সর্বশেষ ::

জামানত হারালেন রাজশাহীর ৩১ প্রার্থী

  • আপডেট সময় : ০২:০৩:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪ ০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর ৬টি সংসদীয় আসনে কম ভোট পাওয়ায় ৩১ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। ছয় আসনে অন্য ১১ জন প্রার্থী জামানতের টাকা ফেরত পাবেন। ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই নৌকার প্রার্থীর সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। স্বতন্ত্র না থাকা রাজশাহী-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী একচেটিয়া ভোট পেয়েছেন। অন্য সব প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা শামীম আহমেদ জানান, প্রত্যক প্রার্থীর কাছ থেকেই ২০ হাজার টাকা করে জামানত নিয়ে রাখে নির্বাচন কমিশন। জামানতের এই টাকা ফিরে পেতে হলে কোনো নির্বাচনী এলাকায় যে পরিমাণ ভোট পড়ে তার সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট প্রার্থীকে পেতে হয়। তবে রাজশাহীর মোট ৪২ প্রার্থীর মধ্যে ৩১ জনই সাড়ে ১২ শতাংশ করে ভোট পাননি।

রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ঢাকা সিনেমার চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিও জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৯৩ টি। জামানত ফিরে পেতে হলে প্রার্থীকে ২৭ হাজার ৪৭৫টি ভোট পেতে হতো। তবে মাহি পেয়েছেন ৯ হাজার ৯টি ভোট। ফলে তিনি জামানত ফিরে পাবেন না। এ আসনে শুধু নৌকার প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানী জামানত ফেরত পাবেন। এ আসনে বেসরকারীভাবে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন ওমর ফারুক চৌধুরী।

এ আসনে মাহিয়া মাহি ছাড়াও জামানত ফিরে পাবেন না এনপিপির নুরুন্নেসা, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বশির আহমেদ, বিএনএফের আল সাআদ, তৃণমূল বিএনপির জামাল খান দুদু, বিএনএমের মো. শামসুজ্জোহা, জাতীয় পার্টির মো. শামসুদ্দীন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিনী আয়েশা আখতার জাহান ডালিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান।

রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ভোট দিয়েছেন ৯৩ হাজার ৪৪৩ জন ভোটার। জামানত রক্ষা করতে হলে প্রয়োজন ১১ হাজার ৬৮১টি ভোট। আসনের পাঁচজন প্রার্থী তা পাননি। তাই জামানত হারাচ্ছেন জাসদের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাসুদ শিবলী, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের ইয়াসির আলিফ বিন হাবিব, বিএনএমের কামরুল হাসান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মারুফ শাহরিয়ার ও জাতীয় পার্টির সাইফুল ইসলাম স্বপন। ৩১ হাজার ৪৬০ ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করেছেন নৌকার প্রার্থী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। ৫৫ হাজার ১৫৬ ভোট পেয়ে এখানে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী না থাকায় একচেটিয়া ভোট পেয়েছেন নৌকার প্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ। তিনি ছাড়া এ আসনের অন্য ৫ প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন। আসনটিতে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৩৪ টি। আসাদ একাই পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯০৯টি ভোট। ফলে জামানত হারাচ্ছেন বিএনএমের ভাইস চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি, জাতীয় পার্টির আব্দুস সালাম খান, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের এনামুল হক, বিএনএফের বজলুর রহমান ও এনপিপির সইবুর রহমান। জামানত রক্ষা করতে হলে তাদের প্রত্যেকের প্রয়োজন ছিল ২১ হাজার ৬৯১ ভোট।

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭৯ টি। এখানে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২১ হাজার ৬০ ভোট। এখানে নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বিরাট ব্যবধানে হারিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান এমপি এনামুল হককে। অন্য সবাই জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো চারজন হলেন-এনপিপির জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না, জাতীয় পার্টির আবু তালেব প্রামানিক, বিএনএমের সাইফুল ইসলাম রায়হান ও স্বতন্ত্র বাবুল হোসেন।

