মন্ত্রিসভা থেকে ছিটকে পড়লেন শাহরিয়ার আলম

  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৪ ০ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : নতুন মন্ত্রিসভায় রাজশাহীর প্রতিনিধিত্ব না থাকার বিষয়টি যেমন আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে; তেমনি গত দুবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য শাহরিয়ার আলমের ছিটকে পড়ার বিষয়টিও নানান আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

গত ১০ বছর সময়ে শাহরিয়ার আলমের দাপুটে আচরণে তার ঘনিষ্ঠ অনুসারীরা যেমন তার ইমেজকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রচার করেছেন তেমনি দলের একটি অংশ তার অনেক বৈরি কর্মকাণ্ডের কারণে প্রতিবাদে সোচ্চার থেকেছেন। প্রতিবাদী অংশটি সবসময় অভিযোগ করে এসেছেন যে শাহরিয়ার আলম তার কর্মকাণ্ডে দ্বিমত পোষণকারী ও বিরোধীতাকারী দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেই নিষ্ঠুর আচরণ করেছেন।

এদিকে গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে রাজশাহী-৬ আসন থেকে বিজয়ী হলে তার নির্বাচনি এলাকা চারঘাট-বাঘার দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করতে থাকেন, এবার নতুন সরকারে শাহরিয়ার আলম পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। শাহরিয়ারের হাসিমাখা ছবি শেয়ার করে অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে অগ্রিম শুভকামনা দিয়ে আগামীর পথচলায় তার বড় সাফল্য কামনাও করেন।

অন্যদিকে গত ১০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় নতুন মন্ত্রিসভার তালিকা সামনে আসতেই রাজশাহীর চারঘাট-বাঘায় শাহরিয়ারের ঘনিষ্ঠ অনুসারীদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। কারণ নতুন মন্ত্রিসভার তালিকার কোথাও শাহরিয়ারের নাম নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান শাহরিয়ার আলমের বাবা শামসুদ্দিন ছিলেন রেলওয়ের একজন কর্মচারী। রাজশাহী কলেজ ও ঢাকা সিটি কলেজ হয়ে শাহরিয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। একটি বিদেশি মালিকানাধীন পোশাক কারখানার কর্মকর্তা হিসেবে শুরু করেন কর্মজীবন। পরে তিনি নিজেই কয়েকটি তৈরি পোশাক কারখানার মালিক হন।

পরে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের যোগদান করে রাজশাহী-৬ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় স্থান করে নেন। ২০১৮ সালেও একই পোর্টফোলিও ধরে রাখতে সক্ষম হন। গত ৭ জানুয়ারি চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, সংসদ সদস্য হওয়ার পর থেকেই শাহরিয়ার আলমের উত্থান ঘটে দ্রুতগতিতে। রাজশাহীতে নিজের মালিকানায় গড়ে তোলেন বারিন্দ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। একটি রেডিও ও একটি টিভি চ্যানেলের মালিক হন। রাজশাহীতে ও আশপাশের এলাকায় জমি-জমা কিনেছেন।

তার নির্বাচনি এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত শাহরিয়ার দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের নিয়ে চলেছেন। তবে ২০১৪ সালে প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর চারঘাট ও বাঘাতে তৈরি করেন নিজস্ব বলয়। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদেরকে বিতাড়িত করেন বিভিন্ন পদ পদবি থেকে। বিপরীতে হাইব্রিডদের বসান দলের বিভিন্ন স্তরের কমিটির পদগুলোতে। এই বিরোধ তুঙ্গে উঠে বিভিন্ন ইউপি ও পৌর নির্বাচনে। এমন সব লোকদের ইউপি চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র পদে মনোনয়ন পাইয়ে দেন যাদের ভাবমূর্তি ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ফলে অধিকাংশই পরাজিত হন। দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা দখল করেন ইউপি চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রের পদগুলো। বাঘার মেয়র আক্কাস আলীর সঙ্গে তীব্র কোন্দলে লিপ্ত হন।

