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাই আন্তরিকতার সাথে কাজ করলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে খুব শীঘ্রই।

রাজশাহী বিভাগের কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীরের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, খাদ্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনিসুর রহমান, রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার এবং আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক (আরসি ফুড) জহিরুল ইসলাম বক্তব্য দেন।

মতবিনিময় সভায় রাজশাহী বিভাগের আট জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরা অংশ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

চালের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার জিরো টলারেন্সে রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:২৪:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার: খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, চালের দাম বৃদ্ধি কোনভাবেই বরদশাত করা হবে না। দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার জিরো টলারেন্সে রয়েছে। চালের দাম হঠাৎ করে বৃদ্ধিার কোনো যুক্তিই গ্রহণযোগ্য নয়।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে করণীয়’ শীর্ষক অংশীজনদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর রয়েছে। আমরাও এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে আছি। অবৈধ মজুতদারি যারা করেন- তারা যে দলেরই হোক আর যত শক্তিশালী লোকের আত্মীয় হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মিল মালিক এবং ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমত চালের দাম নির্ধারণ করতে পারবেন না। যারা বাজার অস্থির করার চেষ্টা করবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মিলগেটে বিক্রি করা চালের বস্তায় তারিখ ও দাম উল্লেখ করতে হবে। চালের দাম নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।

কৃষককে ন্যায্যমূল্য দিতেই সরকার কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন কৃষকের কাছে ধান নেই। অনেক হাসকিং মিলে ঘাস গজিয়ে উঠেছে, বিদ্যুৎ সংযোগ নেই অথচ তাদের গুদাম রয়েছে। এসব গুদামে অবৈধভাবে ধান মজুত করা হয়। এ বিষয়গুলো আমরা সার্বক্ষণিক নজদারির মধ্যে রেখেছি। কেউ কৃথ্রিম সংকটের ষড়যন্ত্র করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক মিলমালিক লোন নিয়ে অটোমেটিক মিল চালাতে পারেন না। দেওলিয়া হওয়ার পর কর্টোরেট প্রতিষ্ঠান সেই মিল কিনে নেয়। তবে কেউ ফুড গ্রেইন লাইসেন্স ছাড়া ধান চালের ব্যাবসা করতে পারবেন না।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার এখন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ মানুষকে শান্তিতে রাখা। অনেক রক্ত আর ত্যাগের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাই আন্তরিকতার সাথে কাজ করলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে খুব শীঘ্রই।

রাজশাহী বিভাগের কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীরের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, খাদ্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনিসুর রহমান, রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার এবং আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক (আরসি ফুড) জহিরুল ইসলাম বক্তব্য দেন।

মতবিনিময় সভায় রাজশাহী বিভাগের আট জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরা অংশ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।