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪৯ টি। জামানত রক্ষায় প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল ২২ হাজার ২১৯ ভোট। তবে জাতীয় পার্টির আবুল হোসেন, সুপ্রিম পার্টির আলতাফ হোসেন মোল্লা, বিএনএমের শরিফুল ইসলাম ও গণফ্রন্টের মখলেসুর রহমান তা পাননি। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। এখানে ৩ হাজার ৫১ ভোটে স্বতন্ত্র ওবায়দুর রহমানকে হারিয়ে এমপি হয়েছেন নৌকার প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ দারা।

রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে চতুর্থবারের মতো নৌকা নিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৫৯৯ ভোট। স্বতন্ত্র রাহেনুল হক পেয়েছেন ৭৪ হাজার ২৭৮ ভোট। এখানে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭৪৯ ভোট। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ২২ হাজার ২১৯ ভোট। এ আসনে জামানত হারিয়েছেন জাসদের জুলফিকার মান্নান জামি, বিএনএমের আবদুস সামাদ, এনপিপির মহসিন আলী ও জাতীয় পার্টির শামসুদ্দীন রিন্টু। তারা ২০০ থেকে ৮০০ ভোট পেয়েছেন।

জামানত হারানো ৩১ প্রার্থীর মধ্যে রাজশাহী-৬ আসনের শামসুদ্দীন রিন্টু ও রাজশাহী-১ আসনের আখতারুজ্জামান প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তারপরও দুজনের ব্যালটে কিছু ভোট পড়েছে। তবে এই ৩১ প্রার্থীই সামান্য কিছু ভোট পেয়েছেন।

রাজশাহীর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘জামানত ফেরত পেতে হলে মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট প্রার্থীকে পেতে হয়। রাজশাহীতে যারা এই পরিমাণ ভোট পাননি, তাদের জামানত নির্বাচন কমিশন বাজেয়াপ্ত করবে। অন্যরা ফেরত পাবেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

জামানত হারালেন রাজশাহীর ৩১ প্রার্থী

আপডেট সময় : ০২:০৩:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর ৬টি সংসদীয় আসনে কম ভোট পাওয়ায় ৩১ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। ছয় আসনে অন্য ১১ জন প্রার্থী জামানতের টাকা ফেরত পাবেন। ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই নৌকার প্রার্থীর সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। স্বতন্ত্র না থাকা রাজশাহী-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী একচেটিয়া ভোট পেয়েছেন। অন্য সব প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা শামীম আহমেদ জানান, প্রত্যক প্রার্থীর কাছ থেকেই ২০ হাজার টাকা করে জামানত নিয়ে রাখে নির্বাচন কমিশন। জামানতের এই টাকা ফিরে পেতে হলে কোনো নির্বাচনী এলাকায় যে পরিমাণ ভোট পড়ে তার সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট প্রার্থীকে পেতে হয়। তবে রাজশাহীর মোট ৪২ প্রার্থীর মধ্যে ৩১ জনই সাড়ে ১২ শতাংশ করে ভোট পাননি।

রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ঢাকা সিনেমার চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিও জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৯৩ টি। জামানত ফিরে পেতে হলে প্রার্থীকে ২৭ হাজার ৪৭৫টি ভোট পেতে হতো। তবে মাহি পেয়েছেন ৯ হাজার ৯টি ভোট। ফলে তিনি জামানত ফিরে পাবেন না। এ আসনে শুধু নৌকার প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানী জামানত ফেরত পাবেন। এ আসনে বেসরকারীভাবে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন ওমর ফারুক চৌধুরী।

এ আসনে মাহিয়া মাহি ছাড়াও জামানত ফিরে পাবেন না এনপিপির নুরুন্নেসা, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বশির আহমেদ, বিএনএফের আল সাআদ, তৃণমূল বিএনপির জামাল খান দুদু, বিএনএমের মো. শামসুজ্জোহা, জাতীয় পার্টির মো. শামসুদ্দীন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিনী আয়েশা আখতার জাহান ডালিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান।

রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ভোট দিয়েছেন ৯৩ হাজার ৪৪৩ জন ভোটার। জামানত রক্ষা করতে হলে প্রয়োজন ১১ হাজার ৬৮১টি ভোট। আসনের পাঁচজন প্রার্থী তা পাননি। তাই জামানত হারাচ্ছেন জাসদের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাসুদ শিবলী, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের ইয়াসির আলিফ বিন হাবিব, বিএনএমের কামরুল হাসান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মারুফ শাহরিয়ার ও জাতীয় পার্টির সাইফুল ইসলাম স্বপন। ৩১ হাজার ৪৬০ ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করেছেন নৌকার প্রার্থী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। ৫৫ হাজার ১৫৬ ভোট পেয়ে এখানে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী না থাকায় একচেটিয়া ভোট পেয়েছেন নৌকার প্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ। তিনি ছাড়া এ আসনের অন্য ৫ প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন। আসনটিতে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৩৪ টি। আসাদ একাই পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯০৯টি ভোট। ফলে জামানত হারাচ্ছেন বিএনএমের ভাইস চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি, জাতীয় পার্টির আব্দুস সালাম খান, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের এনামুল হক, বিএনএফের বজলুর রহমান ও এনপিপির সইবুর রহমান। জামানত রক্ষা করতে হলে তাদের প্রত্যেকের প্রয়োজন ছিল ২১ হাজার ৬৯১ ভোট।

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭৯ টি। এখানে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২১ হাজার ৬০ ভোট। এখানে নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বিরাট ব্যবধানে হারিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান এমপি এনামুল হককে। অন্য সবাই জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো চারজন হলেন-এনপিপির জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না, জাতীয় পার্টির আবু তালেব প্রামানিক, বিএনএমের সাইফুল ইসলাম রায়হান ও স্বতন্ত্র বাবুল হোসেন।

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪৯ টি। জামানত রক্ষায় প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল ২২ হাজার ২১৯ ভোট। তবে জাতীয় পার্টির আবুল হোসেন, সুপ্রিম পার্টির আলতাফ হোসেন মোল্লা, বিএনএমের শরিফুল ইসলাম ও গণফ্রন্টের মখলেসুর রহমান তা পাননি। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। এখানে ৩ হাজার ৫১ ভোটে স্বতন্ত্র ওবায়দুর রহমানকে হারিয়ে এমপি হয়েছেন নৌকার প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ দারা।

রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে চতুর্থবারের মতো নৌকা নিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৫৯৯ ভোট। স্বতন্ত্র রাহেনুল হক পেয়েছেন ৭৪ হাজার ২৭৮ ভোট। এখানে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭৪৯ ভোট। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ২২ হাজার ২১৯ ভোট। এ আসনে জামানত হারিয়েছেন জাসদের জুলফিকার মান্নান জামি, বিএনএমের আবদুস সামাদ, এনপিপির মহসিন আলী ও জাতীয় পার্টির শামসুদ্দীন রিন্টু। তারা ২০০ থেকে ৮০০ ভোট পেয়েছেন।

জামানত হারানো ৩১ প্রার্থীর মধ্যে রাজশাহী-৬ আসনের শামসুদ্দীন রিন্টু ও রাজশাহী-১ আসনের আখতারুজ্জামান প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তারপরও দুজনের ব্যালটে কিছু ভোট পড়েছে। তবে এই ৩১ প্রার্থীই সামান্য কিছু ভোট পেয়েছেন।

রাজশাহীর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘জামানত ফেরত পেতে হলে মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট প্রার্থীকে পেতে হয়। রাজশাহীতে যারা এই পরিমাণ ভোট পাননি, তাদের জামানত নির্বাচন কমিশন বাজেয়াপ্ত করবে। অন্যরা ফেরত পাবেন।’