প্রতীক পেয়েও ভোটে লড়া হলো না নওগাঁর আমিনুল হকের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নওগাঁ প্রতিনিধি : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-২ আসনে (পত্নীতলা ও ধামইরহাট) প্রতীক পাওয়ার দুই দিন পর অসুস্থ হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল হক মারা গেছেন।
আজ শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৭৫ বছর। আমিনুল হকের ছেলে আছিফুল হক গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আমিনুল হকের স্বজনেরা জানান, পারিবারিক কাজে গত সোমবার ঢাকায় যান আমিনুল হক। সেখানে যাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। মঙ্গলবার রাতে তাঁকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

আমিনুল হকের ছেলে আছিফুল হক বলেন, ‘আজ বিকেলে বাবার মরদেহ গ্রামের বাড়ি নজিপুরে পৌঁছানোর পর জানাজা শেষে সন্ধ্যায় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।’

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-২ আসন থেকে অংশ নিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন আমিনুল হক। না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেন তিনি। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্রে বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরে প্রার্থিতা বাতিল করেন। পরে আমিনুল হক প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের শুনানি শেষে গত বুধবার হাইকোর্ট আমিনুল হকের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন। ওই দিনই রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁকে ঈগল প্রতীক বরাদ্দ দেন।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. গোলাম মওলা বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থীর মৃত্যু ও নির্বাচন কার্যক্রম নিয়ে আইনে কী আছে, তা দেখে সিদ্ধান্ত পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।’

উল্লেখ্য, আমিনুল হক ২০০৬ সালে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি ১৯৮৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত একাধিকবার পত্নীতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

নওগাঁ-২ আসনে আমিনুল হক ছাড়াও আরও তিনজন প্রার্থী আছেন। তাঁরা হলেন—আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকার, জাতীয় পার্টির প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রতীক পেয়েও ভোটে লড়া হলো না নওগাঁর আমিনুল হকের

আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩

নওগাঁ প্রতিনিধি : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-২ আসনে (পত্নীতলা ও ধামইরহাট) প্রতীক পাওয়ার দুই দিন পর অসুস্থ হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল হক মারা গেছেন।
আজ শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৭৫ বছর। আমিনুল হকের ছেলে আছিফুল হক গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আমিনুল হকের স্বজনেরা জানান, পারিবারিক কাজে গত সোমবার ঢাকায় যান আমিনুল হক। সেখানে যাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। মঙ্গলবার রাতে তাঁকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

আমিনুল হকের ছেলে আছিফুল হক বলেন, ‘আজ বিকেলে বাবার মরদেহ গ্রামের বাড়ি নজিপুরে পৌঁছানোর পর জানাজা শেষে সন্ধ্যায় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।’

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-২ আসন থেকে অংশ নিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন আমিনুল হক। না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেন তিনি। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্রে বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরে প্রার্থিতা বাতিল করেন। পরে আমিনুল হক প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের শুনানি শেষে গত বুধবার হাইকোর্ট আমিনুল হকের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন। ওই দিনই রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁকে ঈগল প্রতীক বরাদ্দ দেন।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. গোলাম মওলা বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থীর মৃত্যু ও নির্বাচন কার্যক্রম নিয়ে আইনে কী আছে, তা দেখে সিদ্ধান্ত পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।’

উল্লেখ্য, আমিনুল হক ২০০৬ সালে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি ১৯৮৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত একাধিকবার পত্নীতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

নওগাঁ-২ আসনে আমিনুল হক ছাড়াও আরও তিনজন প্রার্থী আছেন। তাঁরা হলেন—আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকার, জাতীয় পার্টির প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুল ইসলাম।