এদিকে শুধু নিজের নির্বাচনি এলাকাতেই নয়, প্রতিমন্ত্রী হলেও শাহরিয়ার বিভিন্ন সময় রাজশাহী জেলা ও মহানগরের নেতাদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছেন। বারবার তাদেরকে উপেক্ষা করেছেন। জেলা ও মহানগর নেতাদের কারো কারো বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। বিশেষ করে রাজশাহী সিটি মেয়র ও আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের সঙ্গে জড়িয়েছেন বিরোধে। গত ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে জয়ী হয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় শাহরিয়ার বলেছেন, চারঘাট-বাঘা চলবে এলাকার মানুষের মতো করে। রাজশাহী নগরীর কোনো গডফাদারের মতো করে নয়।

রাজশাহী ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, শাহরিয়ার সরকারের প্রতিমন্ত্রী হলেও কখনো তাদের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্কটুকুও রাখেননি। নগরীতে কোনো সরকারি ও দলীয় কর্মসূচিতেও শাহরিয়ার নিজেকে অনুপস্থিত রাখেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক ও বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলু বলেন, শাহরিয়ার আলম বারবার দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদেরকে বিভিন্নভাবে পীড়ন করেছেন। বিভিন্ন অজুহাতে মামলা দিয়ে তাদেরকে জেলে ভরেছেন। দলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে হাইব্রিড নিয়ে মাতামাতি করেছেন। কেউ তার বিতর্কিত কোনো সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করলেই নিষ্ঠুর কায়দায় দমন করেছেন। এসব বিতর্কিত কর্মকাণ্ড বিভিন্ন মাধ্যমে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব অবগত হয়েছেন। তার ফলশ্রুতিতে তাকে হয়তো এবারের নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া হয়নি।

তবে এ বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করে শাহরিয়ার আলমের ঘনিষ্ঠ অনুসারী চারঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম বলেন, শাহরিয়ার আলম এবারের মন্ত্রিসভায় স্থান না হওয়ায় আমরা দলের নেতাকর্মীরা হতাশ হয়েছি। তবে আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রী হয়তো আগামীতে শাহরিয়ার আলমের মতো একজন চৌকস নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করবেন।

অন্যদিকে শাহরিয়ার আলমের প্রতিক্রিয়া জানতে শুক্রবার কয়েকবার তার মোবাইল ফোনে কল দেওয়ার পরও তিনি ধরেননি। ফলে এই বিষয়ে সরাসরি তার প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্ত্রিসভা থেকে ছিটকে পড়লেন শাহরিয়ার আলম

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক : নতুন মন্ত্রিসভায় রাজশাহীর প্রতিনিধিত্ব না থাকার বিষয়টি যেমন আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে; তেমনি গত দুবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য শাহরিয়ার আলমের ছিটকে পড়ার বিষয়টিও নানান আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

গত ১০ বছর সময়ে শাহরিয়ার আলমের দাপুটে আচরণে তার ঘনিষ্ঠ অনুসারীরা যেমন তার ইমেজকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রচার করেছেন তেমনি দলের একটি অংশ তার অনেক বৈরি কর্মকাণ্ডের কারণে প্রতিবাদে সোচ্চার থেকেছেন। প্রতিবাদী অংশটি সবসময় অভিযোগ করে এসেছেন যে শাহরিয়ার আলম তার কর্মকাণ্ডে দ্বিমত পোষণকারী ও বিরোধীতাকারী দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেই নিষ্ঠুর আচরণ করেছেন।

এদিকে গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে রাজশাহী-৬ আসন থেকে বিজয়ী হলে তার নির্বাচনি এলাকা চারঘাট-বাঘার দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করতে থাকেন, এবার নতুন সরকারে শাহরিয়ার আলম পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। শাহরিয়ারের হাসিমাখা ছবি শেয়ার করে অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে অগ্রিম শুভকামনা দিয়ে আগামীর পথচলায় তার বড় সাফল্য কামনাও করেন।

অন্যদিকে গত ১০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় নতুন মন্ত্রিসভার তালিকা সামনে আসতেই রাজশাহীর চারঘাট-বাঘায় শাহরিয়ারের ঘনিষ্ঠ অনুসারীদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। কারণ নতুন মন্ত্রিসভার তালিকার কোথাও শাহরিয়ারের নাম নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান শাহরিয়ার আলমের বাবা শামসুদ্দিন ছিলেন রেলওয়ের একজন কর্মচারী। রাজশাহী কলেজ ও ঢাকা সিটি কলেজ হয়ে শাহরিয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। একটি বিদেশি মালিকানাধীন পোশাক কারখানার কর্মকর্তা হিসেবে শুরু করেন কর্মজীবন। পরে তিনি নিজেই কয়েকটি তৈরি পোশাক কারখানার মালিক হন।

