সর্বশেষ ::
নারীর ক্ষমতায়নে পুনাককে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান ড. রেবেকা সুলতানার নাম থেকে স্বামীর চিহ্ন মুছে ফেললেন মাহি রাজশাহী ফটো জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আরএমপি’র কমিশনারসহ ৪০০ জনকে পদক পরালেন প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল রাজপাড়া থানা পুলিশ রাজশাহী এডিটরস ফোরামের কমিটি গঠন আরটিজেএ নির্বাচন : সভাপতি মেহেদী, সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী নির্বাচিত ২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কথা বলেনি রাজশাহীতে যাত্রা শুরু করছে শহীদ কামারুজ্জামান নার্সিং কলেজ শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যানে চালু হলো দৃষ্টিনন্দন ড্যান্সিং ফোয়ারা

রাজশাহী-৬ আসনে নৌকা ও কাঁচির হাড্ডা-হাড্ডি লড়ায়ের সম্ভাবনা

  • আপডেট সময় : ১১:৪৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১ বার পড়া হয়েছে

মোহাঃ আসলাম আলী, স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে মোট-৬ জন প্রার্থী প্রতীদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থী (নৌকা) প্রতীক নিয়ে লড়ছেন,পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম।
কিন্তু তার জয়ের পথে বড় বাধা হিসেবে দেখা যাচ্ছে সতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগের চারঘাট উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য রায়হানুল হক রায়হানকে (কাঁচি)। সতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ রায়হানুল হক রায়হান এর পক্ষে মাঠে নেমেছেন দলটির দুই উপজেলার একাংশের শীর্ষ নেতা/কর্মীরা।
নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা গেছে,এ আসন থেকে মোট-৯ জন মনোনয়ন জমা দেন। মধ্যে একজন প্রত্যাহার করে নেন।
নির্বাচন কমিশনের যাচাইয়ে বাতিল হয় দুই জন। প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়-৬ জন প্রার্থীর মধ্যে। এদের মধ্যে আওয়ামিলীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম (নৌকা),শতন্ত্র প্রার্থী চারঘাট উপজেলা আ’লীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য রায়হানুল হক রায়হান (কাঁচি),জাতীয় পার্টির মোঃ শামসুদ্দিন রিন্টু (নাঙ্গল),ন্যাসনাল পিপলস পার্টি মোঃ মহসিন আলী (আম),বাংলাদেশ জাতীয়বাদী আন্দোলন সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুস সামাদ (নোঙ্গর),জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ মোঃ জুলফিকার মান্নান জামী ( মশাল) প্রতীক পান।
তবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম (নৌকা) ও সতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ রায়হানুল হক রায়হান এর (কাঁচি) ছাড়া অন্য চার প্রার্থীকে চেনেন না এ আসনের অধিকাংশ সাধারণ ভোটাররা।
এ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম। একটানা-১৫ বছর সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্রপতিমন্ত্রী হিসেবে প্রতিনিত্ব করেছেন ফলে “চারঘাট-বাঘায়” তার রয়েছে নিজস্ব ভোটব্যাংক। স্থানীয়ভাবেও রয়েছে তার গ্রহন যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা।
চারঘাট উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম,বাঘা উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শিক্ষক মোঃ বাবুল ইসলাম বলেন,দুই উপজেলা আ’লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা নৌকার পক্ষে মাঠে নেমেছেন।
তবে স্থানীয়রা বলেন,তার জয়ের পথে সতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগের সাবেক উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ রায়হানুল হক রায়হান বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেন বলে জোরালো ভাবে মনে করেন স্থানীয় ভোটাররা।
তারা জানান,বাঘা উপজেলার স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক,জেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডঃ লায়েব উদ্দিন লাভলু,জেলা আ’লীগ সদস্য ও বাঘা পৌর মেয়র মোঃ আক্কাস আলী,ভাইচ চেয়ারম্যান মোকাদ্দেছ আলী,সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ও পাকুড়িয়া ইউ’পি চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম মেরাজ,বাউসা ইউ’পি চেয়ারম্যান –চারঘাট উপমজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বিপ্লব,নারী ভাইস চেয়ারম্যান মোসা:তাজমিরা খাতুন,চারঘাট পৌরসভার সাবেক মেয়ের মোসা: নার্গিস খাতুন,ভায়ালক্ষীপুর ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান শওকত আলী বুলবুল,সারদা ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান মতিউর রহমান তপন,ইউসুফপুর ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম রতন- সহ দুই উপজেলার আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠন একাংশের বিশাল একটি অংশ নৌকা ছেড়ে সতন্ত্র প্রার্থী রায়হানুল হক রায়হান এর পক্ষে কোমর বেধে মাঠে নেমেছেন। তারা আরও বলেন,ওই নেতাদের নিজস্ব রয়েছে ভোট ব্যাংক,জনপ্রিয়তা ও গ্রহনযোগ্যতা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নেতা জানান,”চারঘাট-বাঘা” উপজেলার বহু নেতা মুখে নৌকার কথা বললেও ভেতরে ভেতরে সতন্ত্র প্রার্থী রায়হানুল হক রায়হান এর জন্য কাজ করছেন। এতে (নৌকা) প্রতীকের আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম এর অনুসারী নেতা-কর্মীর মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা।
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডঃ লায়েব উদ্দিন লাভলু-সহ অনেকেই বলেন,আমাদের প্রার্থী সতন্ত্র রায়হানুল হক রায়হান (কাঁচি) প্রতীক। তার জন্য আমরা এক হয়ে কাজ করব। আমরা কারো পক্ষে ভাড়া খাটতে রাজি নই। দলের প্রয়োজনেই আমাদের নিজেদের এমপি দরকার।
সতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য রায়হানুল হক রায়হান বলেন, আমি দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম,কিন্তু পাইনি। নির্বাচনকে অংশগ্রহনমূলক করার জন্য দল থেকে কেন্দ্রীয় ভাবে সতন্ত্র প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী মাঠ উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তাই আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ আমার সাথে রয়েছেন। ফলে আমি ভোটাদের দারুণ সাড়া পাচ্ছি। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম বলেন, আমি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলাম। এমপি ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন জনগনের জন্য কাজ করেছি। নিজের স্বার্থে কিছুই করিনি,অন্যায়কে প্রশয় দিইনি। আমাকে দলীয় মনোনয়ন নৌকা প্রতীক দেয়া হয়েছে। আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আমাকে সতস্ফুর্ত ভাবে সহযোগিতা করছে। পুনোরাই জয়লাভের মাধ্যমে আমি “চারঘাট-বাঘার” উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
উল্লেখ্য,চারঘাট ও বাঘা উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-৬ আসন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা-৩ লাখ ৪০ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার-১ লাখ ৬১ হাজার ৫৯৭ জন ও পুরুষ ভোটার-১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৩০ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজশাহী-৬ আসনে নৌকা ও কাঁচির হাড্ডা-হাড্ডি লড়ায়ের সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ১১:৪৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩

মোহাঃ আসলাম আলী, স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে মোট-৬ জন প্রার্থী প্রতীদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থী (নৌকা) প্রতীক নিয়ে লড়ছেন,পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম।
কিন্তু তার জয়ের পথে বড় বাধা হিসেবে দেখা যাচ্ছে সতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগের চারঘাট উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য রায়হানুল হক রায়হানকে (কাঁচি)। সতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ রায়হানুল হক রায়হান এর পক্ষে মাঠে নেমেছেন দলটির দুই উপজেলার একাংশের শীর্ষ নেতা/কর্মীরা।
নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা গেছে,এ আসন থেকে মোট-৯ জন মনোনয়ন জমা দেন। মধ্যে একজন প্রত্যাহার করে নেন।
নির্বাচন কমিশনের যাচাইয়ে বাতিল হয় দুই জন। প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়-৬ জন প্রার্থীর মধ্যে। এদের মধ্যে আওয়ামিলীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম (নৌকা),শতন্ত্র প্রার্থী চারঘাট উপজেলা আ’লীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য রায়হানুল হক রায়হান (কাঁচি),জাতীয় পার্টির মোঃ শামসুদ্দিন রিন্টু (নাঙ্গল),ন্যাসনাল পিপলস পার্টি মোঃ মহসিন আলী (আম),বাংলাদেশ জাতীয়বাদী আন্দোলন সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুস সামাদ (নোঙ্গর),জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ মোঃ জুলফিকার মান্নান জামী ( মশাল) প্রতীক পান।
তবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম (নৌকা) ও সতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ রায়হানুল হক রায়হান এর (কাঁচি) ছাড়া অন্য চার প্রার্থীকে চেনেন না এ আসনের অধিকাংশ সাধারণ ভোটাররা।
এ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম। একটানা-১৫ বছর সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্রপতিমন্ত্রী হিসেবে প্রতিনিত্ব করেছেন ফলে “চারঘাট-বাঘায়” তার রয়েছে নিজস্ব ভোটব্যাংক। স্থানীয়ভাবেও রয়েছে তার গ্রহন যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা।
চারঘাট উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম,বাঘা উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শিক্ষক মোঃ বাবুল ইসলাম বলেন,দুই উপজেলা আ’লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা নৌকার পক্ষে মাঠে নেমেছেন।
তবে স্থানীয়রা বলেন,তার জয়ের পথে সতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগের সাবেক উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ রায়হানুল হক রায়হান বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেন বলে জোরালো ভাবে মনে করেন স্থানীয় ভোটাররা।
তারা জানান,বাঘা উপজেলার স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক,জেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডঃ লায়েব উদ্দিন লাভলু,জেলা আ’লীগ সদস্য ও বাঘা পৌর মেয়র মোঃ আক্কাস আলী,ভাইচ চেয়ারম্যান মোকাদ্দেছ আলী,সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ও পাকুড়িয়া ইউ’পি চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম মেরাজ,বাউসা ইউ’পি চেয়ারম্যান –চারঘাট উপমজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বিপ্লব,নারী ভাইস চেয়ারম্যান মোসা:তাজমিরা খাতুন,চারঘাট পৌরসভার সাবেক মেয়ের মোসা: নার্গিস খাতুন,ভায়ালক্ষীপুর ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান শওকত আলী বুলবুল,সারদা ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান মতিউর রহমান তপন,ইউসুফপুর ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম রতন- সহ দুই উপজেলার আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠন একাংশের বিশাল একটি অংশ নৌকা ছেড়ে সতন্ত্র প্রার্থী রায়হানুল হক রায়হান এর পক্ষে কোমর বেধে মাঠে নেমেছেন। তারা আরও বলেন,ওই নেতাদের নিজস্ব রয়েছে ভোট ব্যাংক,জনপ্রিয়তা ও গ্রহনযোগ্যতা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নেতা জানান,”চারঘাট-বাঘা” উপজেলার বহু নেতা মুখে নৌকার কথা বললেও ভেতরে ভেতরে সতন্ত্র প্রার্থী রায়হানুল হক রায়হান এর জন্য কাজ করছেন। এতে (নৌকা) প্রতীকের আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম এর অনুসারী নেতা-কর্মীর মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা।
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডঃ লায়েব উদ্দিন লাভলু-সহ অনেকেই বলেন,আমাদের প্রার্থী সতন্ত্র রায়হানুল হক রায়হান (কাঁচি) প্রতীক। তার জন্য আমরা এক হয়ে কাজ করব। আমরা কারো পক্ষে ভাড়া খাটতে রাজি নই। দলের প্রয়োজনেই আমাদের নিজেদের এমপি দরকার।
সতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য রায়হানুল হক রায়হান বলেন, আমি দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম,কিন্তু পাইনি। নির্বাচনকে অংশগ্রহনমূলক করার জন্য দল থেকে কেন্দ্রীয় ভাবে সতন্ত্র প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী মাঠ উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তাই আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ আমার সাথে রয়েছেন। ফলে আমি ভোটাদের দারুণ সাড়া পাচ্ছি। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম বলেন, আমি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলাম। এমপি ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন জনগনের জন্য কাজ করেছি। নিজের স্বার্থে কিছুই করিনি,অন্যায়কে প্রশয় দিইনি। আমাকে দলীয় মনোনয়ন নৌকা প্রতীক দেয়া হয়েছে। আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আমাকে সতস্ফুর্ত ভাবে সহযোগিতা করছে। পুনোরাই জয়লাভের মাধ্যমে আমি “চারঘাট-বাঘার” উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
উল্লেখ্য,চারঘাট ও বাঘা উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-৬ আসন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা-৩ লাখ ৪০ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার-১ লাখ ৬১ হাজার ৫৯৭ জন ও পুরুষ ভোটার-১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৩০ জন।