ঐতিহাসিক নিদর্শন ঠিক রেখে উত্তরা গণভবনের উন্নয়ন

73

নাটোর প্রতিনিধি : ‘নাটোরের দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি তথা উত্তরা গণভবনের ঐতিহাসিক নিদর্শন ঠিক রেখে উন্নয়ন কাজ করা হবে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে রাজবাড়ির ভেতরের অবকাঠামো ঠিক রেখে মূল ফটকের সামনে পরিত্যক্ত জায়গায় আধুনিক মোটেল, স্মরণিকা শপ, সিনেপ্লেক্স, থ্রিডি মুভি কর্নার, ফুড কোর্ট ও চিলড্রেনস কর্না নির্মাণ করা হবে। এটি বাস্তবায়নে প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।’ শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে উত্তরা গণভবন ব্যবস্থাপনা কমিটি ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) শাহরিয়াজ এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, রাজধানীর বাইরে নাটোরে একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন উত্তরা গণভবন। এছাড়া দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি হওয়ায় এর ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং মর্যাদা রয়েছে। এ কারণে উন্নয়ন করতে গিয়ে গণভবনের মর্যদা বা নিদর্শন যাতে নষ্ট না হয় সেদিক খেয়াল রাখা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়নে প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। এ ব্যাপারে একটি প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রস্তাবটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, সম্প্রতি বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে উত্তরা গণভবন নিয়ে বিভ্রান্তিকর কিছু তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে। যার কারণে নাটোরের সচেতন মহল, সুধিজনরা ভুল বুঝেছেন। তাদের এ ভুল ভাঙতেই এ মতবিনিময় সভা। জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ড. রাজ্জাকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান খান, জজকোর্টের সরকারি কৌঁসুলি সিরাজুল ইসলাম, গবেষক ও ইতিহাস সংরক্ষক খালিদ বিন জালাল বাচ্চু, নাটোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জালাল উদ্দিন ও সিনিয়র সাংবাদিক রনেন রায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন- নাটোর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বানু, দিঘাপতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ওমর শরিফ চৌহান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোস্তাক আলী মুকুল প্রমুখ। এর আগে উত্তরা গণভবনের সংস্কারের আগে ও পরের উন্নয়ন নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন উত্তরা গণভবন ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব এবং এনডিসি অনিন্দ মন্ডল।

SHARE