পরে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের যোগদান করে রাজশাহী-৬ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় স্থান করে নেন। ২০১৮ সালেও একই পোর্টফোলিও ধরে রাখতে সক্ষম হন। গত ৭ জানুয়ারি চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, সংসদ সদস্য হওয়ার পর থেকেই শাহরিয়ার আলমের উত্থান ঘটে দ্রুতগতিতে। রাজশাহীতে নিজের মালিকানায় গড়ে তোলেন বারিন্দ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। একটি রেডিও ও একটি টিভি চ্যানেলের মালিক হন। রাজশাহীতে ও আশপাশের এলাকায় জমি-জমা কিনেছেন।

তার নির্বাচনি এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত শাহরিয়ার দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের নিয়ে চলেছেন। তবে ২০১৪ সালে প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর চারঘাট ও বাঘাতে তৈরি করেন নিজস্ব বলয়। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদেরকে বিতাড়িত করেন বিভিন্ন পদ পদবি থেকে। বিপরীতে হাইব্রিডদের বসান দলের বিভিন্ন স্তরের কমিটির পদগুলোতে। এই বিরোধ তুঙ্গে উঠে বিভিন্ন ইউপি ও পৌর নির্বাচনে। এমন সব লোকদের ইউপি চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র পদে মনোনয়ন পাইয়ে দেন যাদের ভাবমূর্তি ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ফলে অধিকাংশই পরাজিত হন। দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা দখল করেন ইউপি চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রের পদগুলো। বাঘার মেয়র আক্কাস আলীর সঙ্গে তীব্র কোন্দলে লিপ্ত হন।

এদিকে শুধু নিজের নির্বাচনি এলাকাতেই নয়, প্রতিমন্ত্রী হলেও শাহরিয়ার বিভিন্ন সময় রাজশাহী জেলা ও মহানগরের নেতাদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছেন। বারবার তাদেরকে উপেক্ষা করেছেন। জেলা ও মহানগর নেতাদের কারো কারো বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। বিশেষ করে রাজশাহী সিটি মেয়র ও আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের সঙ্গে জড়িয়েছেন বিরোধে। গত ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে জয়ী হয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় শাহরিয়ার বলেছেন, চারঘাট-বাঘা চলবে এলাকার মানুষের মতো করে। রাজশাহী নগরীর কোনো গডফাদারের মতো করে নয়।

রাজশাহী ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, শাহরিয়ার সরকারের প্রতিমন্ত্রী হলেও কখনো তাদের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্কটুকুও রাখেননি। নগরীতে কোনো সরকারি ও দলীয় কর্মসূচিতেও শাহরিয়ার নিজেকে অনুপস্থিত রাখেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক ও বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলু বলেন, শাহরিয়ার আলম বারবার দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদেরকে বিভিন্নভাবে পীড়ন করেছেন। বিভিন্ন অজুহাতে মামলা দিয়ে তাদেরকে জেলে ভরেছেন। দলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে হাইব্রিড নিয়ে মাতামাতি করেছেন। কেউ তার বিতর্কিত কোনো সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করলেই নিষ্ঠুর কায়দায় দমন করেছেন। এসব বিতর্কিত কর্মকাণ্ড বিভিন্ন মাধ্যমে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব অবগত হয়েছেন। তার ফলশ্রুতিতে তাকে হয়তো এবারের নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া হয়নি।

তবে এ বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করে শাহরিয়ার আলমের ঘনিষ্ঠ অনুসারী চারঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম বলেন, শাহরিয়ার আলম এবারের মন্ত্রিসভায় স্থান না হওয়ায় আমরা দলের নেতাকর্মীরা হতাশ হয়েছি। তবে আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রী হয়তো আগামীতে শাহরিয়ার আলমের মতো একজন চৌকস নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করবেন।

অন্যদিকে শাহরিয়ার আলমের প্রতিক্রিয়া জানতে শুক্রবার কয়েকবার তার মোবাইল ফোনে কল দেওয়ার পরও তিনি ধরেননি। ফলে এই বিষয়ে সরাসরি তার প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি।