প্রতীক বরাদ্দ, প্রচারে প্রার্থীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ ০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের ৪০ জন প্রার্থীর মাঝে তাদের নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় রাজশাহীর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রতীক বরাদ্দ করেন। এছাড়া আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া এক প্রার্থীকে বিকালেও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। আরও একজন প্রার্থী আপিলেট ডিভিশনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেও এখনও প্রতীক পাননি।

প্রতীক পাওয়া ৪০ জন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক বেছে নেন। অন্য ৩৪ জন পান নিজেদের দলীয় প্রতীক।

রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরী নৌকা, বিএনএমের মো. শামসুজ্জোহা নোঙর, বিএনএফের মো. আল-সাআদ টেলিভিশন, তৃণমূল বিএনপির জামাল খান দুদু সোনালী আঁশ, এনপিপির নুরুন্নেসা আম, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বশির আহমেদ ছড়ি, জাতীয় পার্টির মো. শামসুদ্দীন লাঙল ও চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ট্রাক প্রতীক বরাদ্দ পান। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে বিকালে এসে কাঁচি প্রতীক বরাদ্দ নেন আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানী।

রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা নৌকা, জাসদের আব্দুল্লাহ আল মাসুদ শিবলী মশাল, জাতীয় পার্টির সাইফুল ইসলাম স্বপন লাঙল, বিএনএমের কামরুল হাসান নোঙর, মুক্তিজোটের ইয়াসির আলিফ বিন হাবিব ছড়ি ও বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির মারুফ শাহরিয়ার ডাব প্রতীক পান। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশা আপিলেট ডিভিশনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তবে কাগজপত্র এখনও না আসার কারণে তিনি প্রতীক বরাদ্দ পাননি।
রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ নৌকা, জাতীয় পার্টির সোলাইমান হোসেন লাঙল, বিএনএফের বজলুর রহমান টেলিভিশন, জাতীয় পার্টির আবদুস সালাম খান লাঙল, বিএনএমের মতিউর রহমান মন্টু নোঙর, এনপিপির সইবুর রহমান আম ও মুক্তিজোটের এনামুল হক ছড়ি প্রতীক পান।

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ নৌকা, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান এমপি এনামুল হক কাঁচি, জাতীয় পার্টির আবু তালেব প্রামানিক লাঙল, বিএনএমের সাইফুল ইসলাম রায়হান নোঙর, স্বতন্ত্র প্রার্থী বাবুল হোসেন মাথাল ও এনপিপির জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না আম প্রতীক বরাদ্দ পান।

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ দারা নৌকা, গণফ্রন্টের মখলেসুর রহমান মাছ, জাতীয় পার্টির আবুল হোসেন লাঙল, বিএনএমের শরিফুল ইসলাম নোঙর, বিএসপির আলতাফ হোসেন মোল্লা একতারা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান ঈগল প্রতীক পান।

রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহরিয়ার আলম নৌকা, স্বতন্ত্র প্রার্থী রাহেনুল হক কাঁচি, জাসদের প্রার্থী জুলফিকার মান্নান জামী মশাল, এনপিপির মহসিন আলী আম, জাতীয় পার্টির শামসুদ্দিন রিন্টু লাঙল ও বিএনএমের আবদুস সামাদ নোঙর প্রতীক পান। প্রতীক পেয়েই এই প্রার্থীরা প্রচারনা শুরু করেন।

প্রতীক বরাদ্দের আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা শামীম আহমেদ প্রার্থী ও তার প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। তিনি সবাইকে আচরণবিধি মেনে প্রচার-প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানান। কোথাও এর ব্যাতায় হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন। এ সময় নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রতীক বরাদ্দ, প্রচারে প্রার্থীরা

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের ৪০ জন প্রার্থীর মাঝে তাদের নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় রাজশাহীর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রতীক বরাদ্দ করেন। এছাড়া আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া এক প্রার্থীকে বিকালেও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। আরও একজন প্রার্থী আপিলেট ডিভিশনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেও এখনও প্রতীক পাননি।

প্রতীক পাওয়া ৪০ জন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক বেছে নেন। অন্য ৩৪ জন পান নিজেদের দলীয় প্রতীক।

রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরী নৌকা, বিএনএমের মো. শামসুজ্জোহা নোঙর, বিএনএফের মো. আল-সাআদ টেলিভিশন, তৃণমূল বিএনপির জামাল খান দুদু সোনালী আঁশ, এনপিপির নুরুন্নেসা আম, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের বশির আহমেদ ছড়ি, জাতীয় পার্টির মো. শামসুদ্দীন লাঙল ও চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ট্রাক প্রতীক বরাদ্দ পান। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে বিকালে এসে কাঁচি প্রতীক বরাদ্দ নেন আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানী।

রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা নৌকা, জাসদের আব্দুল্লাহ আল মাসুদ শিবলী মশাল, জাতীয় পার্টির সাইফুল ইসলাম স্বপন লাঙল, বিএনএমের কামরুল হাসান নোঙর, মুক্তিজোটের ইয়াসির আলিফ বিন হাবিব ছড়ি ও বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির মারুফ শাহরিয়ার ডাব প্রতীক পান। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশা আপিলেট ডিভিশনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তবে কাগজপত্র এখনও না আসার কারণে তিনি প্রতীক বরাদ্দ পাননি।
রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ নৌকা, জাতীয় পার্টির সোলাইমান হোসেন লাঙল, বিএনএফের বজলুর রহমান টেলিভিশন, জাতীয় পার্টির আবদুস সালাম খান লাঙল, বিএনএমের মতিউর রহমান মন্টু নোঙর, এনপিপির সইবুর রহমান আম ও মুক্তিজোটের এনামুল হক ছড়ি প্রতীক পান।

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ নৌকা, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান এমপি এনামুল হক কাঁচি, জাতীয় পার্টির আবু তালেব প্রামানিক লাঙল, বিএনএমের সাইফুল ইসলাম রায়হান নোঙর, স্বতন্ত্র প্রার্থী বাবুল হোসেন মাথাল ও এনপিপির জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না আম প্রতীক বরাদ্দ পান।

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ দারা নৌকা, গণফ্রন্টের মখলেসুর রহমান মাছ, জাতীয় পার্টির আবুল হোসেন লাঙল, বিএনএমের শরিফুল ইসলাম নোঙর, বিএসপির আলতাফ হোসেন মোল্লা একতারা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান ঈগল প্রতীক পান।

রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহরিয়ার আলম নৌকা, স্বতন্ত্র প্রার্থী রাহেনুল হক কাঁচি, জাসদের প্রার্থী জুলফিকার মান্নান জামী মশাল, এনপিপির মহসিন আলী আম, জাতীয় পার্টির শামসুদ্দিন রিন্টু লাঙল ও বিএনএমের আবদুস সামাদ নোঙর প্রতীক পান। প্রতীক পেয়েই এই প্রার্থীরা প্রচারনা শুরু করেন।

প্রতীক বরাদ্দের আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা শামীম আহমেদ প্রার্থী ও তার প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। তিনি সবাইকে আচরণবিধি মেনে প্রচার-প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানান। কোথাও এর ব্যাতায় হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন। এ সময় নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।