সর্বশেষ ::

১৫ বছরে ওয়ার্ডে যাননি এমপি বাদশা, প্রতিবাদে মাঠে নামলেন কাউন্সিলরা

  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ ০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: ঘোষণা দিয়ে ১৪ দল সমর্থিত ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশাকে বাদ দিয়ে ‘কাঁচি’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. শফিকুর রহমান বাদশাকে জয়ী করতে একযোগে মাঠে নেমেছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলররা। দুই-একজন কাউন্সিলর বাদে রাজশাহী-০২ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র এই প্রার্থীকে জয়ী করতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) নগরীরর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন তারা। এসময় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশার কাঁচি প্রতীকে ভোট চান তারা।

গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন রাসিকের প্যানেল মেয়র-১ ও ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিযাম উল আযিম, প্যানেল মেয়র-২ ও ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মমিন, প্যানেল মেয়র-৩ ও সংরক্ষিত-১ এর কাউন্সিলর তাহেরা খাতুন মিলি, ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামাল হোসেন, ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশরাফুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জানে আলম জনি, ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্বাস আলী সরদার, ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবু বক্কর কিনু, ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু, ১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনার, ১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুস সোবহান, ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বেলাল আহম্মেদ, ১৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন, ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম, ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরমান আলী, ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলিফ আল মাহামুদ লুকেন, ২৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আকতারুজ্জামান, ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মনিরুজ্জামান, ২৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশরাফুল হাসান বাচ্চু, ২৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহের হোসেন, ৩০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আলাউদ্দিন, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর মোসা. শিউলি, সেবুন নেসা, আলতাফুন নেছা, মমতাজ মহল, সুলতানা আহমেদ সাগরিকা, নাদিরা বেগম, মোসাঃ ফেরদৌসি।

এর আগে বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় নগরীর শিরোইলস্থ অনুরাগ কমিউনিটি সেন্টারে রাসিকের প্যানেল মেয়র-১ ও ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিযাম উল আযিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. শফিকুর রহমান বাদশাকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছিলেন রাসিকের কাউন্সিলরবৃন্দ।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনবার এই আসনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। এবার চতুর্থবারের মত নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন ফজলে হোসেন বাদশা। তবে ‘আওয়ামী লীগের ওপর ভর করে’ ক্ষমতায় যাওয়া বাদশা ‘আওয়ামী লীগকেই মূল্যায়ন করে না’ এমন অভিযোগ তুলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এবারের নির্বাচনে বাদশার ‘নৌকা প্রতীক’র পক্ষ না নিয়ে নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশার ‘কাঁচি’ প্রতীককে সমর্থন দিয়ে তার পক্ষে কাজ করছেন।’

কাউন্সিলরদের অভিযোগ, বাদশা সরকারি প্রকল্পগুলো লুটপাট থেকে শুরু করে তার নিজের জন্য কাজ করেছেন। নগরবাসীর উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রাখেননি। ১৫ বছরে ৩০টি ওয়ার্ড তো দূরের কথা ১৫ টি ওয়ার্ডেও যাননি তিনি। মানুষের খোঁজ খবর রাখেননি। কিন্তু ভোট এলেই তার দৌড় ঝাঁপ শুরু হয়। নৌকা প্রতীক পেয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সহায়তায় তিনি এমপি হোন। যেখানে কাউন্সিলরদেরও ভূমিকা থাকে। কিন্তু তাদেরও কোন খোঁজ নেন না ববাদশা। এসব কারণে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এবার যোগ দিলেন রাসিক কাউন্সিররা।

নিউজটি শেয়ার করুন

১৫ বছরে ওয়ার্ডে যাননি এমপি বাদশা, প্রতিবাদে মাঠে নামলেন কাউন্সিলরা

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার: ঘোষণা দিয়ে ১৪ দল সমর্থিত ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশাকে বাদ দিয়ে ‘কাঁচি’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. শফিকুর রহমান বাদশাকে জয়ী করতে একযোগে মাঠে নেমেছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলররা। দুই-একজন কাউন্সিলর বাদে রাজশাহী-০২ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র এই প্রার্থীকে জয়ী করতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) নগরীরর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন তারা। এসময় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশার কাঁচি প্রতীকে ভোট চান তারা।

গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন রাসিকের প্যানেল মেয়র-১ ও ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিযাম উল আযিম, প্যানেল মেয়র-২ ও ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মমিন, প্যানেল মেয়র-৩ ও সংরক্ষিত-১ এর কাউন্সিলর তাহেরা খাতুন মিলি, ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামাল হোসেন, ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশরাফুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জানে আলম জনি, ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্বাস আলী সরদার, ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবু বক্কর কিনু, ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু, ১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনার, ১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুস সোবহান, ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বেলাল আহম্মেদ, ১৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন, ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম, ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরমান আলী, ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলিফ আল মাহামুদ লুকেন, ২৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আকতারুজ্জামান, ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মনিরুজ্জামান, ২৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশরাফুল হাসান বাচ্চু, ২৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহের হোসেন, ৩০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আলাউদ্দিন, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর মোসা. শিউলি, সেবুন নেসা, আলতাফুন নেছা, মমতাজ মহল, সুলতানা আহমেদ সাগরিকা, নাদিরা বেগম, মোসাঃ ফেরদৌসি।

এর আগে বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় নগরীর শিরোইলস্থ অনুরাগ কমিউনিটি সেন্টারে রাসিকের প্যানেল মেয়র-১ ও ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিযাম উল আযিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. শফিকুর রহমান বাদশাকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছিলেন রাসিকের কাউন্সিলরবৃন্দ।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনবার এই আসনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। এবার চতুর্থবারের মত নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন ফজলে হোসেন বাদশা। তবে ‘আওয়ামী লীগের ওপর ভর করে’ ক্ষমতায় যাওয়া বাদশা ‘আওয়ামী লীগকেই মূল্যায়ন করে না’ এমন অভিযোগ তুলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এবারের নির্বাচনে বাদশার ‘নৌকা প্রতীক’র পক্ষ না নিয়ে নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশার ‘কাঁচি’ প্রতীককে সমর্থন দিয়ে তার পক্ষে কাজ করছেন।’

কাউন্সিলরদের অভিযোগ, বাদশা সরকারি প্রকল্পগুলো লুটপাট থেকে শুরু করে তার নিজের জন্য কাজ করেছেন। নগরবাসীর উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রাখেননি। ১৫ বছরে ৩০টি ওয়ার্ড তো দূরের কথা ১৫ টি ওয়ার্ডেও যাননি তিনি। মানুষের খোঁজ খবর রাখেননি। কিন্তু ভোট এলেই তার দৌড় ঝাঁপ শুরু হয়। নৌকা প্রতীক পেয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সহায়তায় তিনি এমপি হোন। যেখানে কাউন্সিলরদেরও ভূমিকা থাকে। কিন্তু তাদেরও কোন খোঁজ নেন না ববাদশা। এসব কারণে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এবার যোগ দিলেন রাসিক কাউন্সিররা।