সর্বশেষ ::
নারীর ক্ষমতায়নে পুনাককে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান ড. রেবেকা সুলতানার নাম থেকে স্বামীর চিহ্ন মুছে ফেললেন মাহি রাজশাহী ফটো জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরএমপি’র কমিশনারসহ ৪০০ জনকে পদক পরালেন প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল রাজপাড়া থানা পুলিশ রাজশাহী এডিটরস ফোরামের কমিটি গঠন আরটিজেএ নির্বাচন : সভাপতি মেহেদী, সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী নির্বাচিত ২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কথা বলেনি রাজশাহীতে যাত্রা শুরু করছে শহীদ কামারুজ্জামান নার্সিং কলেজ শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যানে চালু হলো দৃষ্টিনন্দন ড্যান্সিং ফোয়ারা

আদালতে ক্ষমা চাইলেন নৌকার প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ দারা

  • আপডেট সময় : ১০:৩৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০২৪ ১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, দুর্গাপুর: স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতীককে ‘কাউয়া-বাদুর’ বলে আচরণবিধি ভঙ্গ করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন রাজশাহী-৫ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কাজী আব্দুল ওয়াদুদ দারা। সোমবার বেলা ৩ টায় রাজশাহী-৫ আসনের অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ লুনা ফেরদৌসের কাছে স্বশরীরে হাজির হয়ে তিনি ব্যাখা দেন।

ব্যাখায় তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৫ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী। আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান যে অভিযোগ দায়ের করেছেন তা বিদ্বেষ প্রসূত। আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রাজশাহী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক। আমার দলের নেতাকর্মীরা দলের শৃংখলা পরিপন্থী কর্মে লিপ্ত আছেন তাদের কর্মের বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রে কি ধরনের নির্দেশনা আছে আমি তাদেরকে নির্দেশনা স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলাম।

তিনি ব্যাখায় আরও বলেন, কোন ভোটারকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য বা স্বতন্ত্র প্রার্থীকে অপদন্ত করবার উদ্দেশ্যে আমি কখন কোন অশালীন বা অশোভনীয় বা তিক্ত বা উস্কানীমূলক বক্তব্য প্রদান করিনি। তারপরেও আমার বক্তব্য মহোদয়ের নিকট “সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরন বিধিমালা- ২০০৮” এর ১১ (ক) এং (ঙ) ধারার লংঘন বলে বিবেচিত হলে আমি উক্ত বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশসহ নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

এর আগে, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবলীগ নেতা ওবায়দুর রহমানের ঈগল প্রতীক নিয়ে ব্যঙ্গ করায় আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ দারাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে নোটিশে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে কেন দোষী সাব্যস্ত করা হবে না তা জানাতে দারাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ লুনা ফেরদৌসের আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দিতে হবে। এর প্রেক্ষিতে তিনি লিখিত জবাব দিয়ে এসেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আদালতে ক্ষমা চাইলেন নৌকার প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ দারা

আপডেট সময় : ১০:৩৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার, দুর্গাপুর: স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতীককে ‘কাউয়া-বাদুর’ বলে আচরণবিধি ভঙ্গ করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন রাজশাহী-৫ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কাজী আব্দুল ওয়াদুদ দারা। সোমবার বেলা ৩ টায় রাজশাহী-৫ আসনের অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ লুনা ফেরদৌসের কাছে স্বশরীরে হাজির হয়ে তিনি ব্যাখা দেন।

ব্যাখায় তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৫ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী। আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান যে অভিযোগ দায়ের করেছেন তা বিদ্বেষ প্রসূত। আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রাজশাহী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক। আমার দলের নেতাকর্মীরা দলের শৃংখলা পরিপন্থী কর্মে লিপ্ত আছেন তাদের কর্মের বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রে কি ধরনের নির্দেশনা আছে আমি তাদেরকে নির্দেশনা স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলাম।

তিনি ব্যাখায় আরও বলেন, কোন ভোটারকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য বা স্বতন্ত্র প্রার্থীকে অপদন্ত করবার উদ্দেশ্যে আমি কখন কোন অশালীন বা অশোভনীয় বা তিক্ত বা উস্কানীমূলক বক্তব্য প্রদান করিনি। তারপরেও আমার বক্তব্য মহোদয়ের নিকট “সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরন বিধিমালা- ২০০৮” এর ১১ (ক) এং (ঙ) ধারার লংঘন বলে বিবেচিত হলে আমি উক্ত বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশসহ নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

এর আগে, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবলীগ নেতা ওবায়দুর রহমানের ঈগল প্রতীক নিয়ে ব্যঙ্গ করায় আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ দারাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে নোটিশে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে কেন দোষী সাব্যস্ত করা হবে না তা জানাতে দারাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ লুনা ফেরদৌসের আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দিতে হবে। এর প্রেক্ষিতে তিনি লিখিত জবাব দিয়ে এসেছেন।