সর্বশেষ ::
নারীর ক্ষমতায়নে পুনাককে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান ড. রেবেকা সুলতানার নাম থেকে স্বামীর চিহ্ন মুছে ফেললেন মাহি রাজশাহী ফটো জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরএমপি’র কমিশনারসহ ৪০০ জনকে পদক পরালেন প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল রাজপাড়া থানা পুলিশ রাজশাহী এডিটরস ফোরামের কমিটি গঠন আরটিজেএ নির্বাচন : সভাপতি মেহেদী, সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী নির্বাচিত ২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কথা বলেনি রাজশাহীতে যাত্রা শুরু করছে শহীদ কামারুজ্জামান নার্সিং কলেজ শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যানে চালু হলো দৃষ্টিনন্দন ড্যান্সিং ফোয়ারা

বিপিএলের জন্য রাজশাহী থেকে ফ্লাডলাইট খুলে নেয়া হলো সিলেটে- ক্রীড়াঙ্গনে ক্ষোভ

  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ ৬ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের মাঠে বিপিএলের খেলার জন্য রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়াম থেকে খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ফ্লাডলাইটের ১৬০টি বাল্ব। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনে। জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলটও তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

পাইলট বলেন, বিষয়টা ডেকোরেটরের জিনিসপত্র এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়ার মতো। কতটা অব্যবস্থাপনা থাকলে বিপিএলের মতো একটা বড় টুর্নামেন্ট শুরু হবার পর বিসিবির মনে পড়ে যে সিলেটের ফ্লাডলাইট ঠিক নেই। এখানে লাইট লাগাতে হবে। এটা দুঃখজনক।

পাইলট বলেন, এগুলো এক স্থান থেকে অন্যস্থানে খুলে নিয়ে যাওয়া এবং লাগানোর খরচও অনেক বেশি। সে টাকা দিয়ে টেন্ডার করে লাইট কিনে নিলেই তো হয়। এক জায়গার লাইট অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে হবে কেন? এগুলো আমাদের ক্রিকেটের জন্য ভালো দৃষ্টান্ত না। রাজশাহীর এই স্টেডিয়াম নিয়ে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা আছে। এটা আইসিসির ভেন্যু হবে। লাইটগুলো খোলার দরকার কী? এগুলোর মালিক তো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। তারা দিল কেন?

রাজশাহী নগরীর তেরোখাদিয়ায় অবস্থিত শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান বিভাগীয় স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে। স্টেডিয়ামটির আইসিসির আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যু হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি দীর্ঘ দিনেও। তবে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) আন্তর্জাতিক ভেন্যু হিসেবে এ স্টেডিয়ামের স্বীকৃতি রয়েছে।

গত বছরের মে মাসে এই মাঠে বাংলাদেশ-পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের তিনটি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ মাঠে গড়ায়। এর আগে ২০০৪ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের তিনটি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ এবং ২০১০ সালের দক্ষিণ এশীয় গেমসের চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। স্টেডিয়ামটিতে দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় ১৫ হাজার। রাজশাহীর খেলোয়াড় ও ক্রীড়াপ্রেমিরা দীর্ঘদিন ধরে মাঠটিকে আইসিসির আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যু হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছেন। বিভিন্ন মহল থেকে আশ্বাসও দেয়া হচ্ছে।

এরমধ্যেই গত শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) মাঠ থেকে ফ্লাডলাইটের ১৬০টি বাল্ব, ব্লাস্ট ও ইগনেটর খুলে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান বিসিবির কর্মকর্তারা। পরে অনেকটা গোপনে এগুলো খুলে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকে এ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন। তারা আশঙ্কা করছেন, এই বাল্ব আর ফিরবে না।

এ নিয়ে বিসিবির রাজশাহীর ভেন্যু ম্যানেজার ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক সদস্য সাইফুল্লাহ খান জেম মন্তব্য করতে চাননি। তিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের রাজশাহী বিভাগীয় উপপরিচালক এসএম সাইফুল ইসলাম বলেন, সিলেটের বিপিএল খেলার জন্য বিসিবি বাল্বগুলো নিয়ে গেছে। খেলা শেষে আবার দিয়ে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিপিএলের জন্য রাজশাহী থেকে ফ্লাডলাইট খুলে নেয়া হলো সিলেটে- ক্রীড়াঙ্গনে ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৬:১৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের মাঠে বিপিএলের খেলার জন্য রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়াম থেকে খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ফ্লাডলাইটের ১৬০টি বাল্ব। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনে। জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলটও তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

পাইলট বলেন, বিষয়টা ডেকোরেটরের জিনিসপত্র এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়ার মতো। কতটা অব্যবস্থাপনা থাকলে বিপিএলের মতো একটা বড় টুর্নামেন্ট শুরু হবার পর বিসিবির মনে পড়ে যে সিলেটের ফ্লাডলাইট ঠিক নেই। এখানে লাইট লাগাতে হবে। এটা দুঃখজনক।

পাইলট বলেন, এগুলো এক স্থান থেকে অন্যস্থানে খুলে নিয়ে যাওয়া এবং লাগানোর খরচও অনেক বেশি। সে টাকা দিয়ে টেন্ডার করে লাইট কিনে নিলেই তো হয়। এক জায়গার লাইট অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে হবে কেন? এগুলো আমাদের ক্রিকেটের জন্য ভালো দৃষ্টান্ত না। রাজশাহীর এই স্টেডিয়াম নিয়ে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা আছে। এটা আইসিসির ভেন্যু হবে। লাইটগুলো খোলার দরকার কী? এগুলোর মালিক তো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। তারা দিল কেন?

রাজশাহী নগরীর তেরোখাদিয়ায় অবস্থিত শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান বিভাগীয় স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে। স্টেডিয়ামটির আইসিসির আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যু হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি দীর্ঘ দিনেও। তবে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) আন্তর্জাতিক ভেন্যু হিসেবে এ স্টেডিয়ামের স্বীকৃতি রয়েছে।

গত বছরের মে মাসে এই মাঠে বাংলাদেশ-পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের তিনটি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ মাঠে গড়ায়। এর আগে ২০০৪ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের তিনটি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ এবং ২০১০ সালের দক্ষিণ এশীয় গেমসের চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। স্টেডিয়ামটিতে দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় ১৫ হাজার। রাজশাহীর খেলোয়াড় ও ক্রীড়াপ্রেমিরা দীর্ঘদিন ধরে মাঠটিকে আইসিসির আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যু হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছেন। বিভিন্ন মহল থেকে আশ্বাসও দেয়া হচ্ছে।

এরমধ্যেই গত শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) মাঠ থেকে ফ্লাডলাইটের ১৬০টি বাল্ব, ব্লাস্ট ও ইগনেটর খুলে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান বিসিবির কর্মকর্তারা। পরে অনেকটা গোপনে এগুলো খুলে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকে এ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন। তারা আশঙ্কা করছেন, এই বাল্ব আর ফিরবে না।

এ নিয়ে বিসিবির রাজশাহীর ভেন্যু ম্যানেজার ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক সদস্য সাইফুল্লাহ খান জেম মন্তব্য করতে চাননি। তিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের রাজশাহী বিভাগীয় উপপরিচালক এসএম সাইফুল ইসলাম বলেন, সিলেটের বিপিএল খেলার জন্য বিসিবি বাল্বগুলো নিয়ে গেছে। খেলা শেষে আবার দিয়ে যাবে।