বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক হবে নতুন প্রজন্মের ঠিকানা : মোস্তাফা জব্বার

127

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কের নির্মাণ শেষ হলে তথ্য-প্রযুক্তিতে পদ্মাপাড়ের এ শহর অনেক এগিয়ে যাবে। তখন রাজশাহীকে ডিজিটাল শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে কর্মসংস্থানের ঠিকানা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে এই বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর বুলনপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় আমরা হাইটেক পার্ক নির্মাণ করছি। রাজশাহীর হাইটেক পার্কের নির্মাণ কাজ দ্রুতই চলছে। আশা করি, নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হবে। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, সরকারি পরামর্শে প্রযুক্তি ব্যবহার করে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ করা সম্ভব। আমাদের যে প্রযুক্তি রয়েছে তা ব্যবহার করে দূর থেকেও অগ্নিকাণ্ড সর্ম্পকিত তথ্য পাওয়া সম্ভব। ভবন মালিকরা পরামর্শ নিয়ে সেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করলে আগুনের আশঙ্কা কম থাকবে। তিনি আরো বলেন, শিথিলতার কারণে বহুতল ভবন নির্মাণে অনেক অনিয়ম হয়েছে।

তবে যারা কোড অমান্য করেছেন তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিবে। তিনি বলেন, যেসব বিল্ডিংয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে তাদের কেউ বিল্ডিং কোড মেনে বিল্ডিং তৈরি করেন নি। অবৈধভাবে বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বাহিরপথও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এমনকি ভেতরের আসবাবপত্রও দাহ্য পদার্থগুলো দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। পুরো বিল্ডিংই তৈরি করা হয়েছে আগুনের যেসব শত্রু সেইসব বস্তু দিয়ে। ওই বিল্ডিংয়ে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রও নেই। মালিকপক্ষের এসব অবহেলার কারণেই এসব দুর্ঘটনা ঘটছে।

এইসব যাতে না করতে পারে সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন নকশাবহির্ভুত ভবন মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। পরে মন্ত্রী হাইটেক পার্ক এলাকা ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি হাইটেক পার্কের কাজ নিয়ে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দেন এবং দ্রুততার সঙ্গে নির্মাণকাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশন দেন মন্ত্রী। মন্ত্রীর সঙ্গে জেলা রাজশাহী জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদের ও সিটি করপোরেশনের প্যনেল মেয়র-২ রজব আলীসহ হাইটেক পার্কের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

SHARE